কুড়িগ্রামে হামের সংক্রমণ উদ্বেগ তৈরি করেছে। কিন্তু জেলা সদর হাসপাতালে নেই পর্যাপ্ত আইসোলেশন শয্যা। বর্তমানে ১৫ শয্যার আইসোলেশন ওয়ার্ডে রোগী ভর্তি আছে ৩৬ জন। আক্রান্তদের বেশিরভাগই শিশু। শয্যাসংকটে ব্যহত হচ্ছে চিকিৎসাসেবা, বাড়ছে সংক্রমণ ঝুঁকি।
জ্বরে কাবু শরীর, মুখসহ সারা গায়ে লালচে র্যাস। তীব্র যন্ত্রণা নিয়ে হাসপাতালের বিছানায় ছটফট করছে শিশুরা। আক্রান্তদের মধ্যে প্রাপ্তবয়স্করাও আছেন। শয্যা সংকটে মেঝেতেই চলছে তাদের চিকিৎসা।
চলতি মৌসুমে কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে হামের চিকিৎসা নিয়েছেন ২৩৪ জন। ২২ লাখের বেশি মানুষের বিপরীতে হাসপাতালটিতে আইসোলেশন শয্যা মাত্র ১৫টি। ফলে গাদাগাদি করেই চলছে সংক্রামক রোগটির চিকিৎসা।
কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. নিসর্গ মেরাজ চৌধুরী বলেন, ‘পরিস্থিতি সামাল দিতে প্রতিদিনই হিমশিম খেতে হচ্ছে।’
কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালের শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ আল-আমিন মাসুদ বলেন, ‘হামের সংক্রমণ ঠেকাতে সচেতনতা, সময়মতো টিকাদান এবং আক্রান্তদের পৃথক রাখতে হবে।’
একদিকে রোগীর চাপ, অন্যদিকে পর্যাপ্ত শয্যার অভাব—দুই সংকটেই বাড়ছে ভোগান্তি। পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসুবিধা ও আইসোলেশন সক্ষমতা বাড়ানো দাবি রোগী ও স্বজনদের।


