নৈতিক স্খলন প্রমাণিত হওয়ায় সাতক্ষীরা–৪ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) গাজী নজরুল ইসলামকে বহিষ্কার করেছে জামায়াতে ইসলামী। এখন বড় প্রশ্ন হলো, দল থেকে বহিষ্কারের পর তাঁর সংসদ সদস্য পদ থাকবে কি না।
বিষয়টি ব্যাখ্যা করেছেন আইনজীবী শিশির মনি। ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদে আছে পদত্যাগের কথা। তিনি হয়েছেন বহিষ্কার। জামায়াত আজই নির্বাচন কমিশনকে বিষয়টি জানিয়ে দিচ্ছে। কারণ নৈতিক স্খলন। প্রশ্ন হচ্ছে সংসদ সদস্য থাকতে পারবেন কি না? আমার মতে, না।’
সম্প্রতি ফেসবুকে এক নারীর সঙ্গে গাজী নজরুল ইসলামের ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা তৈরি হয়। পরে তিনি দাবি করেন, ওই নারী তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী। তবে এতেও শেষ রক্ষা হয়নি।
বুধবার গাজী নজরুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কার করে জামায়াতে ইসলামী। দলটির কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের এক জরুরি বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিকেল ৪টায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের এক জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের আমির ডা. শফিকুর রহমান। বৈঠকে কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের অন্য সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সম্প্রতি সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে নিয়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবরের বিষয়ে সাংগঠনিক তদন্তে তাঁর নৈতিক স্খলন প্রমাণিত হয়েছে। তাই তাঁকে গঠনতন্ত্রের ৬২ নম্বর ধারা অনুযায়ী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তাঁকে সংগঠন থেকে বহিষ্কারের বিষয়টি অবিলম্বে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) অবহিত করার সিদ্ধান্ত হয়।


নৈতিক স্খলনের দায়ে গাজী নজরুল ইসলাম জামায়াত থেকে বহিষ্কার
