বর্তমান বাস্তবতা, যতীন সরকার এবং তাঁর প্রয়োজনীয়তা

আপডেট : ১৮ আগস্ট ২০২৫, ১২:২০ পিএম

বাস্তবতা বস্তুর সাথেই সম্পর্কিত। অবাস্তব হচ্ছে অলীক। যা হবার নয়। বর্তমান হচ্ছে চলমান সময়। এ সময়, মুহূর্তেই অতীতকালের গর্ভে হারিয়ে যায়। ভবিষ্যৎ থাকে অপেক্ষায়। এমন অস্থির সময়টি বড় সময়ের ফ্রেমে বাঁধা যায়। যেমন: অতীত যদি প্রাচীন কালের বরফযুগ বলি, প্রস্তরযুগ বা আদিম সাম্যবাদী সময় বলি, কিংবা দাস ও সামন্ত সময় বলি, তাতো অতীতেরই এক এক সামাজিক রূপ। সে অর্থে পুঁজিবাদী বা ধনতান্ত্রিক সময়ের একাংশও তো অতীত।

এভাবে বাঙালির নৃতত্ত্ব ধরলে, অস্ট্রিক-দ্রাবিড়, সিনোটিবেটান পর্ব অতিক্রম করে, আলপেনীয় আর্য যেখানে, এক দেহে লীন হয়ে যায়, সে মুহূর্তওতো অতীত থেকে পাওয়া। এমন বাস্তবতায় আমরা আমাদেরকে সংমিশিত জাতি হিসেবে আখ্যায়িত করি। ভাষার ক্ষেত্রেও প্রায় একই ব্যাপার। অতীত প্রাকৃত বলে যা বলা হয়, তারও অতীত আছে। ‘প্রাচীন ভারতীয় আর্যভাষা,’ ‘মধ্য ভারতীয় আর্য ভাষা’ অতিক্রম করেই সে হয়েছিল বর্তমানের নব্য ভারতীয়। ভাষা বিচারেই বাংলা সাহিত্যের অতীত চিহ্নিত হয়েছে ৯৫০ থেকে ১২০০ খ্রিষ্টাব্দ; এবং ১২০০ থেকে ১৮০০ সাল মধ্যযুগ। এরপর থেকে যে সময়টাকে আধুনিক বলে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে, তার বিশাল সময়-ক্যানভাস অতীত-বর্তমানে যুগল বন্দী। তবে যুগসন্ধি বলা যাবে না কিছুতেই। আমাদের রাজনৈতিক সময়গুলো আর্য-মৌর্য-গুপ্ত পাল-সেন-মুঘল-পাঠান-ইংরেজ-পাক আমল ধরে আমরা অতীত খোলস ফেলে প্রবেশ করেছি স্বাধীন বাংলাদেশে। এ সময়টি নিত্যবৃত্ত বর্তমান।

এই নিত্যবৃত্ত বর্তমান সময়কে ঘিরে যে বাস্তবরূপ সমাজে লক্ষিত হয়, তাকে পটভূমি হিসেবে দেখে একজন নব্বই বৎসর বয়স্ক প্রবীণ জ্ঞানতাপসকে আলোচনার ফ্রেমে নিয়ে আসা হয়েছে। ১৯৩৬ সালে অজগাঁয়ে জন্ম নিয়ে, নব্বই বছর  তিনি অতিক্রম করেছেন মফস্বল প্রাঙ্গণেই। নেত্রকোনা জেলা শহর থেকে কিছুটা দূরে কেন্দুয়ায় তাঁর জন্ম এবং বেশ কিছু সময় ময়মনসিংহ শহরে শিক্ষকতার সূত্রে জ্ঞান বিতরণে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখে ফিরে গিয়েছিলেন নেত্রকোনায়। অবসরের পরে কেন্দুয়ার পাড়া গাঁয়ে নয়, শহরের সাতপাই এলাকায় বানপ্রস্থ নামক কুটির বানিয়েছিলেন তিনি। হাসপাতালে শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করার আড়াই মাস আগেও তিনি বানপ্রস্থ আঁকড়ে পড়েছিলেন।

মুক্তবুদ্ধির আলোক শিখা ‘মুক্তবাতায়ন’ নামের সংগঠনের মধ্যে দিয়ে ময়মনসিংহ শহরে আলো জ্বালিয়ে সেই মশাল নিয়ে গিয়েছিলেন নেত্রকোনায়। ময়মনসিংহ শহরে একদল গুণ-গ্রাহী-ভক্ত এবং শিষ্য তৈরি করে বাকি কাজ তিনি নেত্রকোনায় শেষ করেন। মাঝে মাঝে উদীচী ও কমিউনিস্ট পার্টির কল্যাণে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে তাঁর দুর্দান্ত বাগ্মী গুণ দিয়ে, মানুষকে প্রভাবিত করতে চেয়েছিলেন। যেমন সমাজ তিনি চেয়েছিলেন, তেমন সমাজ, শুধু কল্পরাজ্যে না রেখে, বাস্তবের ভূমিতে আনার লড়ায়ে তিনি সচেষ্ট ছিলেন। যতদিন ছিল তাঁর দেহে তেজো দীপ্ত প্রাণ; ততদিন তিনি এ লড়াই করেছেন। তারপরেও তিনি বিনয় করে বলতেন, ‘আমি জীবিত আছি, বেঁচে নেই; সারা জীবন বেঁচেছিলে রবীন্দ্রনাথ।’ কিন্তু আমরা যদি তাঁর জীবনের প্রায় শেষ মুহূর্ত অবধি লক্ষ করি; তবে দেখবো, তিনিও বেঁচে ছিলেন। বেঁচে ছিলেন শুধু নয় তাঁর দৈহিক লোকান্তরের পর আমরা বলতে পারি তিনিও রবীন্দ্রনাথের মতই বেঁচে থাকবেন। বেঁচে থাকবেন তাঁর যাপিত জীবনের ত্যাগের মহিমায়; কর্মের জৌলসে।

যতীন সরকারের কৃতকর্ম এবং তাঁর অতীতচারী জীবন বিশ্লেষণে বলতে পারি এ সমাজের ‘গুরু’ স্থানীয় ছিলেন তিনি। এ-জন্যে তাঁর গুরুত্ব বর্তমান তো বটেই ভবিষ্যতেও মুছে যাবার নয়। আশির দশকের শেষ সময়ে যখন নব্বইয়ের গণ-আন্দোলনে ফুঁসে ওঠছে, এ-দেশ সমাজ গঠনে, তিনি বক্তৃতা দিয়ে দিয়ে মানুষকে সচেতন করে তুলতেন’।  ‘রাজার বদল রাজা’ এমনটি চাননি তিনি।  বরং ‘যে যায় লঙ্কায় সেই হয় রাবণ’ এমন দোষযুক্ত দেশ দেখে দেখে শঙ্কাযুক্ত হয়েছিলেন।  তাঁর প্রখর দিব্যজ্ঞানে ধরা  দিয়েছিলো ‘খেয়োখেয়ি সমাজ রোগে’র নিষ্পত্তি এমন  আন্দোলনেই শেষ হয়ে যাবে এমনটি নয়। তিনি দেখেছিলেন ‘সর্ষের মধ্যে ভূত।’ শিক্ষা নামক প্রপঞ্চ দেখে তিনি ব্যথিত ছিলেন।

স্বাধীনতার দীর্ঘসময় পরেও ড. কুদরতি খুদা শিক্ষা কমিশন বাস্তবায়ন না হওয়া, বহুমুখী শিক্ষায় অধিকার বঞ্চিত মানুষকে নিয়ে বাস্তব সম্মত উপলব্ধি করে ছিলেন আর দশ জন থেকে আলাদাভাবে। বক্তৃতায় প্রায়ই তিনি উচ্চারণ করতেন  মদনমোহন তর্কালঙ্কারের ‘পাখি সব করে রব’ শিশুতোষ কবিতাটি। তিনি বলতেন যে, শিক্ষাধারায় যেখানে ‘রাখাল গরুর পাল লয়ে যায় মাঠে। শিশুগণ দেয় মন নিজ নিজ পাঠে।’ এমন ধারা স্বাধীন দেশের সাথে সংহতি পূর্ণ হতে পারে না। তাঁর প্রশ্ন শিশু, কে আর রাখাল-ই বা  কে? শ্রেণিভিত্তিক এ-সমাজ এক শিশুকে রাখাল, আরেক শিশুকে বিদ্যার্থী করতে চাওয়া হয়েছে। তাই এ-সমাজ তিনি চাননি। সত্যি বলতে সমাজের সিংহভাগ মানুষ কি তা চায়? না চাইলে গুটি কয়েক লোকের নিগড়ে কোনো বন্দী হলো কোটি কোটি মানুষের স্বপ্ন? পাভলব চর্চা করে মনস্তত্ত্বের পাঠ চুকে, তিনি সিদ্ধান্ত জানান হোমোসেপিয়ান্স মানুষ থেকে আজকের মানুষ, একই সাথে স্বার্থপর এবং পরার্থপর। স্বার্থপর সমাজ না ভাঙলে যে নিঃস্বার্থ সমাজ তৈরি হবে না, সেকথা তিনি বিলুকুল জানতেন। ‘পরের জন্য অন্যের হৃদয় কুসুম প্রস্ফুটিত’  হতে কেন পারে না, তাও তিনি ব্যাখ্যা করেছেন। তিনি বলতেন ‘ভাগ’ আর ‘ভাগ্য’ একই ধাতু থেকে উৎসারিত; এবং ভাগ পাওয়ায় যার অধিকার বেশি সেই ভাগ্যবান। তাঁর বিবেচনায় ‘ছলে বলে যারা সম্পত্তির মালিক বনে গেল, আর যারা মালিকীন থেকে বঞ্চিত হলো-এই দুশ্রেণীর  ‘ভাগ’ ও ‘ভাগ্য; হয়ে গেল। সম্পূর্ণ দুরকম।

বর্তমান বিদ্যার্থীদের যে বিদ্যা ভোগসর্বস্ব তা তাঁর উপলব্ধিজাত। খাঁটি বিদ্যে, ত্যাগের বিদ্যে ছাড়া ‘কমলহীরের পাথরে’র সন্ধান পাওয়া ‘সোনার পাথরবাটি’। অমরা বিদ্যানামে যা পাই তাঁর ভাষ্যে ‘চক চক করা এক প্রতারক কাচ খণ্ড মাত্র।’ তার দৃষ্টিতে ‘কালচার’ বা সংস্কৃতি শিক্ষার উপরিভাগ। রবীন্দ্রনাথের ‘শেষের কবিতা’ উপন্যাসের অমিতের যুক্তির ‘হীরের আংটি’ যেখানে শিক্ষা; সংস্কৃতি হচ্ছে তার থেকে ঠিকরে পড়া আলো। যতীন সরকারের প্রশ্ন ‘কালচার রূপ আলোর দীপ্তটা আমরা পাবো কোথায়, যদি সমন্বিত পাথরটাকেই অধিকার করতে না পারি?’ একদম ঠিক। এর চেয়ে যথার্থ উপলব্ধি কী হতে পারে?

যে শিক্ষা আমার সমাজ গড়বে, ‘হীরের দ্যোতি’ ছড়াবে, সে শিক্ষায়, ‘টেন্ডার বাজি’ ‘দলবাজি’ রাতারাতি ধনকুবের হওয়ার প্রতিযোগিতা। সেখানে আদর্শ সমাজ গড়ে উঠতে পারে না। যতীন সরকার এ আশাঙ্কার কথাই বলে গেছেন বারবার। শুধু আশঙ্কার কথা বলেই শেষ করেন নি। ইতালির দার্শনিক লুকাচের সেই বিখ্যাত উক্তি ‘কালচার ইজ দ্য এইম’ কে তিনি শুধু সমর্থনই করেন নাই অন্যের সমর্থনেও আদায় করতে চেয়েছেন। লুকাচ যেভাবে সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডকে লক্ষ্যবিন্দু ধরে রাজনীতিকে তার মাধ্যম হিসেবে বিবেচনা করেছিলেন, যতীন সরকার তাঁর বক্তৃতায় তাই প্রতিধ্বনিত করতেন। যদি ‘লুকাচ’ কে এ-দেশের রাজনীতিবিদগণ উপলব্ধি করতে পারতো, তাহলে ‘ক্ষমতায়’ টিকে থাকা এবং  শোষণ নির্যাতন, ভোগ-দখল থেকে রাজনীতিবিদগণ দূরে থাকতে পারতেন। আর দূরে থাকলে আমাদের বারবার সংবিধান সংকটে পড়তে হতো না। জনগণ তার মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হতো না।

আদর্শগত কারণেই তিনি কায়েদ-এ আজমের দ্বিজাতি তত্ত্বের সাম্প্রদায়িক তত্ত্বকে ঘৃণা ভরে প্রত্যাখ্যান করেছেন। সেই সাথে বিজ্ঞান-দার্শনিক চেতনাসমৃদ্ধ লেনিনীয় দ্বিজাতিতত্ত্বের শোষক-শোষিতের বিভাজনকেই প্রাধান্য দিয়েছেন। সংখ্যাগুরু মানুষের সম্পদ শোষণ করে, শোষকের হয়ে দৈত্য তৈরি করা; এবং তার প্রজাতি যে সাংস্কৃতিক বিভীষিকা তৈরি করবে, সে সম্পর্কে তিনি সবাইকে ওয়াকিবহাল করতেন। তিনি বলতেন, ‘লুটেরা ধনিকরাই এখন আমাদের সমাজে নিয়ন্তা হয়ে দাঁড়িয়েছে; এবং রাষ্ট্রযন্ত্রটিও তাঁদেরই দখলে। সংখ্যায় এরা লঘু অবশ্যই, তবু এদের হাতেই সংখ্যাগুরু জনগণ শোষিত ও নিষ্পেষিত। অথচ জনগণের অপরিসীম ত্যাগের বিনিময়েই দেশটি স্বাধীন হয়েছিল। সেই স্বাধীন দেশের সংবিধানে একটি শোষণহীন সমাজ প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার ঘোষিত হয়েছিল, সমাজতন্ত্রকে লক্ষ্যবিন্দুতে রেখে একটি অসম্প্রদায়িক ধর্মনিরপেক্ষ গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠার প্রত্যয় ব্যক্ত হয়েছিল। কিন্তু দেশের শাসকগোষ্ঠী সেই অঙ্গীকার ও প্রত্যয় রক্ষা করেনি। আস্তে আস্তে দেশের শাসনক্ষমতা এমন কিছু শক্তির করায়ত্ত হয়ে যায়, তারা অগণিত শহীদের রক্তে লেখা সংবিধানটিকে কাটাছেঁড়া করে এ থেকে স্বাধীনতার মর্মবস্তুকেই অপসারণ করে ফেলে।’

এ অবস্থায় তিনি বলেন, ‘আপনি আচরি ধর্ম অপরে শেখায়ও’ এমন কোনো আদর্শবাদী সামাজিক ও রাজনৈতিক নেতৃত্ব এদেশ সমাজে নেই। পরক্ষণেই তিনি বলেন, ‘এ দেশের প্রায় সব নেতাই সংকটকে প্রতিনিয়ত ঘনীভূত করে তুলছে।’ নেতির বিপরীতে ইতির সঞ্চার ঘটানো ছাড়া সংকট থেকে উত্তরণ সম্ভব নয়। এ চিন্তায় জাত হয়ে চিন্তার মানবিক গুণদিয়ে তিনি জীবনী শক্তি গড়ে তুলতে চেয়েছিলেন। এবং ইতিহাসের গভীরজ্ঞান শুধু শহরে আবদ্ধ না রেখে গাঁয়ে গাঁয়ে পৌঁছাতে চেয়েছেন। যা সমকালীন বুদ্ধিজীবীদের মধ্যে দেখা যায় না। এই ব্যতিক্রম প্রয়াসী আপামর মানুষের বিদ্বজ্জন, গত ১৩ই  আগস্ট ৯০ থেকে এক কদম দূরে, একটি পরিপূর্ণ সচল জীবন প্রবাহের ইতি টেনে যান। বর্তমান দুঃসহ, দুর্বিনীত সময়েও তিনি ছিলেন প্রমিথিউজের আলো। বাংলা ও বাঙালি তথা বিশ্বের নিপীড়িত মানুষের পথ প্রদশক ছিলেন তিনি। তাঁর মৃত্যুজনিত সংবাদে সুধী সমাজের যে আহাজারি, প্রান্তিকজনেদের যে শ্রদ্ধা; তা বলে দেয়, যতীন সরকার কেন, কীজন্য অনন্য।

লেখক: শিক্ষক, প্রাবন্ধিক

[এই মতামত লেখকের নিজস্ব। এর সঙ্গে ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশনের প্রাতিষ্ঠানিক সম্পাদকীয় নীতিমালার কোনো সম্পর্ক নেই।]

স্বাধীনতার পর থেকে এখন পর্যন্ত কত সরকার এসেছে, কত জ্ঞানী মন্ত্রী ও আমলা দায়িত্ব পালন করেছেন শিক্ষাকে শিক্ষণীয় করতে। কিন্তু প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নে এখন পর্যন্ত প্রয়োজনীয়...
হ‌ুমায়ূন আহমেদের মৃত্যুর এত বছর পরেও কেউ হ‌ুমায়ূন আহমেদের জনপ্রিয়তা ছুঁতে পারেননি। যাঁরা বাংলা আহিত্যের একনিষ্ঠ পর্যবেক্ষক, যাঁরা নিবিড়ভাবে বাংলা সাহিত্যের অন্ধি‑সন্ধি ও গলি‑গুপচি ঘুরেছেন,...
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন সাধারণ শিক্ষার্থীদের একটি সংগঠন। সম্প্রতি কোটা আন্দোলনের সময় শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ে এটি গঠিত হয়। এই আন্দোলনে যুক্ত ছাত্রসমাজকে ‘জেন জি’ নামে অভিহিত করা হয়। এই জেন...
যে জাতির সন্তানেরা প্রাথমিক পর্যায়েই কবি কাজী কাদের নেওয়াজের ‘শিক্ষাগুরুর মর্যাদা’ কবিতা পাঠ ও আত্মস্থ করে বেড়ে ওঠে, সে দেশে শিক্ষকের মর্যাদার এই হাল কেন? কেন এই দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর...
রবিবার (১৯ জুলাই) একই দিনে চার গুণী ব্যক্তিত্বকে স্মরণ ও শুভেচ্ছা জানাতে বিশেষ অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করেছে চ্যানেল আই। এদিন প্রয়াত কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার ও নির্মাতা হুমায়ূন আহমেদের প্রয়াণ দিবস।...
একসময় ‘কুচ কুচ হোতা হ্যায়’ সিনেমায় ছোট্ট অঞ্জলি চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকের হৃদয় জয় করেছিলেন সানা সাঈদ। ১৯৯৮ সালে মুক্তি পাওয়া শাহরুখ খান ও কাজল অভিনীত সেই সিনেমার শিশুশিল্পী এবার প্রকাশ...
আব্দুল মান্নান ভূইয়া কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার কেন্দ্র শহীদ আসাদ কলেজিয়েট গার্লস  স্কুল অ্যান্ড কলেজ। আজকে তাদের ব্যবসায় শিক্ষার মার্কেটিং পরীক্ষা ছিল। পরীক্ষা শেষে তারা কেন্দ্র থেকে মোটরসাইকেলে করে...
ভারতীয় টেলিভিশনের জনপ্রিয় মুখ জেনিফার উইনগেটকে ঘিরে ফের জোরালো হয়েছে বিয়ের গুঞ্জন। ভারতীয় বিভিন্ন গণমাধ্যমের দাবি, গত ১৬ জুলাই লন্ডনে ঘনিষ্ঠজনদের উপস্থিতিতে দীর্ঘদিনের সঙ্গী উইলিয়াম ইসমাইলের সঙ্গে...
লোডিং...
পঠিতনির্বাচিত

এলাকার খবর