দিনাজপুরে পল্লী বিদ্যুতের ট্রান্সফরমার চুরির ঘটনা বেড়েই চলেছে। চুরি প্রতিরোধে নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা নিয়েও মিলছে না সুফল। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির অসাধু কর্মচারীদের একটি অংশই চুরির কাজে জড়িত।
দিনাজপুরের ১৩টি উপজেলায় গেল ১ বছরে চুরি হয়েছে ৪০০ ট্রান্সফরমার। এমনকি একই গ্রাহকের ট্রান্সফরমার চুরি হয়েছে কয়েকবার।
বার বার চুরির কারণে ব্যাহত হচ্ছে সেচ ও ব্যবসা-বাণিজ্য। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, দুই ধরনের ট্রান্সফরমারের মধ্যে চুরি হচ্ছে শুধু বাণিজ্যিকগুলো। এতে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির লোকজন জড়িত বলে দাবি তাদের।
চুরি প্রতিরোধে আইনশৃঙ্খলা সভায় আলোচনা কিংবা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিকে বারবার অভিযোগ দিয়েও সুফল মেলেনি বলে জানালেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি।
দিনাজপুরের বিরল উপজেলার ভান্ডারা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মামনুর রশিদ বলেন, ‘ট্রান্সফরমার চুরির ফলে গভীর-অগভীর নলকূপ ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের মালিকরা হয়রানি এবং আর্থিকভাবে চরম ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। ব্যহত হচ্ছে সেচ এবং ব্যবসা বাণিজ্য। কর্তৃপক্ষকে বারবার অভিযোগ দিয়ে এবং আইনশৃঙ্খলা সভায় আলোচনা করেও কোনো সুফল মেলেনি।’
তবে এসব ঘটনায় পল্লী বিদ্যুতের কেউ জড়িত নয় দাবি করে কর্মকর্তা জানান, চুরি ঠেকাতে পুলিশের সহযোগিতা নেওয়া হচ্ছে।
দিনাজপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর জিএম মো. সাদেকুর রহমান বলেন, ‘চুরির ঘটনায় কেউ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সাথে জড়িত নয়। ট্রান্সফরমার চুরি রোধে গ্রাহকদের উদ্ধুদ্ধ করার পাশাপাশি পুলিশের সহযোগিতা নেওয়া হচ্ছে। কোনো গ্রাহকের ট্রান্সফরমা চুরি হলে প্রথম চুরির ক্ষেত্রে ট্রান্সফরমারের অর্ধেক মূল্য নেওয়া হয়।’
চোর-চক্রকে শনাক্ত করে কঠোর শাস্তির আওতায় আনার দাবি ভুক্তভোগীদের।



