নিরাপদ খাদ্যের নিশ্চয়তায় উচ্চশিক্ষা: বাকৃবির প্রতিষ্ঠা দিবসে নতুন প্রত্যাশা

আপডেট : ১৭ আগস্ট ২০২৬, ১১:০২ পিএম

১৮ আগস্ট বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য একটি তাৎপর্যপূর্ণ দিন। ১৯৬১ সালের এই দিনে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার অধ্যাদেশ জারি হয়েছিল; পরবর্তীতে ২ সেপ্টেম্বর প্রথম উপাচার্য নিয়োগের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে। প্রতিষ্ঠালগ্নে দেশের কৃষি উন্নয়নের জন্য দক্ষ কৃষিবিদ, বিজ্ঞানী ও প্রযুক্তিবিদ তৈরিই ছিল প্রধান লক্ষ্য। ছয় দশকেরও বেশি সময় পর বাংলাদেশের কৃষির বাস্তবতা বদলেছে, বদলেছে খাদ্যব্যবস্থার চ্যালেঞ্জও। এখন শুধু বেশি খাদ্য উৎপাদন করাই যথেষ্ট নয়—খাদ্য হতে হবে নিরাপদ, পুষ্টিকর, মানসম্মত, টেকসই এবং সবার জন্য সহজলভ্য।

এই পরিবর্তিত বাস্তবতায় বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্বও নতুন মাত্রা পেয়েছে। খাদ্য নিরাপত্তা এখন আর কেবল উৎপাদনের প্রশ্ন নয়; এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে খাদ্য নিরাপত্তা ও নিরাপদ খাদ্য, পুষ্টি, জলবায়ু পরিবর্তন, পরিবেশ দূষণ, অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স, মাইকোটক্সিন, কীটনাশকের অবশিষ্টাংশ, ভারী ধাতু, খাদ্য ভেজাল, মাইক্রোপ্লাস্টিকসহ নানা উদীয়মান ঝুঁকি। ফলে নিরাপদ খাদ্য ব্যবস্থাপনায় দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি এবং বহুমাত্রিক গবেষণার সুযোগ সৃষ্টি সময়ের দাবি।

এই প্রেক্ষাপটেই বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্টারডিসিপ্লিনারি ইন্সটিটিউট ফর ফুড সিকিউরিটি (IIFS) বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। ২০১৩ সালে প্রতিষ্ঠিত এই ইনস্টিটিউট খাদ্য নিরাপত্তার বিষয়কে কৃষি, মৎস্য, প্রাণিসম্পদ, পরিবেশ, স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও নীতিনির্ধারণের মতো বিভিন্ন ক্ষেত্রের সঙ্গে সমন্বিতভাবে দেখার একটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করছে। ইনস্টিটিউটের অধীনে আধুনিক সুবিধা সম্বলিত  HPLC, GC-MS, Advanced Microscopy based Food Quality and Safety Laboratory রয়েছে এবং খাদ্য নিরাপত্তা, খাদ্যের মান, পুষ্টি ও টেকসই খাদ্যব্যবস্থা নিয়ে শিক্ষা, গবেষণা ও উদ্ভাবনের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

ফুড সেফটি ম্যানেজমেন্ট: সময়ের প্রয়োজন    
বাংলাদেশের খাদ্যব্যবস্থা দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। কৃষি উৎপাদন থেকে শুরু করে সংগ্রহ, পরিবহন, সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াজাতকরণ, বাজারজাতকরণ এবং ভোক্তার প্লেট পর্যন্ত একটি দীর্ঘ ও জটিল সরবরাহ ব্যবস্থা (supply chain) তৈরি হয়েছে। প্রতিটি ধাপেই খাদ্য নিরাপত্তার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। 

উৎপাদন পর্যায়ে অতিরিক্ত বা অনুপযুক্ত কীটনাশক ব্যবহার, পশু ও মৎস্য উৎপাদনে ওষুধের অপব্যবহার, সংরক্ষণে আর্দ্রতা ও তাপমাত্রার সমস্যা, অপর্যাপ্ত স্বাস্থ্যবিধি, অনিরাপদ পানি, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণে দূষণ এবং বাজারজাতকরণের বিভিন্ন অনিয়ম—সবকিছু মিলিয়ে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা একটি মাল্টিডিসিপ্লিনারি (multidisciplinary) কাজ। এ কারণেই শুধু খাদ্যবিজ্ঞান জানা যথেষ্ট নয়। প্রয়োজন মাইক্রোবায়োলজি (Microbiology), কেমিস্ট্রি (Chemistry), টক্সিকোলজি (Toxicology), ইপিডেমোলজি (Epidemiology), পাবলিক হেলথ (Public health), এগ্রিকালচার (Agriculture), ভেটেরিনারি সায়েন্স (Veterinary Science), ফিশারিজ (Fisheries), নিউট্রিশন (Nutrition), এনভাইরনমেন্টাল সায়েন্স (Environmental Science), ফুড প্রোসেসিং (Food Processing), কোয়ালিটি অ্যাসোরেন্স (Quality Assurance), ফুড ল (Food law) এবং রিস্ক অ্যানালাইসিস (Risk analysis)—এসব জ্ঞানের সমন্বিত প্রয়োগ।

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে দেশের প্রথম একাডেমিক প্রোগ্রাম বিএসএসি ইন ফুড সেফটি ম্যানেজমেন্ট (সম্মান)/ B.Sc. in Food Safety Management (Honours) চালু হওয়া তাই একটি সময়োপযোগী পদক্ষেপ ছিল। একাডেমিক সুবিধার কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকাশিত তথ্যেও এই প্রোগ্রামকে IIFS-এর সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে। এই শিক্ষাক্রমের সবচেয়ে বড় সম্ভাবনা হলো—বাংলাদেশের খাদ্যব্যবস্থার বাস্তব সমস্যাগুলোকে সামনে রেখে ভবিষ্যতের ফুড সেফটি প্রোফেশন (food safety professionals) তৈরি করা।
IIFS-এর কাছে প্রত্যাশা কোথায়?    

প্রথম প্রত্যাশা—দেশের নিরাপদ খাদ্য বিষয়ে একটি জাতীয় উৎকর্ষকেন্দ্র হিসেবে IIFS-এর বিকাশ। খাদ্য নিরাপত্তার ক্ষেত্রে বাংলাদেশে অনেক প্রতিষ্ঠান কাজ করছে। কিন্তু কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে বাকৃবির বিশেষ সুবিধা হলো, একই ক্যাম্পাসে কৃষি, ভেটেরিনারি, প্রাণিসম্পদ, মৎস্য, কৃষি প্রকৌশল, কৃষি অর্থনীতি এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বিপুল জ্ঞান ও দক্ষতা রয়েছে। এই শক্তিকে এক প্ল্যাটফর্মে আনা গেলে IIFS একটি অনন্য ন্যাশনাল সেন্টার অব এক্সিলেন্স (National Centre of Excellence) হয়ে উঠতে পারে।

দ্বিতীয় প্রত্যাশা—গবেষণাকে মাঠের সমস্যার সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত করা। কোন অঞ্চলের কোন খাদ্যে কী ধরনের Contamination হচ্ছে, কোন পর্যায়ে ঝুঁকি বেশি, কোন storage condition-এ Mycotoxin বাড়ছে, কোন কৃষিপদ্ধতিতে Pesticide residue কমানো যায়, মাছ-মাংস-দুধের cold chain কোথায় দুর্বল, কীভাবে খাদ্যবাহিত রোগের ঝুঁকি কমানো যায়—এসব প্রশ্নের উত্তর গবেষণাগারে সীমাবদ্ধ না রেখে কৃষক, খামারি, ব্যবসায়ী, খাদ্য উদ্যোক্তা ও ভোক্তার কাছে পৌঁছাতে হবে।

তৃতীয় প্রত্যাশা—আধুনিক food safety laboratory ও analytical capacity বৃদ্ধি। আন্তর্জাতিক মানের গবেষণা ও খাদ্যঝুঁকি নির্ণয়ের জন্য advanced instrumentation, validated analytical methods, quality assurance system এবং দক্ষ technical personnel প্রয়োজন। বিশ্ববিদ্যালয়, সরকারি সংস্থা, শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও আন্তর্জাতিক গবেষণা অংশীদারদের সহযোগিতায় IIFS-এর laboratory capacity আরও শক্তিশালী করা সম্ভব।

চতুর্থ প্রত্যাশা—মানবসম্পদ উন্নয়ন। শুধু স্নাতক পর্যায়ের শিক্ষার্থী নয়; food inspectors, industry professionals, researchers, teachers, entrepreneurs এবং policymakers-এর জন্য short course, professional training, certificate programme ও continuing education চালু করা যেতে পারে। এতে IIFS একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হওয়ার পাশাপাশি national capacity-building hub-এ পরিণত হতে পারে।

চ্যালেঞ্জও কম নয়
সম্ভাবনার পাশাপাশি চ্যালেঞ্জও রয়েছে। সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো interdisciplinary education ও research-এর বাস্তব প্রয়োগ। একই প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক থাকলেই interdisciplinary research হয় না। যৌথ গবেষণা প্রকল্প, shared laboratory, common research agenda, আন্তঃবিভাগীয় supervision এবং যৌথ publication-এর সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে।

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ হলো আন্তর্জাতিক মানের curriculum। Food safety management একটি দ্রুত পরিবর্তনশীল ক্ষেত্র। তাই যুগোপযোগী curriculum-এ HACCP, food safety management systems, risk assessment, foodborne disease surveillance, traceability, food authenticity, emerging contaminants, antimicrobial resistance, One Health, climate-related food safety risks, digital food safety এবং food regulatory affairs-এর মতো বিষয়কে সময়োপযোগীভাবে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

শিল্প ও একাডেমিয়ার সংযোগ আরও জোরদার করা প্রয়োজন। দেশের খাদ্যশিল্প দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে। কিন্তু industry-relevant research, internship, field placement এবং problem-based learning-এর সুযোগ পর্যাপ্ত না হলে শিক্ষার্থীরা বাস্তব খাদ্যব্যবস্থার চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে প্রয়োজনীয় অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারবে না।

এখানে আরেকটি বিষয় বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ—শুধু ডিগ্রি নয়, দক্ষতা। Food Safety Management-এর একজন গ্র্যাজুয়েটকে খাদ্য পরীক্ষার ফল বুঝতে, hazard শনাক্ত করতে, risk assess করতে, HACCP plan তৈরি করতে, food safety audit করতে, data বিশ্লেষণ করতে এবং evidence-based সিদ্ধান্ত দিতে সক্ষম হতে হবে। অর্থাৎ classroom knowledge-এর সঙ্গে laboratory, fieldwork এবং industry exposure-এর সমন্বয় অপরিহার্য।

বাকৃবির প্রতিষ্ঠা দিবসে নতুন অঙ্গীকার
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠার মূল দর্শন ছিল দেশের কৃষি ও কৃষিজ্ঞানকে এগিয়ে নেওয়া। আজ সেই দর্শনের আধুনিক রূপ হতে পারে—“নিরাপদ, পুষ্টিকর ও টেকসই খাদ্যব্যবস্থার জন্য জ্ঞান সৃষ্টি ও মানবসম্পদ উন্নয়ন।”

IIFS-এর বর্তমান অবস্থান এই বৃহত্তর লক্ষ্য বাস্তবায়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি তৈরি করেছে। ইনস্টিটিউটের শিক্ষা, গবেষণা, laboratory services, policy engagement এবং professional training—এই পাঁচটি ক্ষেত্র যদি সমন্বিতভাবে এগিয়ে নেওয়া যায়, তবে IIFS শুধু বাকৃবির একটি ইনস্টিটিউট হিসেবে নয়, বাংলাদেশের নিরাপদ খাদ্য আন্দোলনের একটি গুরুত্বপূর্ণ জ্ঞানকেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে পারে।

বাংলাদেশের সামনে এখন খাদ্য উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি খাদ্যের নিরাপত্তা ও মান নিশ্চিত করার চ্যালেঞ্জ। আগামী দিনের কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়কে তাই শুধু “কত খাদ্য উৎপাদন করা হলো”—এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজলেই চলবে না; একই সঙ্গে জানতে হবে—খাদ্যটি কতটা নিরাপদ, কতটা পুষ্টিকর এবং কতটা টেকসই।

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠা দিবসে তাই প্রত্যাশা হোক—কৃষি শিক্ষার ঐতিহ্যের সঙ্গে নিরাপদ খাদ্য শিক্ষার নতুন দিগন্ত যুক্ত হবে। ফুড সেফটি ম্যানেজমেন্টে দক্ষ মানবসম্পদ এবং IIFS-এর শক্তিশালী interdisciplinary গবেষণা দেশের খাদ্যব্যবস্থাকে আরও নিরাপদ ও স্থিতিশীল করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। প্রতিষ্ঠার ৬৫তম বছরে বাকৃবির জন্য এটিই হতে পারে সময়ের সবচেয়ে প্রাসঙ্গিক অঙ্গীকার—খাদ্য উৎপাদন থেকে নিরাপদ খাদ্য পর্যন্ত, জ্ঞান ও গবেষণার মাধ্যমে বাংলাদেশকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নেওয়া।

লেখক: সহকারী অধ্যাপক, ইন্টারডিসিপ্লিনারি ইন্সটিটিউট ফর ফুড সিকিউরিটি, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ 
Email: [email protected]

২০২৫ সালের ডিসেম্বরের এক সকাল। বন্যপ্রাণী দেখার উদ্দেশ্যে বের হয়েছিলাম ঢাকার উত্তরা, দিয়াবাড়ি, গোড়ানচটবাড়ী, আফতাবনগর ও খিলখেত এলাকায়। গত এক দশক ধরে ঢাকার প্রাণ-প্রকৃতির সঙ্গে আমার পরিচয়। এই শহরের...
কৃষক কার্ড যদি স্বচ্ছ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও তথ্যভিত্তিক পদ্ধতিতে বাস্তবায়িত হয়, তবে এটি কৃষি খাতে কাঠামোগত পরিবর্তনের ভিত্তি স্থাপন করতে পারবে। চাহিদাভিত্তিক ভর্তুকি প্রদান, সরাসরি সহায়তা স্থানান্তর,...
সমাজের চোখে শিক্ষার্থী কী? এক কথায়, ভবিষ্যৎ বিনিয়োগ। একদিন তারা সমাজ গড়বে, রাজনীতি বলুন, অর্থনীতি বলুন, কিংবা চিকিৎসা-সশস্ত্রবাহিনী-প্রশাসন বলুন… পুরো সমাজের নেতৃত্ব দেবে, এই স্বপ্ন দেখে বলেই তো...
এফডিএ কি উদ্ভাবক সংস্থাসমূহের পূঁজির নিরাপত্তা বিধানেই জিএম কৃষিপণ্য সম্পর্কে এত উদার ও কোমল মনোভাব পোষণ করছে? যখন সারা বিশ্বব্যাপী জিএম কৃষিপণ্য সম্পর্কে গভীর উদ্বেগ ও সন্দেহ বিদ্যমান, তার কোনো...
চট্টগ্রামের পটিয়ায় সরকারি একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তালা ভেঙে চুরির ঘটনা ঘটেছে। রোববার গভীর রাতে উপজেলার কচুয়াই ইউনিয়নের সীতাবিধু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ চুরির ঘটনা ঘটে। 
রাজধানীর নিউমার্কেট যাওয়ার পথে এলিফ্যান্ট রোডে রাস্তার উপরে কয়েকটি অবিস্ফোরিত ককটেল পড়ে আছে। সোমবার রাতে ককটেলগুলো পড়ে থাকতে দেখে উৎসুক জনতা।
সিআইআইয়ের মহাপরিচালক চন্দ্রজিৎ ব্যানার্জির নেতৃত্বে ১৪ সদস্যের প্রতিনিধিদলে ভারতের বিভিন্ন খাতের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়ী নেতারা অংশ নিয়েছেন। প্রতিনিধিদলে থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে...
সারাদেশে ৫০ লাখের বেশি, আর শুধু ঢাকাতেই দাপিয়ে বেড়াচ্ছে প্রায় ২০ লাখ ব্যাটারিচালিত রিকশা। এতদিন এগুলো বন্ধ করতে গিয়ে চরম আন্দোলন আর বিশৃঙ্খলার মুখে পড়েছে সরকার। কারণ, এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে লাখ...
লোডিং...

এলাকার খবর