রাজ আহত হলেও এর কিছুই জানেন না বলে দাবি পরীর। বিষয়টি নিয়ে মুখে কুলুপ এঁটেছেন রাজও। নায়কের ঘনিষ্ঠদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এটি নিছক দুর্ঘটনা মাত্র। তেমনই একজনের দাবি, এটা বাইক দুর্ঘটনা!
তবে কোথায়, কীভাবে, কখন রাজের মাথায় এই ক্ষত হয়েছে তা নিয়ে কেউই মুখ খোলেননি। এমনকি পরীও এ ব্যাপারে মুখ খোলেননি। যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘রাজ কোথায় আমি জানি না। আমি হাসপাতালে। আমার অনেক জ্বর। কথা বলতে পারছি না।’
হ্যাঁ, এ চিত্রনায়িকা নিজেও এখন রাজধানীর একটি হাসপাতালে ভর্তি।
অন্যদিকে, দু'একজন বলছেন, বাসায় নয়, ঘটনা ঘটেছে গত ঈদে মুক্তি পাওয়া এক চলচ্চিত্র পরিচালকের অফিসে। সেখানেই চরম কলহে পৌঁছান রাজ পরী। রাজই উল্টো মারধর করেন পরীকে। তবে এর সত্যতা কেউ উপস্থাপন করতে পারেননি।
আবার রাজ রক্তাক্ত হওয়ার ঘটনায় প্রশ্নের মুখে পড়েছেন এই নায়িকা। বিশেষত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমের নিউজের কমেন্ট সেকশনে ঘটনার জন্য দর্শক ও পাঠকরা দুষছেন পরীকে।
এমনটা ভাবার রসদ যোগাচ্ছে তাদের পূর্ব ঘটনা। চলতি বছরের শুরুটাই হয়েছিল এ দম্পতির চরম অস্থিরতা দিয়ে। বছরের শেষ দিন রাতে রক্তমাখা বিছানার ছবি ফেসবুকে প্রকাশ করেছিলেন পরী।
রক্তের দাগওয়ালা দুটি ছবি দিয়ে ভক্তদের নববর্ষের শুভেচ্ছা জানান পরী। একই সঙ্গে তিনি সংবাদ সম্মেলন করবেন বলে উল্লেখ করেন সেই ফেসবুক স্ট্যাটাসে। পরী মণি লিখেছিলেন— ‘হ্যাপি থার্টি ফার্স্ট এভরিওয়ান! আমি আজ রাজকে আমার জীবন থেকে ছুটি দিয়ে দিলাম এবং নিজেকেও মুক্ত করলাম একটা অসুস্থ সম্পর্ক থেকে।’
পরী মণির এ স্ট্যাটাস মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে পড়ে। লাইক কমেন্টের বন্যা বয়ে যায়। তবে দিন দুয়েক পর তাদের বাসার কেয়ারটেকার মারফত একটি গণমাধ্যম জানায়, পরী নয়, রাজের হাত কেটেছে। আর সেই রক্তের দাগ পড়েছিল বিছানায়।
এদিকে, নানা চড়াই-উৎরাইয়ের পর রাজ-পরী এক হন সন্তান রাজ্যর প্রথম জন্মবার্ষিকী উদযাপনে। যা আয়োজন করে টিএম ফিল্মস। সেখানেই মান অভিমান ভুলে সন্তানকে নিয়ে হাজির হন এ দম্পতি। তার একদিন পরই রক্তাক্ত মাথা নিয়ে হাসপাতালে যেতে হলো রাজকে।
অন্যদিকে, এই দম্পতির সবশেষ খবরে তিতিবিরক্তও হয়েছেন বেশিরভাগ পাঠক দর্শক। তাদের একজন লিখেছেন, 'আর নিতে পারছি না, আমাদের ক্ষমা করে দেও রাজ-পরী!'


রক্তাক্ত হতে হলো রাজকে, হাসপাতালে ভর্তি পরীও
এবার হাসপাতালে রাজ ও পরী!
রক্তাক্ত রাজ, কিছুই জানে না হাসপাতাল-থানা
