তীব্র গরম আর ভ্যাপসা আবহাওয়ার মধ্যে ঘনঘন লোডশেডিংয়ে দুর্বিষহ গ্রামাঞ্চলের জনজীবন। রংপুরে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকায় ক্ষুব্ধ গ্রাহকরা। সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে শিশু, বয়স্ক ও রোগীরা। ব্যাহত হচ্ছে লেখাপড়া। শুধু বাসাবাড়ি নয়, বিদ্যুৎ না থাকায় দোকানপাট, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও ক্ষুদ্র শিল্পেও বাড়ছে ভোগান্তি।
ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে চার্জার ফ্যান, আইপিএসও কাজে আসছে না। বিকল্প হিসেবে হাতপাখা মানুষের ভরসা এখন। হাতপাখার দোকানগুলোতে বেড়েছে ক্রেতাদের আনাগোনা। আকার, নকশা ও মানভেদে এসব পাখা বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ১৫০ টাকায়।
রংপুর নেসকোর প্রধান প্রকৌশলী মোহাম্মদ আশরাফুল ইসলাম মণ্ডল জানান, রংপুরে বিদ্যুতের চাহিদা ৭০ থেকে ৭৫ মেগাওয়াট। তবে প্রতিদিন পাওয়া যাচ্ছে ৫০ মেগাওয়াট। একারণেই লোডশেডিং হচ্ছে বলে জানান এই কর্মকর্তা।
গত এক সপ্তাহ ধরে দিনে-রাতে মিলিয়ে প্রায় ১০ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ থাকছে না রংপুর জেলায়। একই চিত্র দেশের অন্যান্য অনেক এলাকারও।



