জাতীয় নির্বাচনের আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচন চায় জামায়াতে ইসলামী। আজ বুধবার দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে-প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিনের সাথে বৈঠক শেষে এ দাবি জানানো হয়।
এ সময় দলের পক্ষ থেকে সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. হামিদুর রহমান আজাদ বলেন, আগামী নির্বাচনে বর্তমান নির্বাচন কমিশনের উপরেই আস্থা রাখতে চায় দল। তবে নির্বাচন হতে হবে পি-আর পদ্ধতিতে। এই পদ্ধতি চালু হলে কালো টাকার প্রভাব কমবে, নমিনেশন বাণিজ্যও বন্ধ হবে। পরে প্রবাসীদের ভোট নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশনকে উদ্যোগ নেয়ারও আহ্বান জানানো হয়।
এরআগে বেলা ১১টার দিকে নির্বাচন ভবনে পৌঁছান জামায়াতের ৩ সদস্যের প্রতিনিধি দল। প্রতিনিধি দলে থাকা অন্যরা হলেন-জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জোবায়ের ও কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য অ্যাডভোকেট জসিম উদ্দিন সরকার।
হামিদুর রহমান আজাদ জানান, আগামী জাতীয় নির্বাচনে বর্তমান নির্বাচন কমিশনের ওপরই আস্থা রাখতে চায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। তবে জাতীয় নির্বাচনের আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের দাবি জামায়াতের।
ড. হামিদুর রহমান আজাদ বলেন, ‘পি-আর পদ্ধতিতের মধ্যে দিয়ে কালো টাকার প্রভাব কমবে, সন্ত্রাসী কার্যক্রম বন্ধ হবে। সর্বাধিক ভোটারদের ভোটের প্রয়োগ ঘটবে। আজকে নির্বাচন কমিশনের কাছে আনুষ্ঠানিক বৈঠকের মধ্যে দিয়ে এটা দাবি উত্থাপন করেছি, এ পদ্ধতি যেন চালু করা হয়।’
নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা এবং প্রবাসীদের ভোটাধিকার রক্ষায় নির্বাচন কমিশনের কার্যকর পদক্ষেপের আহ্বানও জানান জামায়াতের এই নেতা। তিনি আশা প্রকাশ করেন, বর্তমান নির্বাচন কমিশনের অধীনেই সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্ভব হবে।
এদিকে, সুপ্রিম কোর্টের রায়ের প্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশনের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী অফিসিয়ালি প্রতীকসহ নিবন্ধন ফিরে পেয়েছে জামায়াত। এর মাধ্যমে দলটি পুনরায় তাদের রাজনৈতিক স্বীকৃতি পেল।
দলের কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ১ জুন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ সর্বসম্মত রায়ে জামায়াতকে দলীয় প্রতীক দাঁড়িপাল্লাসহ নিবন্ধন ফিরিয়ে দেওয়ার আদেশ দেন। পরবর্তীতে ৪ জুন নির্বাচন কমিশন ওই রায়ের আলোকে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয় এবং ২৪ জুন প্রজ্ঞাপন জারি করে তা বাস্তবায়ন করে।



