‘জওয়ান’ চলচ্চিত্রে দেশ গড়ার পাঠ দিয়েছিলেন বলিউড সুপারস্টার শাহরুখ খান। এবার আর পর্দায় নয়, ভারতের লোকসভা নির্বাচন চলাকালে বাস্তবেই নতুন বার্তা দিলেন তিনি।
তিন দশকের চলচ্চিত্র ক্যারিয়ারে জওয়ানের মাধ্যমেই প্রথমবার বুক ঠুকে রাজনীতির মুখোমুখি হয়েছিলেন শাহরুখ। প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়েছিলেন মরচে ধরা রাষ্ট্রযন্ত্রকে।
সিনেপর্দায় অকপটে বলেছিলেন, ‘পাঁচ বছরের জন্য যখন কাউকে সরকারে আনতে ভোট দেন, তখন কি তার কাছে যাচাই করতে যান যে, বেকারত্ব ঘুচবে কিনা, শিক্ষার অধিকার পাওয়া যাবে কিনা কিংবা পরিবারের সদস্যদের কেউ অসুস্থ হলে সঠিক চিকিৎসা পরিষেবা পাওয়া যাবে কিনা? এরপর থেকে যাচাই করে ভোট দিন।’

এবার লোকসভা ভোটের আবহে বিশেষ বার্তা দিলেন কিং খান। নির্বাচনী আবহে গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগের কথা বললেন তিনি।
শনিবার (১৮ মে) নিজের ভেরিফায়েড এক্স হ্যান্ডেলে এই বলিউড সুপারস্টার লিখেছেন, ‘একজন দায়িত্ববান নাগরিক হিসেবে আগামী সোমবার আমাদের ভোট দিতে যাওয়া উচিত। চলুন ভারতীয় হিসেবে আমাদের দায়িত্ব পালন করি এবং আমাদের দেশের সর্বোত্তম স্বার্থকে মাথায় রেখে ভোট দিই। ভোটের অধিকার জনস্বার্থে প্রচার করুন আপনারাও।’
জওয়ান সিনেমা নিয়েও রাজনৈতিক মহলে কম শোরগোল হয়নি। শাহরুখকে শিখণ্ডী বানিয়ে একে-অপরের বিরুদ্ধে গলা চড়িয়েছিল বিজেপি-কংগ্রেস! আসলে সিনেমাটির বিভিন্ন সংলাপে কখনো দেশের অর্থনৈতিক কেলেঙ্কারি, কখনো অস্ত্র দুর্নীতি, আবার কখনো-বা ভঙ্গুর চিকিৎসা ব্যবস্থাকে তুলে ধরা হয়েছিল।
শাহরুখ-ভক্তরা তখন বলেছিলেন, রাষ্ট্রব্যবস্থার মেরুদণ্ড আসলে কতটা শক্ত—সেটাই পরখ করে দেখতেই টোকা দিয়েছেন কিং খান। রোজকার ডাল-ভাতের চিন্তা করা জনগণকে শিখিয়েছেন ‘পরিবর্তন পরিবর্তন’ করে চেঁচালেই হয় না, গণতন্ত্রের আওয়াজ কতটা শক্তিশালী—নির্বিকার জনতাকে তাঁদের ভাষাতেই বুঝিয়েছেন তিনি।
পরবর্তীতে এ নিয়ে শাহরুখের ভাষ্য ছিল, ‘জওয়ান আসলে জনতার কণ্ঠস্বর।’


যে ক্রিকেটারে মুগ্ধ শাহরুখ
শুরু হচ্ছে শাহরুখের নতুন ছবির শুটিং
