এখন চলছে বর্ষাকাল। কখনো বৃষ্টি, আবার কখনো দেখা যাচ্ছে ভ্যাপসা গরম। এই সময় আবহাওয়ার পরিবর্তনের কারণে শিশুরা জ্বর, সর্দি, কাশির মতো রোগে ভুগে থাকে। শিশুদের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকে। তাই তারা খুব সহজেই বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে পড়ে। বিশেষ করে ঋতু পরিবর্তনের সময় শিশুরা অসুস্থ হয় বেশি।
আবহাওয়া পরিবর্তনের ফলে বিভিন্ন ধরনের ভাইরাসের প্রকোপ বেড়ে যায়। ভাইরাসের কারণে শিশুদের সর্দি–কাশি, গলা, মাথা ও শরীর ব্যথা হয়। অনেক সময় পাতলা পায়খানা ও বমি হয়।
লক্ষণ
১. জ্বর হওয়া।
২. ঠান্ডা থেকে সর্দি বা কাশি।
৩. চোখ দিয়ে পানি পড়া।
৪. শারীরিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়া।
৫. গলা ব্যথা। ঢোক গিলতে কষ্ট হওয়া।
বিশেষজ্ঞদের মতে, শিশুর যদি সর্দি, কাশি বা জ্বর থাকে, তাহলে তাকে স্কুলে না পাঠানোই ভালো। এই সময় শরীরের ইমিউনিটি বাড়বে, এমন খাবার খাওয়ানো দরকার। শিশুকে মৌসুমি ফলের পাশাপাশি পুষ্টিকর খাদ্য খেতে দেওয়া দরকার। এতে তাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে।
শিশুর জ্বর হলে যা করবেন
১. শিশুর জ্বর হলে তাকে পর্যাপ্ত পরিমাণ তরল খাবার খাওয়ানোর চেষ্টা করুন।
২. জ্বর কমাতে শিশুকে কুসুম গরম পানিতে গোসল করাতে পারেন।
৩. আবার জ্বর কমিয়ে আনতে কুসুম গরম পানিতে তোয়ালে চুবিয়ে শিশুর শরীরে স্পঞ্জ করুন।
৪. বিশুদ্ধ পানি পান করান। এর পাশাপাশি ডাবের পানি, ফলের জুস, শরবত ইত্যাদি নিয়ম করে খাওয়ান।
৫. শিশুকে আঁটসাট কাপড় না পরিয়ে খোলামেলা কাপড় পরান। এমন পোশাক পরাবেন যাতে বাতাস চলাচল করতে পারে।
৬. শিশুকে পূর্ণ বিশ্রামে রাখুন। শিশুর ঘুমের যেন ব্যাঘাত না ঘটে সেদিকে খেয়াল রাখুন। সঠিক বিশ্রামের উপর শিশুর সুস্থতা নির্ভর করে।
৭. শিশুকে খোলামেলা ঘরে রাখুন। হালকা করে ফ্যান ছেড়ে রাখুন। আর শিশুকে মশারির ভেতরে রাখুন।
৮. শিশুর সুস্থতায় পুষ্টিকর ও সুষম খাদ্যের বিকল্প নেই। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়তে পারে এমন ফলমূল শিশুকে খাওয়ান।
৯. সাধারণত জ্বর হলে দুই থেকে তিনদিনের মধ্যে ভালো হয়ে যায়। এ ক্ষেত্রে জ্বর না কমলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
আরও পড়ুন:



