‘বেবি, বেবি, বেবি, ওহ’—কী দারুণ এক পারফরম্যান্স! রোববার রাতে গ্র্যামি মঞ্চে পারফর্ম করেন জাস্টিন বিবার। তিনি পরিবেশন করেন ‘ইউকন’ গানটি, যা জুলাইয়ে প্রকাশিত তাঁর সপ্তম স্টুডিও অ্যালবাম ‘সোয়াগ’–এর একটি গান।
গ্র্যামির মঞ্চে এই গায়ক ছিলেন একেবারে সাদামাটা লুকে। তিনি শুধু বক্সার শর্টস ও মোজা পরে আবেগঘন এক অ্যাকুস্টিক পরিবেশনায় অংশ নেন। সঙ্গে ছিল ইলেকট্রিক গিটার ও ড্রামস। পারফরম্যান্সের সময় ক্যামেরা বারবার দর্শকসারিতে বসে থাকা তাঁর স্ত্রী, রোড ব্র্যান্ডের প্রতিষ্ঠাতা হেইলি বিবারের দিকে ঘুরে যাচ্ছিল, তিনি মুগ্ধ হয়ে স্বামীর গান উপভোগ করছিলেন।
বেলিবারদের জন্য রাতটি ছিল বিশেষভাবে প্রতীক্ষিত। কারণ, চার বছর পর এই প্রথম গ্র্যামি মঞ্চে পারফর্ম করলেন বিবার। ২০২৩ সালে জাস্টিস ওয়ার্ল্ড ট্যুর–এর বাকি শোগুলো বাতিল করার পর সাম্প্রতিক বছরে তিনি প্রকাশ্যে পারফরম্যান্স থেকে অনেকটাই দূরে ছিলেন।
এই বিরতির সময়টায় ‘হোয়াট ডু ইউ মিন?’খ্যাত গায়ক ব্যস্ত ছিলেন ব্যক্তিগত জীবনে। ২০২৪ সালের আগস্টে তিনি ও হেইলি তাঁদের প্রথম সন্তানের বাবা–মা হন।
২০২৬ সালের গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ডসে জাস্টিন বিবার চারটি বিভাগে মনোনয়ন পেয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছে সেরা আরঅ্যান্ডবি পারফরম্যান্স, সেরা পপ ভোকাল অ্যালবাম, সেরা পপ সলো পারফরম্যান্স ও অ্যালবাম অব দ্য ইয়ার।
২০১১ সালে মাই ওয়ার্ল্ড টু পয়েন্ট জিরো অ্যালবামের জন্য সেরা নতুন শিল্পী এবং সেরা পপ ভোকাল অ্যালবাম বিভাগে প্রথমবার গ্র্যামির মনোনয়ন পান বিবার। ক্যারিয়ারে তিনি এখন পর্যন্ত দুটি গ্র্যামি জিতেছেন। ২০১৬ সালে ‘হোয়ার আর ইউ নাউ’ এবং ২০২১ সালে ‘টেন থাউজ্যান্ড আওয়ার্স’ গানের জন্য।
তাঁর পরবর্তী বড় পারফরম্যান্স অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা আগামী এপ্রিল মাসে। সেসময় তিনি কোচেলা মিউজিক ফেস্টিভ্যালে প্রধান শিল্পী হিসেবেও মঞ্চে উঠবেন।
প্রসঙ্গত, গ্র্যামির অনুষ্ঠানের আগে জাস্টিন ও হেইলি একসঙ্গে লালগালিচায় হাঁটেন। দুজনের পোশাকে লেখা ছিল ‘আইস আউট’। আরও বেশ কয়েকজন তারকা গ্র্যামিতে আইস’র বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছেন, যে রাষ্ট্রীয় সংস্থাটি আমেরিকায় ‘অবৈধভাবে’ থাকা অভিবাসীদের অপসারণ অভিযান পরিচালনা করছে।



