সারা দেশে কোনোভাবেই কাটছে না জ্বালানি তেলের সংকট, যা দিন দিন আরও প্রকট হয়ে উঠছে। চালকদের দাবি, সরকারের হস্তক্ষেপে দ্রুত তেল সংকট নিরসন হলে তাদের পেশাগত কাজের গতি ফিরবে।
লক্ষ্মীপুরে পাম্পগুলোর সামনে ও সড়কের পাশে দীর্ঘ লাইনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও জ্বালানি তেল না পেয়ে খালি ফিরতে হচ্ছে পরিবহন চালকদের। বিশেষ করে প্রাইভেট চাকুরীজীবি ও বাইকারদের অবস্থায় খুবই নাজুক। এক পাম্প থেকে অন্য পাম্পে দৌড়াদড়ি করার পর ২০০ টাকার তেল পেলেও সেটা দিয়ে কোনো কাজেই আসছে না। তবে ডিজেল কিছুটা পেলেও পেট্রোল ও অকটেনের সংকট তীব্র আকার ধারন করছে।
ফিলিং স্টেশনগুলোতে জ্বালানি তেলের সরবরাহ অস্বাভাবিক কমে যাওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ গ্রাহক ও যানবাহন চালকেরা। কোথাও তেল সরবরাহ বন্ধ, কোথাও ২০০ টাকার পেট্রোল, আবার অনেকে জায়গায় সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। তবে ডিজেল সরবরাহ আগের চেয়ে বেশি দেওয়া হচ্ছে বলে জানান পাম্প মালিকেরা।
চাঁদপুরে কাটছে না জ্বালানি তেল সংকট। শহরের আমির খান পাম্পে তিন দিন পর তেল আসার খবরে সকাল থেকে দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষা বাইকাররা। অপেক্ষমান বাইকারদের মাঝে বেশির ভাগ বিভিন্ন কোম্পানির মার্কেটিং প্রতিনিধিরা।
অন্যদিকে শহরের শারমিন ও ফয়সাল ফিলিং স্টেশন বন্ধ। মাইকিং করে বাইকারদের তেল নেই বলে জানানো হচ্ছে।
বাইকারদের দাবি, সরকারের হস্তক্ষেপে দ্রুত তেল সংকট নিরসন হলে তাদের পেশাগত কাজের গতি ফিরবে।
পাম্প কর্তৃপক্ষ বলছেন, তিন দিন ধরে অকটেন ও পেট্রোল নেই। ২৪ ঘণ্টাই যানবাহন চালকদের সাথে তেল নেই বলে জানাতে হচ্ছে। প্রতিদিন পাম্পে চাহিদা ৮ থেকে ৯ হাজার লিটার, সেখানে ৩-৪ দিন পর তেল মিলছে মাত্র ৩-৪ হাজার লিটার। একই অবস্থা জেলার হাজীগঞ্জ ও শাহরাস্তির সবকটি পাম্পের।
প্রতিবেদনটি তৈরিতে সহযোগিতা করেছেন জেলার প্রতিনিধিরা।



