বিজ্ঞাপনী দুনিয়া কি সোশ্যাল ইনফ্লুয়েন্সারদের হাতে যাচ্ছে?

আপডেট : ২৪ নভেম্বর ২০২৪, ০৯:১০ পিএম

সারা বিশ্বের তথ্য আদান-প্রদানে এক বিরাট বদল এসেছে। এর সাথে তাল মিলিয়ে বদল এসেছে বিভিন্ন পণ্য ও সেবার প্রচারে। বিভিন্ন কোম্পানি ক্রমেই প্রচলিত ধারার প্রচার কৌশল থেকে সরে আসছে। এমনকি রাজনীতির ময়দানে প্রচারেও এসেছে বদল। বিশ্বের ছোট-বড় সব কোম্পানি এই বদলের সাথে তাল মিলিয়ে নিজেদের পণ্য ও সেবার বার্তা মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে হালের জনপ্রিয় নানা ধারাকে কাজে লাগাচ্ছে। এ ক্ষেত্রে ইনফ্লুয়েন্সারদের (সমাজমাধ্যম-প্রভাবক) কদর বাড়ছে ক্রমেই। এমনকি গোটা বিশ্বের বিজ্ঞাপনী বাজারের নিয়ন্ত্রণ এই ইনফ্লুয়েন্সারদের কাছে চলে যাওয়াটা এখন আর অবিশ্বাস্য কোনো আলাপ বলে মনে হয় না।

গত কয়েক বছর ধরে ‘ইনফ্লুয়েন্সার’ বা সমাজমাধ্যম-প্রভাবক শব্দটি বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। মজার বিষয় হচ্ছে শব্দটি উচ্চারণ করলে এখন আর শুধু ‘প্রভাবশালী’ শব্দটি মাথায় আসে না। প্রভাবশালী তো সমাজে-রাষ্ট্রে সব সময় ছিল ও আছে। নানা ক্ষেত্রে নানা ধরনের প্রভাবশালী ব্যক্তি ছিল ও আছে। তাদের কথা বলা হচ্ছে না। বরং বলা হচ্ছে সেই ‘ইনফ্লুয়েন্সারের’ কথা, যা উচ্চারণের সাথে সাথে অবধারিতভাবে জুড়িগাড়ির মতো করে আসে ‘সোশ্যাল’ শব্দটি।

বিজ্ঞাপনী বাজারের একটা চেনা ধারা হলো–জনপ্রিয় নায়ক-নায়িকা বা ক্রীড়া ব্যক্তিত্বদের দিয়ে নিজেদের পণ্য বা সেবার প্রচার চালানো। এটা এখনো যে নেই, এমন নয়। এখনো দেশের শীর্ষ তারকারা বিভিন্ন পণ্য ও সেবার বিজ্ঞাপন নিয়ে নিয়মিত হাজির হচ্ছেন। গোটা বিশ্বেই তাই। অনেক তারকা তো বিভিন্ন কোম্পানির জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পণ্যদূতও হচ্ছেন। এও বেশ পুরোনো ধারা।

কিন্তু এই ধারার পাশাপাশি আরেকটি ধারা বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। আর তা হলো–সামাজিক মাধ্যমে জনপ্রিয় ব্যক্তিদের দিয়ে নিজেদের পণ্যের প্রচার চালানো। ২০০৪ সালে ফেসবুকের জন্ম ও এর উত্থানের মাধ্যমে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের যে যুগের সূচনা হয়, তার অবধারিত ফল হিসেবে এটিই হওয়ার কথা।

শুরুতে টেলিভিশন বা ছাপা মাধ্যমে প্রকাশের জন্য প্রচলিত তারকাদের দিয়ে তৈরি বিজ্ঞাপনই ডিজিটাল মাধ্যমে প্রকাশ হতো। এ ক্ষেত্রে বিজ্ঞাপনদাতারা সরাসরি ফেসবুক, ইউটিউবের মতো প্ল্যাটফর্মগুলোর সাথে যুক্ত হতো। কিন্তু এখন সময় বদলেছে। এখন সামাজিক মাধ্যমে জনপ্রিয় ব্যক্তিরা সরাসরিই তাঁদের তৈরি কনটেন্টে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ব্র্যান্ডিং করছেন।

আগেই বলা হয়েছে যে, সামাজিক মাধ্যমে জনপ্রিয় এই ব্যক্তিদের এক কথায় ইনফ্লুয়েন্সার বলা হচ্ছে। সামাজিক মাধ্যমে অনুসারীর সংখ্যাই এই ইনফ্লুয়েন্সারদের নির্মাতা। নানা ধরনের কনটেন্ট তৈরির মাধ্যমে নানা ব্যক্তি এই ইনফ্লুয়েন্সার হয়ে ওঠে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায় বাংলাদেশে এই সময়ে সবচেয়ে আলোচিত ‘রাফসান দ্য ছোটভাই’ আইডির কথা। ইফতেখার রাফসান নামের তরুণ এই আইডির মাধ্যমে বিভিন্ন খাবারের রিভিউ দেন, যা সোশ্যাল মিডিয়ার জগতে ফুড ভ্লগিং নামে পরিচিত। তিনি বিভিন্ন ধরনের খাবারের রিভিউ দেওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের পণ্য, সেবা বা খাবারের ব্র্যান্ডিংও করেন। সর্বশেষ এমনই একটি ব্র্যান্ডিং করতে গিয়ে গ্রেপ্তারি পরোয়ানার মুখোমুখিও হয়েছেন। সে অন্য আলাপ।

মোট কথা, ব্যক্তি রাফসান বা তাঁর আলোচিত হওয়ার দিকে তাকালে দেখা যাবে প্রচলিত সংবাদমাধ্যমে তিনি খবরে পরিণত হচ্ছেন বাবাকে দামি গাড়ি কিনে দেওয়ার মধ্য দিয়ে। এর অর্থ হচ্ছে, তিনি বেশ আয় করছেন। কী থেকে? অবশ্যই সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মগুলো থেকে। আর এই আয় তাঁকে এনে দিচ্ছে তাঁর অনুসারীরা, যারা তাঁর তৈরি কনটেন্টের ভোক্তা। ভোক্তা যত বেশি, প্রভাবের মাত্রা তত বেশি। এই হলো সাধারণ সমীকরণ। ফলে বিভিন্ন কোম্পানিও তাঁদের পণ্য ও সেবার প্রচারে তাঁর দ্বারস্থ হচ্ছে। আয় বাড়ছে তাঁর। এর ঠিক বিপরীতে বলতে হয়, প্রচলিত প্রচারমাধ্যমের বিজ্ঞাপন বাবদ আয়ে ভাগ বসাচ্ছেন।

এটি শুধু রাফসান নন। সোশ্যাল ইনফ্লুয়েন্সাররা এখন বিজ্ঞাপনদাতাদের অন্যতম পছন্দ হয়ে উঠছেন। এর কারণও আছে। প্রচলিত প্রচারমাধ্যমের মতো এই ইনফ্লুয়েন্সাররা আনুষ্ঠানিকতার বেড়াজালে আবদ্ধ নন। ইনফ্লুয়েন্সারদের মূল শক্তি যেহেতু তাঁদের অনুসারীরা, সেহেতু তাঁরা এই অনুসারীদের সাথে সরাসরি সংযুক্ত হন। অনেক বেশি আলাপের ঢঙে তাঁরা কনটেন্ট তৈরি করেন। নিয়মিত লাইভে আসেন। ফ্যানবেজের ভালো লাগা–মন্দ লাগাকে পাত্তা দেন নিজের তাগিদেই। প্রচলিত প্রচারমাধ্যম এ ক্ষেত্রে ধরেই নেয় যে, তাঁরা যা বানাচ্ছেন, তা ভোক্তারা নেবেই। ভোক্তাদের ভালো বা মন্দ লাগা তুলনায় কম গুরুত্ব পায়। ফলে বৃহত্তর দর্শক ও পাঠকদের সাথে যোগাযোগ স্থাপনে এক রকম ব্যর্থ হয়। ঠিক এই জায়গাটিতেই দখল করেন একজন ইনফ্লুয়েন্সার। আর দখল তো কখনো আর্থিক লাভালাভ-নিরপেক্ষ হয় না। ফলে এই জনপ্রিয়তায় বসানো ভাগ বিজ্ঞাপনী আয়ে ভাগ বসানো দ্বারা অনুসৃত হয়।

আচ্ছা ইনফ্লুয়েন্সাররা আসলে কত আয় করেন? কারও ব্যক্তিগত হিসাব তুলে ধরার বদলে বরং সোশ্যাল ইনফ্লুয়েন্সারদের বিজ্ঞাপনী বাজারের একটা খোঁজ নেওয়া যাক।

পরিসংখ্যানভিত্তিক ওয়েবসাইট স্ট্যাটিস্টার দেওয়া তথ্যমতে, সারা বিশ্বে বিজ্ঞাপনী বাজার বর্তমানে ৪৮ হাজার কোটি ডলারের বেশি। এর মধ্যে গত এপ্রিলের হিসাব অনুযায়ী, শুধু ইনফ্লুয়েন্সাররাই এই বিজ্ঞাপনী বাজার থেকে তুলে নিচ্ছেন ৩ হাজার ৫০০ কোটি ডলারের বেশি। ইনফ্লুয়েন্সারদের এই বাজার ক্রমেই বড় হচ্ছে। কী হারে? প্রায় ১০ শতাংশ হারে। ফলে আগামী ২০২৯ সাল নাগাদ এই বাজারের আকার বেড়ে ৫ হাজার ৬০০ কোটি ডলার ছাড়িয়ে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে।

ইফতেখার রাফসান ওরফে ‘রাফসান দ্য ছোট ভাই’। ফাইল ছবিআসা যাক বাংলাদেশ প্রসঙ্গে। বাংলাদেশে এরই মধ্যে বিজ্ঞাপনী বাজারে ইনফ্লুয়েন্সারদের ভাগ ৩ কোটি ডলার ছাড়িয়েছে। এটি ৯ দশমিক ৮৭ শতাংশ হারে বাড়ছে। ২০২৯ সাল নাগাদ এর আকার ৪ কোটি ৮০ লাখ ডলার ছাড়িয়ে যাবে বলে জানাচ্ছে স্ট্যাটিস্টা।

ফলে আগামীর বিজ্ঞাপনী বাজারে সোশ্যাল ইনফ্লুয়েন্সারদের ব্যাপক প্রভাব থাকবে–এটা বললে অত্যুক্তি হবে না। এবার আপনি সোশ্যাল ইনফ্লুয়েন্সারদের ব্যক্তিগতভাবে পছন্দ করুন, আর না-ই করুন, আপনাকে মানতেই হবে যে, তাঁকে লাখো লোক অনুসরণ করছে এবং তাঁর তৈরি কনটেন্ট কোটি কোটি ভিউ হচ্ছে। অর্থাৎ, ব্যক্তি হিসেবে তিনি একাই কোটি কোটি ভোক্তা তৈরি করেছেন। এই ভোক্তাদের প্রভাবিত ক্ষমতা তাঁর আছে। আর এই ক্ষমতা তিনি অর্জন করেছেন মানুষের সাথে সম্পৃক্ত হওয়ার মতো বিচিত্র সব কনটেন্ট তৈরি করেই। এর মাধ্যমে তিনি গুরুতর তথ্য যেমন দিচ্ছেন, তেমনি হয়তো হাসি-তামাশাও করছেন।

একজন ইনফ্লুয়েন্সার মানুষের কাতারে নেমে মানুষের সাথে যোগাযোগ করছেন। তথ্যকে তিনি কখনো স্যাটায়ার, কখনো গল্পের মাধ্যমে, কখনো গ্রাফিক্স, আবার কখনো মানুষের সাথে কথা বলতে বলতে উপস্থাপন করছেন। প্রচলিত প্রচারমাধ্যমের মতো একটা উঁচু মঞ্চ থেকে নয়, বরং মানুষের সাথে একই সমতলে দাঁড়িয়ে মানুষের ভাষাকে রপ্ত করে তার সাথে যুক্ত হচ্ছেন। ফলে মানুষ প্রচারমাধ্যমে প্রকাশিত অনেকটা দৈব বাণী সদৃশ কনটেন্টের বদলে নিজের কাছাকাছি থাকা মানুষের কাছ থেকে নানা বিষয় বুঝে নিতে চাইছে। আর এই বিষয়টিই তাঁদের ইনফ্লুয়েন্সার হিসেবে নির্মাণ করছে, যা তাদের আয়ের সুযোগ করে দিচ্ছে।

আয়? তা আর কত? বাংলাদেশের ইনফ্লুয়েন্সারদের আয় সম্পর্কে সেভাবে জানা যায় না। তবে বিশ্বের সেরা ইনফ্লুয়েন্সারদের আয় সম্পর্কে একটা ধারণা নিলে বিষয়টি হয়তো কিছুটা অনুমান করা যাবে। সোশ্যাল পাইলট থেকে পাওয়া তথ্য বলছে, বিশ্বের ইনফ্লুয়েন্সার ইন্ডাস্ট্রিতে এখনো প্রচলিত দুনিয়ার তারকারাই রাজ করছেন। বিশ্বের সেরা তিন ইনফ্লুয়েন্সারের নাম যথাক্রমে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো, লিওনেল মেসি ও সেলেনা গোমেজ। কোনো পণ্যকে নিজেদের সোশ্যাল পোস্টে প্রচারের বিনিময়ে তাঁরা যথাক্রমে নেন ৩২ লাখ ৩০ হাজার, ২৬ লাখ ও ২৫ লাখ ডলার করে টাকা। মনে হতে পারে যে, এমন তারকারা তো এমনই নেবেন। বাস্তবে ক্রীড়া বা বিনোদন জগতের তারকা নন, কিন্তু সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মের তারকারা আর কত পাবেন? না, এমন ভুলেও ভাবতে যাবেন না।

কেন? বুঝতে হলে তাকাতে হবে নিকি ডি জ্যাগারের দিকে। ডাচ এই মেক-আপ আর্টিস্ট ২০১৫ সালে ইউটিউব কনটেন্টের মাধ্যমে জনপ্রিয়তা পান। ভিডিওর নাম ছিল ‌পাওয়ার অব মেক-আপ'। এই ভিডিওর মাধ্যমে তাঁর যে এমপাওয়ার হয়েছে, তাতে সন্দেহ নেই। এখন প্রতিটি স্পন্সরড কনটেন্টের জন্য তিনি নিচ্ছেন ৫০ হাজার ডলার করে। তাঁর শক্তি হিসেবে উপস্থিত ইনস্টাগ্রামের ১ কোটি ৯০ লাখ অনুসারী। নিজে একটি কসমেটিকস ও স্কিনকেয়ার ব্র্যান্ডও দিয়েছেন। সব মিলিয়ে তাঁর আয় কত হতে পারে? সেটি সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা না থাকলেও ইনস্টাতেই তিনি গত ৫ মে থেকে ১৩ জুন পর্যন্ত মোট সাতটি কোম্পানির পণ্যের রিভিউ দিয়েছেন। অর্থাৎ, অন্তত সাতটি কোম্পানির পণ্য নিয়ে তিনি স্পন্সরড কনটেন্ট তৈরি করেছেন। এবার একটা দারণা পাওয়া যাচ্ছে তো? অর্থাৎ, তাঁর আয় গেল মাসে কোনোভাবেই সাড়ে ৩ লাখ ডলারের কম নয়। এ ক্ষেত্রে কিন্তু তাঁর নিজের ব্যবসা, অন্য প্ল্যাটফর্মগুলোর হিসাব বাদ রয়ে গেল। এমনকি যে ইউটিউব দিয়ে তাঁর উত্থান, সেই ইউটিউব থেকে হওয়া আয় হিসাবের বাইরে থাকছে। এই হিসাবে একজন কনটেন্ট ক্রিয়েটর হিসেবে নিকির বার্ষিক আয় আনুমানিক ৫০ লাখ ডলারের বেশি হবে। অথচ, তাঁর দেশ ও বেলজিয়ামের মালিকানাধীন সানোমা মিডিয়া গ্রুপের বার্ষিক আয় ২০১৯ সালে ৪০ কোটি ডলারে নেমে যায় বলে জানিয়েছে স্ট্যাটিস্টা। এই সানোমা মিডিয়ার অধীনে নেদারল্যান্ডস ও বেলজিয়ামের শতাধিক জনপ্রিয় ছাপা পত্রিকা। দেড় হাজারের বেশি কর্মী আছে তাদের। আর নিকি? শক্তি ও বদলটা বোঝা যাচ্ছে তো?

ইনফ্লুয়েন্সারদের এই সম্ভাবনাই  প্রচলিত প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে উঠেছে। কারণ হলো–ইনফ্লুয়েন্সারদের এই আয় আসলে তাদের আয়ে ভাগ বসানো। আগে বিজ্ঞাপনী বাজারের একচ্ছত্র অধিপতি ছিল এই প্রতিষ্ঠানগুলো। আবার এই প্রতিষ্ঠানগুলোর আয়ও এই বাজারের ওপর নির্ভরশীল, যা দিয়ে তারা তাদের বিরাট কর্মীবাহিনী, প্রতিষ্ঠানের নানা আসবাব থেকে শুরু করে ভবন পরিচালনাসহ নানা ধরনের ব্যয় নির্বাহ করে। ফলে তারা দুশ্চিন্তাগ্রস্ত। কিন্তু এখনো তারা ঠিক করে উঠতে পারেনি যে, তারা নিজেদের ভেঙে কীভাবে নতুন করে গড়বে? তারা বদলে যাওয়া কনটেন্টের ধরন ও ভাষার সাথে শুধু পরিচিত নয়, তা রপ্ত করবে কিনা? আবার তারা তাদের ব্যবসায়িক মডেলটিও বদলানোর কোনো উদ্যোগ সেভাবে নেয়নি। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে, অল্পবিস্তর হলেও বাংলাদেশে তা একেবারেই অনুপস্থিত বলা যায়। এ নিয়ে যত দ্রুত প্রচলিত প্রচারমাধ্যমগুলো ভাববে, ততই তাদের জন্য মঙ্গল।

লেখক: উপবার্তা সম্পাদক, ডিজিটাল বিভাগ, ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশন

[এই মতামত লেখকের নিজস্ব। এর সঙ্গে ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশনের প্রাতিষ্ঠানিক সম্পাদকীয় নীতিমালার কোনো সম্পর্ক নেই।]

বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান সমস্যাই হলো, এ দেশে আদর্শ নায়ক বা ব্যক্তিত্বের অভাব। আমরা যাদের আইডল বানাই, সময়ের ফেরে তারাই এমন রূপ পরিগ্রহ করে যে, শ্রদ্ধার বারোটা বেজে যায় একেবারে। তারা এমন সব কাজ করতে...
দুই দিন আগের কথা। রাত তখন বাজে ১১টা। শীতের রাতে হুট করেই আবাসিক এলাকায় নেমে এসেছিল নৈঃশব্দের চাদর। চারদিকে সব চুপচাপ। হঠাৎ করে প্রবল শব্দে ভেঙে পড়ল যেন সব! চারপাশের চরাচরে আবির্ভূত হল ধুড়ুম ধুড়ুম...
রাস্তাগুলো পুরোনো। তারচেয়েও বড় কথা এটির অবস্থান একেবারেই রাজধানীর মাঝখানে। ফলে শহরের এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তের সংযোগের কাজটি এসব রাস্তা দিয়েই হয়। এসব রাস্তার দুই প্রান্তে আবার বেশ কিছু...
আইন‑শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এতদিন কাজ করে যাওয়া পাহারাদার বাহিনী হুট করে ‘নাই’ হয়ে যাওয়ার সুযোগ নিচ্ছে অনেক অপরাধী। এরই মধ্যে দেশের বেশ কিছু কারাগার থেকে দাগী অপরাধীদের পালিয়ে যাওয়ার ঘটনাও...
বিশ্বকাপ ফুটবল মানেই টানটান উত্তেজনা, শেষ মুহূর্তের নাটক, আর কোটি ভক্তের স্বপ্নপূরণ। কিন্তু এর উল্টো পিঠটাও বড্ড নিষ্ঠুর। সেমিফাইনালের মহারণ শেষে আজ রাত ৩টায় আমেরিকার মায়ামিতে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী...
বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হওয়ার আগে ফ্রান্স কোচ দিদিয়ের দেশম স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, এই ম্যাচ খেলতে তাদের তেমন কোনো আগ্রহ নেই। তবে জাতীয় দলের দায়িত্বের...
গত বছরের ২৭ মে তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী সুব্রত বাইনকে গ্রেপ্তার করে সেনাবাহিনী। আরও গ্রেপ্তার হয় তার ঘনিষ্ঠ সহযোগী মোল্লা মাসুদ, শ্যুটার আরাফাত ও শরীফ। ২৪ এর ৫ আগস্টের পর একের পর এক হত্যাকাণ্ডে...
আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে একটি করে খেলার মাঠ এবং পর্যায়ক্রমে সারা দেশে আন্তর্জাতিক মানের ১০টি স্পোর্টস ভিলেজ নির্মাণ করা হবে বলে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী...
লোডিং...
পঠিতনির্বাচিত

এলাকার খবর