শোক প্রকাশ করায় আক্রমণ-গ্রেপ্তার সাংবিধানিক অধিকার লঙ্ঘন: আসক

আপডেট : ১৭ আগস্ট ২০২৫, ০৪:৪৯ পিএম

আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) মনে করে, সাধারণ নাগরিককে শোক প্রকাশ করতে আসার কারণে শারীরিকভাবে আক্রমণ ও পরবর্তীতে কাউকে গ্রেপ্তার দেখানো নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার লঙ্ঘন। একজন নাগরিক কোথায় যাবে, কোথায় যাবে না–তা নির্ধারণ করার অধিকার কেবল সংবিধান প্রদত্ত স্বাধীনতার মাধ্যমে নাগরিকেরই থাকবে। অন্য কেউ বা রাষ্ট্রীয় সংস্থা এটি নির্ধারণ করতে পারে না বলে জানিয়েছে আসক।

আজ রোববার আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) এর সিনিয়র সমন্বয়কারী আবু আহমেদ ফয়জুল কবিরের পাঠানো এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
 
ওই বিবৃতে জানানো হয়েছে, ‘‘গত ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকীতে ধানমন্ডি-৩২ নম্বরে শোক জানাতে গিয়ে অন্য অনেক নাগরিকের মত মো. আজিজুর রহমান নামে একজন রিকশাচালকও মব সন্ত্রাসের শিকার হয়। ‘মব সন্ত্রাসীরা’ ১৪ আগস্ট রাত থেকেই ৩২ নম্বরে অবস্থান নিয়ে সাধারণ নাগরিকদের ব্যক্তিগত ফোন তল্লাশি এবং জিজ্ঞাবাদের নামে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করতে থাকে এবং বাধাহীনভাবে ১৫ আগস্ট সারাদিন যা অব্যাহত রাখে। এ ধরনের বেআইনি তৎপরতায়  লাঞ্ছনার শিকার হতে দেখা গিয়েছে নারী পুরুষ অনেককে। এরমধ্যে শোক জানাতে আসা রিকশাচালক আজিজুর রহমানকে মারধর করে ঘটনাস্থলে উপস্থিত পুলিশের হাতে তুলে দেয় ‘মব সন্ত্রাসীরা’।’’ 

এ ঘটনার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে আসক পক্ষ থেকে বলা হয়, ‘আশ্চর্যজনকভাবে, ধানমন্ডি থানায় পূর্বে দায়েরকৃত জুলাই ছাত্র আন্দোলনের একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় ‘সন্দিগ্ধ আসামি’ হিসাবে তাঁকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে প্রেরণ করে পুলিশ। এ ঘটনায় আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে।

আসকের ওই বিবৃতিতে বলা হয়, ‘জুলাই আন্দোলনে দায়েরকৃত মামলা সমূহ অনেক নিরীহ  নিরপরাধ নাগরিক হয়রানির শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ  প্রেক্ষিতে সরকারের দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা বারবার দাবি করছে যে জুলাই আন্দোলনে দায়ের হওয়া মামলাগুলো যাচাই-বাছাই করেই গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। অথচ বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, কেবল শোক জানাতে আসা একজন সাধারণ নাগরিককেও একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। বিষয়টি শুধু নিন্দনীয় নয়, এটি সরকারের নিজস্ব ঘোষিত নীতি ও নাগরিকের প্রতি অঙ্গীকারেরও ঘোরতর বরখেলাপ।’

আসক আরো মনে করে, ‘শোক প্রকাশ করা বা না করা, যে কোন বিষয়ে প্রতিবাদ, সমর্থন বা মৌনতা এবং মতপ্রকাশ-এসব নাগরিকের মৌলিক অধিকার। এ অধিকার দমন করা মানে সংবিধান ও মানবাধিকারের সরাসরি লঙ্ঘন। সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা ও স্বাধীনতা কেড়ে নিয়ে রাষ্ট্র যদি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দমনপীড়নে লিপ্ত হয় তবে তা শুধু অগ্রহণযোগ্য নয়, গণতন্ত্রের জন্য মারাত্মক হুমকি।’ 

ইন্টার পার্লামেন্টারি ইউনিয়নের মহাসচিব অ্যান্ডা ফিলিপ আজ বুধবার ঢাকা ত্যাগ করেছেন। তিনি গত ৩০ আগস্ট ঢাকায় এসেছিলেন।
মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালিতে বাংলাদেশের জ্বালানিবাহী জাহাজ চলাচল কোনো বাধা দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত জলিল রহিমি জাহানাবাদি। আজ...
দেশে পায়ে চালিত রিকশা বা প্যাডেল রিকশা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা, সাধারণ মানুষের জন্য নিরাপদ ব্যাটারিচালিত রিকশার অনুমোদন ও নীতিমালা প্রণয়ন এবং জনস্বাস্থ্য, পরিবেশ ও জাতীয় অর্থনীতি রক্ষায় প্রাইভেট কারের...
বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি নিয়ে মন্তব্য করতে চান না বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। আজ মঙ্গলবার দুপুরে সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ডক্টর...
মার্কেন্টাইল ব্যাংকের বিরুদ্ধে বিপুল অর্থ লোপাট ও গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের নিরীক্ষা প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, ব্যাংকের ক্যালেন্ডার ও ডায়েরি কেনার নামে প্রায় দুইশো কোটি টাকা...
জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের নতুন পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ডা. সায়ীদ মেহবুব উল কাদির। তিনি একই প্রতিষ্ঠানের চক্ষু বিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন...
দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরের এক ছোট দ্বীপপুঞ্জ, যেখানে মানুষ থাকেন মাত্র সাড়ে তিন হাজারের মতো। সেই ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ আবার বিশ্ব রাজনীতির আলোচনায় চলে এসেছে। চার দশক আগে এই দ্বীপ নিয়েই যুদ্ধ...
চলতি বছর দেশের জ্বালানি আমদানিতে বাড়তি খরচ হতে পারে ৩৫ হাজার কোটি টাকা। এই বাড়তি ব্যয় দেশের বাণিজ্য ঘাটতি ও মূল্যস্ফীতির চাপ বাড়ানোর পাশাপাশি টাকার ওপরও চাপ তৈরি করতে পারে। আমদানিনির্ভর জ্বালানি...
লোডিং...
পঠিতনির্বাচিত

এলাকার খবর