কোরবানির ঈদ সামনে রেখে নতুন টাকার চাহিদা বেড়ে গেলেও ব্যাংকে খুব বেশি পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ গ্রাহকদের। সবচেয়ে বেশি সংকট ১০ ও ২০ টাকার নোটের।
ব্যাংকাররা জানিয়েছেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে চাহিদামতো নতুন নোট না পাওয়ায় দিতে পারছেন না গ্রাহকদের। নিয়ন্ত্রক সংস্থা বলছে, ঈদের আগে টাঁকশালে প্রায় ১৬ হাজার কোটি টাকার নতুন নোট চাইলেও, তারা দিয়েছে ৮ হাজার কোটি টাকার।
যেকোনো উৎসবে বেড়ে যায় নতুন টাকার চাহিদা। কোরবানির ঈদের আগেও তাই বিভিন্ন ব্যাংকে ভিড় করছেন গ্রাহকরা। তবে চাহিদামতো পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ তাদের।
ব্যাংকাররা বলছেন, উৎসবের সময় শুধু নতুন নোট নয়, চাহিদা বাড়ে নগদ টাকারও। কিন্তু এবার বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে নতুন টাকার সরবরাহ কম থাকায় গ্রাহকদের সন্তুষ্ট করতে পারছেন না তারা।
সোনালী ব্যাংকের স্থানীয় কার্যালয় মহাব্যবস্থাপক শফিকুল ইসলাম বলেন, ১২৩টি শাখায় একটি রিম করেও যদি দেওয়া যেত, সেই পরিমাণ টাকাও এখনও পাইনি। যদি সামনে পাই তাহলে দেওয়া যাবে। এর মধ্যেই গুরুত্ব বিবেচনায় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
অগ্রণী ব্যাংকের প্রিন্সিপাল শাখার মহাব্যবস্থাপক এ কে এম ফজলুল হক বলেন, কেউ যদি ৫০হাজার টাকাই নতুন নোট, ছোট নোট চান; এই চাহিদা পূরণ করার ক্ষমতা কারও নেই।
বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, কাগজ ও কালির সংকটে টাঁকশালে উৎপাদন কমেছে। তবু যতটা সম্ভব প্রতিটি ব্যাংকেই কিছু কিছু নতুন টাকা দেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, অভিযোগ তোলার সুযোগ নেই। আমরা উজার করেই সহায়তা করব। চাহিদ অফুরন্ত, যোগান সীমিত– হতাশা থাকবেই।
কোনো ব্যাংকের কর্মকতা-কর্মচারী গ্রাহকদের নতুন টাকা না দিয়ে, খোলা বাজারে বিক্রি করলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।



