গত কয়েক বছরে বরিশালের বাজার ও মোকামে কমেছে ইলিশসহ সব ধরনের মাছের সরবরাহ। জেলেরা বলছেন, আগে নদী-সাগরে সারা বছর মাছ মিললেও এখন ভরা মৌসুমেও আশানুরূপ মিলছে না। মৎস্য কর্মকর্তারা বলছেন মাছের উৎপাদন বেড়েছে। তবে বহুমুখী বিপণনের কারণে এখন মোকাম বা বাজার ছাড়াও অনেক মাছ সরাসরি বিক্রি হচ্ছে। সামগ্রিকভাবে মাছের উৎপাদন ও বৃদ্ধি নিয়ে গবেষণায় গুরুত্ব দিয়েছেন তারা।
সাগর ছাড়াও ছোট-বড় ১৩৪টি নদী-খাল থেকে মাছ আসে বরিশালের বাজার ও মোকামে। গত ১২ বছরে জেলায় ইলিশ দুই লাখ টন ও অন্য মাছের আড়াই লাখ টন উৎপাদন বেড়েছে, বলছে মৎস্য বিভাগ। তবে জেলেদের অভিযোগ, আগের মতো আশানুরূপ মাছ উঠছে না জালে।
বরিশাল মৎস্যজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. কামাল সিকদার বলেন, ‘আশপাশের নদী-সাগরে আগে অহরহই মিলতো ইলিশ, রুই, কাতল, আইড়, বায়লাসহ নানা প্রজাতির মাছ। এখন দিনে দুই বেলা জাল ফেলেও পর্যাপ্ত মাছ মেলে না।’
বরিশাল মৎস্য অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. মোহসীন বলেন, ‘আগের তুলনায় মাছের বিপণন ও সংরক্ষণ ব্যবস্থা বদলেছে। তাই আড়তে মাছ না এলেই সরবরাহ কমেছে, এমন বলার সুযোগ নেই। তবে ইলিশসহ মাছের বংশবৃদ্ধির সার্বিক বিষয়ে গবেষণার প্রয়োজন।’
বরিশার বিভাগে মোট নিবন্ধিত জেলে ৪ লাখ ২২ হাজার। ছয় জেলায় বছরে ৭ লাখ ৩৫ হাজার টন মাছ উৎপাদনের তথ্য জানিয়েছে মৎস্য অধিদপ্তর।



