বিদায়ী অর্থবছরে ব্যাংক খাত থেকে সরকার ১ লাখ ৩১ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে, যা নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২৭ হাজার কোটি টাকা বেশি। অর্থনীতিবিদদের মতে, বড় অঙ্কের রাজস্ব ঘাটতির কারণে সরকারের ব্যাংক নির্ভরতা বাড়ছে, যা মূল্যস্ফীতি ও বেসরকারি খাতের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
বিদায়ী অর্থবছরে সরকারের রাজস্ব আয় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১ লাখ কোটি টাকার বেশি ঘাটতিতে রয়েছে। একইসঙ্গে বাজেটে নির্ধারিত বিদেশি ঋণের লক্ষ্যমাত্রার অর্ধেকেরও কম অর্জিত হয়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের মে পর্যন্ত ১১ মাসে বিদেশি সহায়তার অর্থছাড় দাঁড়িয়েছে ৪৫৮ কোটি ডলারে, যেখানে আগের অর্থবছরের একই সময়ে তা ছিল ৫৬১ কোটি ডলার।
রাজস্ব আদায় ও বিদেশি ঋণের গতি কম থাকায় বাজেট বাস্তবায়নে সরকারকে ব্যাংকের ওপর নির্ভর করতে হয়েছে। ১ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকা ঋণের লক্ষ্য থাকলেও শেষ পর্যন্ত নিতে হয়েছে ১ লাখ ৩১ হাজার কোটি টাকা।
বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন জানান, বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবৃদ্ধি নেমে এসেছে ৫ শতাংশের ঘরে, ফলে সরকার বাড়তি ঋণ নিলেও তার চাপ বেসরকারি খাতে পড়েনি। অর্থবছরের প্রথমার্ধের মুদ্রানীতিতে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ধরা হয়েছিল ৬ দশমিক ৮ শতাংশ, আর সরকারি খাতে ২১ দশমিক ৮ শতাংশ।


ডিজিটাল লেনদেনে বাড়ছে খরচ, বাংলা কিউআরে নতুন মাশুল নির্ধারণ
