চাঁদপুরের পদ্মা ও মেঘনা নদীতে কাঙ্ক্ষিত ইলিশ না পেয়ে হতাশ জেলেরা। ভরা মৌসুমেও চাঁদপুরের বড়স্টেশন মাছঘাটে নেই পর্যাপ্ত ইলিশ। সরবরাহ কমে যাওয়ায় দাম আকাশ ছুঁয়েছে। বিক্রি কমে যাওয়ায় লোকসান গুনছেন ব্যবসায়ীরা। মৎস্য বিভাগ জানিয়েছে, নদীর গভীরতা কমে যাওয়ার কারণেই কম ইলিশ ধরা পড়ছে।
চাঁদপুরের পদ্মা ও মেঘনা নদীতে কাঙ্ক্ষিত ইলিশ না পেয়ে হতাশ স্থানীয় জেলেরা। ভরা মৌসুমেও সারাদিন জাল ফেলে খালি হাতে ফিরতে হচ্ছে অনেককে। শুধু নদীতে নয়, এবার সাগরে ট্রলার নিয়ে গিয়েও হতাশ হয়ে ফিরছেন জেলেরা। জেলেদের একজন জানান, অনেক খরচ করে গিয়েও দেখা যায় যে, মাছ নেই।
দেশের সবচেয়ে বড় ইলিশের মোকাম চাঁদপুর বড় স্টেশন মাছ ঘাট। ২০২৪- ২০২৫ অর্থবছরে এই ঘাটে পাওয়া গিয়েছিল ৩৫ হাজার ৪শ ৭২ টন ইলিশ। তবে এই অর্থবছরে তা ৩০ হাজার টনেরও কম হবে বলে মনে করছে মৎস্য বিভাগ। নদীর নাব্যতা ও গভীরতা কমে যাওয়াকেই কারণ হিসেবে দেখানো হচ্ছে।
চাঁদপুর মৎস্য বিভাগের জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম বলেন, এখনও বৃষ্টি তেমন নাই, আষাঢ় মাস চলে গেছে। তেমন বৃষ্টিপাত হয় নাই। নদীর নাব্যতাও কম, গভীরতাটাও কমে গেছে। তো মনে হচ্ছে, এ বছর ইলিশের উৎপাদন গত বছরের তুলনায় একটু কমতে পারে।
এদিকে, সরবরাহ কমায় দাম বেড়েছে অনেক। তাই ইলিশ না কিনে খালি হাতে ফিরছেন অনেক ক্রেতা। তাতে লোকসান গুনতে হচ্ছে ব্যবসায়ীদের।
উচ্চ দামের কথা বলতে গিয়ে এক ক্রেতা জানান, ৮০০ গ্রামের ইলিশের দাম ২৩শ থেকে ২৪শ টাকা কেজি। আর ৫০০ গ্রামের ইলিশের দাম ১৮শ থেকে ১৯শ টাকা কেজি। আরেকজন বলেন, মাছের অবস্থা খুবই খারাপ। এখন যে সিজন চলছে, সিজনের মতো ইলিশ মাছ নাই।
চাঁদপুর বড় স্টেশন ঘাটে ১ কেজি ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৭০০ থেকে ২ হাজার ৮০০ টাকা করে। আর ৩০০ গ্রাম ওজনের ছোট ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ১২০০ থেকে ১৩০০ টাকা দরে।



