সংস্কারের প্লেটে চার রকমের ফল: সবই নেন অথবা কোনোটিই নয়

চারটি প্রশ্নের গুচ্ছ আসলে এক প্লেটে রাখা চার রকমের ফলের মতো: হয় সবই নেবেন, নয়তো কোনোটিই নয়। তবে প্রতিটি ফল আলাদা— কোনোটি মিষ্টি, কোনোটি টক, আবার কোনোটি না মিষ্টি না টক। এটি এক মিশ্র প্লেট— মিষ্টি, টক, তেতোর মিশ্রণে সাজানো, যা ঠিক একটি সুস্থ ও ভারসাম্যপূর্ণ জীবনের জন্য প্রয়োজনীয়।

 

আপডেট : ১৭ নভেম্বর ২০২৫, ১০:০৩ এএম

জুলাই সনদ বাস্তবায়নকে ঘিরে রাজনৈতিক দলগুলোর নিয়মিত বাগবিতণ্ডা চলছিল। রাষ্ট্র সংস্কারের এই প্রস্তাবনাগুলো কর্তৃত্ববাদী শাসন প্রক্রিয়া থেকে সুশাসনের দিকে উত্তরণের পথ দেখানোর কথা। এ পরিস্থিতিতেই প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ১৩ নভেম্বর ঘোষণা দেন, জনগণের সরাসরি রায় জানতে জাতীয় নির্বাচনের দিনই গণভোট অনুষ্ঠিত হবে।

তবে প্রধান উপদেষ্টা ৪৮টি সংবিধান-সম্পর্কিত প্রস্তাবকে এবং সেগুলোতে থাকা ‘নোট অব ডিসেন্ট’ বা ভিন্নমতসহ— গণভোটের জন্য চারটি গুচ্ছে ভাগ করেছেন। ভোটাররা এই চারটি গুচ্ছের প্রশ্নের ওপর একটি মাত্র ভোট দেবেন— হ্যাঁ অথবা না।

মূল বিতর্ক এখানেই: অনেকেই বলছেন, ভোটারদের চারটি বিষয়ে আলাদা মত দেওয়ার সুযোগ নেই। চারটি ভিন্ন বিষয়ের ওপর যৌথ প্রশ্ন হলেও তা একটি ‘লিডিং’ বা প্রভাবিত প্রশ্ন বলছেন অনেকেই।

অবশ্য নোবেলজয়ী এই অধ্যাপককে রাজনৈতিক দলগুলোর ঐকমত্য ও মতভেদের মধ্যে সূক্ষ্ম ভারসাম্য বজায় রাখতে হয়েছে। পাশাপাশি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের দীর্ঘমেয়াদি স্বার্থও বিবেচনায় রাখতে হয়েছে। জাতির উদ্দেশে দেওয়া টেলিভিশন ভাষণে তিনি বলেন, তাঁর সরকারকে তিনটি প্রধান দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এগুলো হলো– গণহত্যার জন্য দায়ীদের বিচার করা, কার্যকর গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজনীয় সংস্কার করা এবং নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিত সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করা। ভাষণের সময় অধ্যাপক ইউনূসের কণ্ঠস্বর ছিল স্বভাবসুলভ দৃঢ়।

এই চারটি প্রশ্নের গুচ্ছ আসলে এক প্লেটে রাখা চার রকমের ফলের মতো: হয় সবই নেবেন, নয়তো কোনোটিই নয়। তবে প্রতিটি ফল আলাদা— কোনোটি মিষ্টি, কোনোটি টক, আবার কোনোটি না মিষ্টি না টক। এটি এক মিশ্র প্লেট— মিষ্টি, টক, তেতোর মিশ্রণে সাজানো, যা ঠিক একটি সুস্থ ও ভারসাম্যপূর্ণ জীবনের জন্য প্রয়োজনীয়।

ধারা এবং উপ-ধারাগুলোতে সমঝোতা মতভেদ
সব দল কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে একমত হয়েছে— যেমন প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদসীমা নির্ধারণ, বিরোধী দলের চারজনকে সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান করা, গোপন ব্যালটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন এবং সংবিধানের কিছু অনুচ্ছেদ গণভোটের মাধ্যমে সংশোধন।

তবে কয়েকটি দল নির্দিষ্ট কিছু ধারা–উপধারায় ভিন্নমত জানিয়েছে। যেমন, সবাই পাঁচ বছর পরপর জাতীয় নির্বাচনে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনার পক্ষে হলেও প্রধান উপদেষ্টা বাছাইয়ের কিছু ধাপে মতবিরোধ রয়েছে।

সংসদে প্রস্তাবিত উচ্চকক্ষ কীভাবে গঠিত হবে— সেটিও বড় বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু। সদস্যরা কি নিম্নকক্ষে দলগুলোর আসনসংখ্যার আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব (পিআর) অনুযায়ী নির্বাচিত হবেন, নাকি জাতীয় ভোটের মোট প্রাপ্ত ভোটের আনুপাতিক ভিত্তিতে?

আরেক বিতর্কিত বিষয় ছিল সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ সংশোধনের প্রস্তাব। সংশোধন অনুযায়ী এমপিরা দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে ভোট দিতে পারবেন— অনাস্থা প্রস্তাব ও অর্থবিল ছাড়া। কেউ কেউ আবার চান এই ব্যতিক্রমটি সাংবিধানিক সংশোধন বিল এবং জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়ে প্রযোজ্য হোক।

মূলত ধারা ও উপধারায় এই মতভেদ— যা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় খুবই স্বাভাবিক।

এ কারণেই অধ্যাপক ইউনূস উল্লেখ করেন, ‘রাজনৈতিক দলগুলোর প্রকাশ্য বক্তব্য যতই বিরোধপূর্ণ মনে হোক, জুলাই সনদ গভীরভাবে অনুধাবন করলে বোঝা যায় বাস্তবে মতভেদ খুবই কম।’ এটিকে ‘আমাদের অনন্য অর্জন ও জাতীয় সাহসের উৎস’ বলে উল্লেখ করেন তিনি। ৮৫ বছর বয়সি এই অধ্যাপক ২০২৪ সালের আগস্ট মাসের ছাত্র-নেতৃত্বাধীন গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনার স্বৈরশাসনের পতনের পর থেকে বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

জুলাই সনদ বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া নিয়ে টানাপড়েন
জুলাই সনদের মধ্যস্থতাকারী জাতীয় ঐকমত্য কমিশন (এনসিসি) শুরুতে প্রস্তাব করেছিল, সরকার গঠনের পর দুই বছরের মধ্যে সব সাংবিধানিক ও আইনি সংস্কার সম্পন্ন করতে। এই সনদকে বাংলাদেশের ‘ম্যাগনা কার্টা’র সাথে তুলনা করা যেতে পারে।

তবে দীর্ঘ আলোচনার পর জাতীয় ঐকমত্য কমিশন প্রধান উপদেষ্টার কাছে একটি কাঠামো জমা দেয়, যাতে গণভোট জাতীয় নির্বাচনের আগে অথবা নির্বাচনের দিনই করার প্রস্তাব ছিল। কমিশন দলগুলোর ভিন্নমত গণভোট থেকে বাদ দেয়।

গণভোটে অনুমোদন পেলে পরবর্তী সংসদ একটি সাংবিধানিক সংস্কার পরিষদ গঠন করবে, যাদের ২৭০ দিনের মধ্যে সংশোধনী বিল পাস করতে হবে। তা করতে ব্যর্থ হলে বিলটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে আইন হয়ে যাবে।

ঐকমত্য কমিশনের সুপারিশের পর রাজনৈতিক দলগুলো স্বভাবসুলভ অভিযোগ ও নতুন দাবি তোলে। বিএনপি বলে, গণভোট নির্বাচনের দিনই করতে হবে যাতে অতিরিক্ত ব্যয় না হয়; নোট অব ডিসেন্টগুলো জুলাই সনদে যেমন ছিল তেমনই অন্তর্ভুক্ত করতে হবে; এবং সংসদের শ্রেষ্ঠত্ব বজায় রাখার জন্য স্বয়ংক্রিয় আইন প্রণয়নের বিধান বাদ দিতে হবে।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী দাবি করে জাতীয় নির্বাচনের আগেই গণভোট হোক এবং উচ্চকক্ষ গঠিত হোক দলের মোট ভোটের আনুপাতিক প্রতিনিধিত্বের (পিআর) ভিত্তিতে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) দাবি করে, জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি লাগবে এবং তার বাস্তবায়ন আদেশ জারি করার ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির বদলে প্রধান উপদেষ্টাকে দিতে হবে।

অন্তর্বর্তী সরকার ফ্যাসিবাদ–বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোকে ঐক্যবদ্ধ অবস্থান তৈরিতে সাত দিনের সময় দেয়। আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল সমঝোতার আহ্বান জানালেও সতর্ক করেন— দলগুলো ব্যর্থ হলে সরকার নিজেই সিদ্ধান্ত নেবে। তবে, সব দলই আগে প্রস্তাবগুলোর উপর জনগণের ম্যান্ডেট আদায়ের জন্য গণভোট আয়োজনে সম্মত হয়েছিল।

রেফারি হিসেবে অন্তর্বর্তী সরকার
সব বিষয়ে পূর্ণ ঐকমত্য হওয়া ছিল অবাস্তব— অবশ্য এটি কোনো দুর্বলতাও নয়। সবাই একমত হওয়া স্বৈরতন্ত্রের উদাহরণ, গণতন্ত্রের নয়। এমন পরিস্থিতিতে অন্তর্বর্তী সরকারকেই রেফারির ভূমিকা পালন করতে হয়। সরকারের সর্বশেষ প্রস্তাবিত গণভোটের প্রশ্নগুচ্ছে যুক্তিযুক্ত দাবি যতটা সম্ভব অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা করা হয়েছে।

বিএনপি নির্বাচন ও গণভোট একইদিনে হওয়াকে স্বাগত জানালেও তাদের সর্বশেষ বক্তব্য উদ্বেগজনক। জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের আলোচনায় দলটির প্রতিনিধি সালাহউদ্দিন আহমদ এখন বলছেন, বিএনপি নির্বাচিত হলে কেবল জুলাই সনদে তাদের নিজস্ব অঙ্গীকারসমূহই বাস্তবায়ন করবে। ‘ভিন্নমত’ বাদ পড়ার বিষয়ে তাদের উদ্বেগ ছিল যৌক্তিক, যা গুচ্ছ প্রশ্নে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এখন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ভোটারদের হাতে। গুচ্ছের চতুর্থ প্রশ্ন নিশ্চিত করে যে, জুলাই সনদের বাকি সংস্কারগুলো দলগুলোর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী বাস্তবায়িত হবে, যেগুলো আগের তিন প্রশ্নে নেই।

বিএনপির মূল আপত্তি এখন মনে হচ্ছে জাতীয় ভোটের আনুপাতিক ভিত্তিতে উচ্চকক্ষ গঠনের প্রস্তাব। সালাহউদ্দিন আহমদ বলছেন, ভোটারদের ‘সব বিষয়ে একমত অথবা কোনোটিতেই নয়’ এ ধরনের সিদ্ধান্তে আসতে বাধ্য করা হচ্ছে। কিন্তু দ্বিতীয় প্রশ্নে স্পষ্ট বলা আছে— সংবিধান সংশোধনে মোট ভোটের আনুপাতিক প্রতিনিধিত্বমূলক একটি উচ্চকক্ষ থাকবে।

বিএনপি কেন এমন একটি ব্যবস্থার বিরোধিতা করছে? এ ব্যবস্থা তো নিশ্চিতভাবেই একতরফা সাংবিধানিক পরিবর্তন রোধ করবে। নিম্নকক্ষের আসনের অনুপাত ভিত্তিক ও সংবিধান সংশোধনে ভূমিকাহীন উচ্চকক্ষ হলে তা হবে অর্থহীন। যদি আগে ভোটভিত্তিক উচ্চকক্ষ থাকত, তাহলে ২০১১ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিল করা সম্ভব হতো না।

বিএনপিকে ১২ কোটি ৬১ লাখ ভোটারের ম্যান্ডেটের প্রতি সম্মান দেখাতে হবে। এ ব্যাপারে ২০২৬ সালের নির্বাচনের আগেই তাদের অবস্থান পরিষ্কার করতে হবে। বিএনপি এমন একটি দল যারা বিভিন্ন সময়ে সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। যেমন ২০২৩ সালে ৩১ দফা এবং ২০১৬ সালের ভিশন ২০৩০ ঘোষণা করেছিল। যেগুলোর বহু প্রস্তাবই জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সুপারিশের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।

অনেকে বলছেন গণভোটের প্রশ্নগুচ্ছ ‘লিডিং’ বা প্রভাবিত প্রশ্ন। কিন্তু বিষয়টি এমন নয়। এটি একটি সরল প্রশ্ন– জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের আলোচনার মাধ্যমে উঠে আসা চারটি প্রধান বিষয়ে সংস্কার চান কি না তারই উত্তর দেবেন নাগরিকেরা। পুরো আলোচনার সময় রাজনৈতিক দলগুলো ও ঐকমত্য কমিশন তাদের নিজেদের অবস্থান থেকে অনেকটাই ছাড় দিয়েছিল। সব দাবি পুরোপুরি মানা অসম্ভব। তাই প্রধান উপদেষ্টা তাঁর ভাষণে বলেছেন, ‘জুলাই সনদকে প্রাথমিক নথি হিসেবে বিবেচনা করে, অন্তর্বর্তী সরকার জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫ অনুমোদন করেছে।’

বিএনপি, জামায়াত, এনসিপি ও অন্যান্য দলের এখন নির্বাচনের প্রস্তুতিকে প্রাধান্য দেওয়া উচিত। কারণ নির্বাচনের কোনো বিকল্প এই মুহূর্তে নেই।

(নিবন্ধটি ইংরেজি থেকে অনূদিত। অনুবাদ: সোহরাব শান্ত)

লেখক: সহযোগী সম্পাদক, ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশন
[এই মতামত লেখকের নিজস্ব। এর সঙ্গে ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশনের প্রাতিষ্ঠানিক সম্পাদকীয় নীতিমালার কোনো সম্পর্ক নেই।]

জুলাইয়ের আন্দোলনে অংশ নেওয়া তরুণদের বড় একটি অংশ কোনো রাজনৈতিক পদ, ক্ষমতা কিংবা ব্যক্তিগত সুবিধার প্রত্যাশায় মাঠে নামেননি। তাঁরা নেমেছিলেন একটি ন্যায্য রাষ্ট্রের দাবিতে। এই তরুণদের সবচেয়ে বড় শক্তি...
সাবেক রাষ্ট্রপতি ও সাবেক প্রধানমন্ত্রীর সন্তান হিসেবে এবার আপনিও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে যাচ্ছেন—এটি মহান আল্লাহ তায়ালার অশেষ রহমত এবং পৃথিবীর রাজনৈতিক ইতিহাসে এক বিরল দৃষ্টান্ত। জীবনের...
প্রতিশ্রুতি আছে, পরিকল্পনা নেই— বাস্তবায়ন তো দূরের কথা! জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে দেশের প্রায় সব রাজনৈতিক দলই তাদের নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছে। স্বাস্থ্য, শিক্ষা, খাদ্য নিরাপত্তা, কর্মসংস্থান,...
দলটির ইতিহাসে প্রথমবারের মতো আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একজন অমুসলিম প্রার্থীকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক কৌতূহলের...
রাজধানীর ভাটারার বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় দ্রুতগামী অজ্ঞাত এক গাড়ির ধাক্কায় সেকান্দার আলী নামে এক অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য নিহত হয়েছেন।
খাবার আর ওষুধসহ নানা খাতে ব্যয় বৃদ্ধিতে বিপাকে বগুড়ার মুরগির খামার ও হ্যাচারি ব্যবসায়ীরা। জেলার ৫ হাজারেরও বেশি খামার ও হ্যাচারি মধ্যে, গত ৩ বছরে বন্ধ হয়ে গেছে সাড়ে ৪ হাজার প্রতিষ্ঠান। এতে বেকার...
১১ কর্মকর্তার দায়িত্ব একজনের হাতে!
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার পাশাপাশি ১১ জন সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার পদ রয়েছে। কিন্তু বর্তমানে দায়িত্ব পালন করছেন মাত্র একজন। অফিসের করণিক,...
খাগড়াছড়িতে টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা। জেলার এলজিইডি নিয়ন্ত্রণাধীন ২৮টি সড়কের ২১ কিলোমিটার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মহালছড়ির মুবাছড়ি ও পানছড়ির নালকাটায়...
লোডিং...
পঠিতনির্বাচিত

এলাকার খবর