সিরাজগঞ্জ জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন সাবেক মৎস ও প্রাণীসম্পদমন্ত্রী আব্দুল লতিফ বিশ্বাস। এছাড়া পদত্যাগ করেছেন বেলকুচি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও আব্দুল লতিফ বিশ্বাসের জামাতা নুরুল ইসলাম সায়েদুল।
আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিরাজগঞ্জ-৫ (চৌহালী-বেলকুচি) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করতে তাঁরা পদত্যাগ করেছেন।
বুধবার বিকেলে মনোনয়নপত্র নেওয়ার তথ্য নিশ্চিত করে আব্দুল লতিফ বিশ্বাস বলেন, ‘স্থানীয় নেতা–কর্মী ও নির্বাচনী এলাকার জনগণের চাপে আমি সংসদ নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এজন্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের পদ থেকে গতকাল মঙ্গলবার পদত্যাগ করে বুধবার সকালে মনোনয়নপত্র উত্তোলন করেছি। আগামীকাল বৃহস্পতিবার সকালে জেলা প্রশাসক বরাবর মনোনয়নপত্র দাখিল করব।’
নুরুল ইসলাম সাজেদুল বলেন, ‘সংসদ নির্বাচন করার জন্য উপজেলা চেয়ারম্যানের পদ থেকে গত সপ্তাহে পদত্যাগ করেছি। গতকাল জেলা নির্বাচন কার্যালয় থেকে চৌহালী-বেলকুচি আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র উত্তোলন করেছি।’
আব্দুল লতিফ বিশ্বাস জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি। ২০২০ সালের ২২ নভেম্বর আব্দুল লতিফ বিশ্বাসকে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। তিনি ২০০৮ সালের নির্বাচনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এরপর তাঁকে মৎস্য ও প্রাণীসম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়। এরপর ২০১৪ সালের নির্বাচনে এই আসনে মনোনয়ন দেওয়া হয় শিল্পপতি আব্দুল মজিদ মণ্ডলকে। ২০১৮ সালে এই আসন থেকে মনোনয়ন পান আব্দুল মজিদ মণ্ডলের ছেলে আব্দুল মমিন মণ্ডল। এবারও মমিন মণ্ডলকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।
সবশেষ বেলকুচি উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে নুরুল ইসলাম সাজেদুল চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন।



