দণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি শেখ হাসিনার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচারপ্রক্রিয়ায় কোনো আইনজীবী নিয়োগ দেওয়ার সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম। আজ বৃহস্পতিবার ট্রাইব্যুনালে ব্রিফিংয়ে একথা জানান তিনি।
এ সময় শেখ হাসিনার পক্ষে বিদেশি একটি ল ফার্মের চিঠি প্রসঙ্গে আমিনুল ইসলাম আরও বলেন, এমন কোনো চিঠি পায়নি প্রসিকিশন। এসব গুঞ্জন তৈরি করে বিচারকাজকে বিতর্কিত করা আইন অবমাননার সামিল।
জুলাই গণহত্যার মামলায় মৃত্যুদণ্ডের সাজা মাথায় নিয়ে ভারতে অবস্থান করছেন ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তবে এবার খবর বেরিয়েছে, ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ নিয়েছেন তিনি।
একটি বিদেশি ল ফার্মকে দিয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে চিঠি পাঠিয়েছেন বলে দাবি করেছেন শেখ হাসিনার দল কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতা মোহাম্মদ এ আরাফাত।
ট্রাইব্যুনালে আসামির অনুপস্থিতিতে যেভাবে বিচার করা হয়েছে, তাতে আন্তর্জাতিক আইন এবং ন্যায্য বিচারের মৌলিক মানদণ্ড লঙ্ঘন হয়েছে- এমন দাবি করেছেন শেখ হাসিনা।
এদিকে, জুলাই হত্যাযজ্ঞের একটি মামলায়, মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে সাবেকমন্ত্রী হাছান মাহমুদসহ ২২ জনের বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন দিয়েছে তদন্ত সংস্থা। এছাড়া হাসানুল হক ইনুর মামলার পুনঃতদন্ত চেয়ে করা আবেদন খারিজ করেছেন ট্রাইব্যুনাল- ২।



