ফেব্রুয়ারিতে কানাডার টরেন্টোতে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনার কবলে পড়েছিলেন সংগীতশিল্পী কুমার বিশ্বজিতের ছেলে নিবিড় কুমার। এরপর থেকেই সেখানকার সেন্ট মাইকেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন তিনি। টরেন্টোর ৪২৭ সাউথবাউন্ড হাইওয়ে ডানডাস এক্সিটে এ দুর্ঘটনায় নিবিড় কোনোভাবে বাঁচতে পারলেও মারা যান তিন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী—আরিয়ান আলম দীপ্ত, শাহরিয়ার খান ও অ্যাঞ্জেলা বারৈ।
ছেলের দুর্ঘটনার কথা শুনতে পেয়ে সেদিনই কানাডায় ছুটে গিয়েছিলেন কুমার বিশ্বজিৎ। তারপর থেকেই ঢাকা-টরেন্টোয় আসা-যাওয়ার মধ্যে আছেন তিনি। গণমাধ্যমে এই গায়ক জানালেন, নিবিড় এখন আগের চেয়ে সুস্থ। ডাকলে এখন সাড়া দেন। কথা বলার চেষ্টাও করেন।
কুমার বিশ্বজিৎ বলেন, ‘আমি এখন ঢাকায়, শুক্রবার এসেছি। আগামী শুক্রবার রাতে আবার কানাডা ফিরে যাব। সবার আশীর্বাদে নিবিড় এখন সুস্থ হওয়ার পথে। আমি এবং ওর মা গত ৯টা মাস নির্ঘুম রাত কাটিয়েছি। আমাদের কান্না সৃষ্টিকর্তা শুনেছেন। আমাদের নিবিড়কে ফিরিয়ে দিচ্ছেন। নিবিড়ের জন্য যাঁরা দোয়া ও আশীর্বাদ করেছেন তাঁদের সবার কাছে কৃতজ্ঞ।’
স্থানীয় পুলিশ তখন জানিয়েছিল, দুর্ঘটনাকবলিত গাড়িটি চালাচ্ছিলেন নিবিড় কুমার। বাকিরা ছিলেন সহযাত্রী। দুর্ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলেই দুজনের মৃত্যু হয়। তৃতীয়জন হাসপাতালে নেওয়ার পর মারা যান। তাঁরা সবাই প্রবাসী শিক্ষার্থী হিসেবে কানাডায় পড়াশোনা করছিলেন।


‘আলী যাকেরের চশমাটি রেখে দিয়েছি’
বাংলাদেশে প্রথমবার একক কনসার্টে নচিকেতা
