হাম ও উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা প্রায় ৫০ ভাগ কমলেও কমছে না আক্রান্তের হার। ৩ থেকে ১৭ জুন প্রতিদিন গড়ে আক্রান্ত হচ্ছে ১ হাজার ১৩৫ জন। টিকা নেওয়ার পরও আক্রান্তের হার না কমায় দুশ্চিন্তায় বিশেষজ্ঞরা। শিশুদের এন্টিবডি পরীক্ষার পরামর্শ দিয়ে তারা বলছেন, অপুষ্টি রোধ করা না গেলে হার্ড ইমিউনিটি গড়ে তোলা কঠিন।
১৫ মার্চ থেকে ১৭ জুন পর্যন্ত সারাদেশে হামে আক্রান্ত হয়েছে ১০ হাজার ৬০০ বেশি রোগী। উপসর্গ পাওয়া গেছে প্রায় ৮৯ হাজার।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১০ মে হাম ও উপসর্গ পাওয়া যায় ১ হাজার ৭০৮ জনের শরীরে। ১০ জুন সে সংখ্যা কমে হয় ১ হাজার ৩৯ জন।
৩ মে থেকে ১৭ মে পর্যন্ত সারাদেশে হাম ও উপসর্গ পাওয়া যায় ২০ হাজার ২৬৩ জনের শরীরে। এ কদিনে মৃত্যু হয় ১১৯ জনের। জুনের একই তারিখের ১৫ দিনে হাম ও উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয় ১৭ হাজার ৩১ জন, মৃত্যু হয় ৬৭ জনের।
শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মির্জা জিয়াউল ইসলাম বলেন, ‘দেশব্যাপী টিকা দেওয়ার প্রায় ৪ সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও কমছে না হামের সংক্রমণ। সুনির্দিষ্ট কারণ না বলা গেলেও শিশুদের অপুষ্টি অন্যতম কারণ।’
ভাইরোলজিস্ট ডা.খন্দকার মাহবুবা জামিল বলেন, ‘মৃত্যু কিছুটা কমলেও সংক্রমণ কেন কমছে না, তা চিন্তার বিষয়। টিকা দেওয়ার পরও কেন শিশুদের শরীরে এন্টিবডি তৈরি হচ্ছে না এ জন্য গবেষণার দরকার।’
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, ১৭ জুন পর্যন্ত প্রতিদিন হাম ও উপসর্গ নিয়ে আক্রান্তের হার ১ হাজার ১৩৫ জন। মে মাসে এ সংখ্যা ছিল ১ হাজার ৩৫০ জন।



