এআই ক্যামেরা দিয়ে জোরদার করা হচ্ছে দেশের সব কারাগারের নিরাপত্তা। এআই প্রযুক্তির সাহায্যে বন্দীদের নজরদারি, জিপিএস ট্র্যাকিং, আর্মব্যান্ড, লেগবেন্ড ও মোবাইল জ্যামিং ডিভাইস চালু করা হচ্ছে।
মাদকপ্রবেশ রোধ, অপরাধীদের শৃঙ্খলায় ফেরানো ও কঠোর নিরাপত্তার স্বার্থে ৭২টি কারাগারকেই নতুন করে নজরদারির আওতায় আনছে সরকার।
কারাগারের ভেতরে বন্দীরা নিষিদ্ধ পণ্য নিয়ে চলাচল করলে তা সহজেই শনাক্ত করছে এআই ক্যামেরা। কেউ মই বা দড়ি দিয়ে দেয়াল টপকে পালাতে চাইলে বেজে উঠছে অ্যালার্ম।
শুধু তাই নয়, জেল কর্মকর্তা ও নিরাপত্তা কর্মীরা দায়িত্ব পালন না করে অলস বসে থাকলে তার ছবিও সদরদপ্তরে পাঠায় এআই ক্যামেরা।
বন্দীরা স্বজনের সাথে মোবাইলে কথা বলার সময় জেল পালানো, মাদক বা অপরাধমূলক শব্দ উচ্চারণ করলে সাথেসাথেই তা কর্তৃপক্ষকে জানাচ্ছে এআই।
কারা মহাপরিদর্শক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ মোতাহের হোসেন বলেন, পুরো কারাগারটাই জ্যামিংয়ের আওতায় চলে আসছে। দুটো কারাগারে ইতোমধ্যে কম্প্রিহেনসিভ জ্যামিং সিস্টেম চালু হয়েছে, এটার রেজাল্ট ভালো। সব কারাগারকে কম্প্রিহেনসিভ জ্যামিং সিস্টেমের আওতায় আনার চেষ্টা করছি। এ নিয়ে প্রোজেক্টের পরিকল্পনা করছি।
কারাগার থেকে আদালতে যাওয়ার সময় বন্দীরা অননুমোদিত জায়গায় যায় বলে অভিযোগ রয়েছে। ২২ বছরের বেশি জেল খাটলেও শীর্ষ সন্ত্রাসি কাইল্যা পলাশের ১৫ বছরের মেয়ে রয়েছে। ছাগলকাণ্ডে আলোচিত মতিউরেরও অনুমোদনহীন জায়গায় যাওয়ার খবর বেরিয়েছে।
এসব অপকর্ম রুখতে জিপিএস ট্র্যাকারসহ রিস্ট ব্যান্ড ও লেগ ব্যান্ড চালু করছে কর্তৃপক্ষ। যাতে বন্দীদের সার্বক্ষণিক গতিবিধি তদারকি করা যাবে।
কারা মহাপরিদর্শক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ মোতাহের হোসেন বলেন, আমি কিছু ইনিশিয়েটিভ নিয়েছি, যাতে আনট্রেস না থাকে। প্রিজন ভ্যানে আইপি ক্যামেরা বসানো হয়েছে, যাতে বন্দি স্থানান্তরের সময় মনিটর করা যায়। পুলিশকেও আইপি ক্যামেরা বসাতে বলা হয়েছে।
কারাগারে মাদক প্রবেশ বন্ধে নতুন বন্দীদের ২৪ ঘন্টার পরিবর্তে ৪৮ ঘন্টা আমদানি ওয়ার্ডে রাখার নিয়ম করেছে কারা কর্তৃপক্ষ।



