কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তির কারণে ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে ব্যবহারকারীরা আগের চেয়ে বেশি সময় কাটাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন প্ল্যাটফর্ম দুটির মালিক প্রতিষ্ঠান মেটা’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মার্ক জাকারবার্গ। গতকাল বুধবার প্রতিষ্ঠানটির দ্বিতীয় প্রান্তিকের (এপ্রিল-জুন সময়ের) আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশকালে বিনিয়োগকারীদের উদ্দেশ্যে এ কথা বলেন তিনি।
অনলাইনে এআই জেনারেটেড কনটেন্টের মান নিয়ে নানা জনের নানা অভিমত থাকলেও ফেসবুক, ইনস্টাগ্রামে ব্যবহৃত এআই সিস্টেম ব্যবহারকারীদেরকে তাঁদের পছন্দের কনটেন্ট খুঁজে পেতে সাহায্য করছে। এক্ষেত্রে উত্তরোত্তর উন্নতিও করছে এআই। এমনটাই মত মেটা ও তাঁদের সিইও জাকারবার্গের।
বিনিয়োগকারীদেরকে জাকারবার্গ বলেন, ‘মানুষের কাছে আকর্ষণীয় ও দরকারি কনটেন্ট তুলে ধরার আমাদের সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত হয়েছে এআই প্রযুক্তির কল্যাণে।’
তিনি আরও বলেন যে, ‘আমাদের রিকমেনডেশন সিস্টেমের উন্নতির ফলে এর মান এতটাই বৃদ্ধি পেয়েছে যে, এই (দ্বিতীয়) প্রান্তিকে ব্যবহারকারীরা ফেসবুকে ৫ শতাংশ এবং ইনস্টাগ্রামে ৬ শতাংশ বেশি সময় কাটিয়েছেন।’
সার্বিকভাবে মেটা জানাচ্ছে, জুন মাসজুড়ে প্রতিদিন মেটা’র মালিকানাধীন প্ল্যাটফর্মগুলোর কোনো একটি ব্যবহার করেছেন এমন ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৩ দশমিক ৪ বিলিয়নেরও বেশি। মেটার প্ল্যাটফর্মগুলোর মধ্যে আছে ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, মেসেঞ্জার ও হোয়াটসঅ্যাপ। ব্যবহারকারীর সংখ্যাটা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৬ শতাংশ বেশি। এই সাফল্যের শক্তিতেই মেটা’র অ্যাপগুলোর সমন্বিত আয় ২২ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৭ দশমিক ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
মেটা আরও জানিয়েছে যে, গত বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকের তুলনায় এ বছর একই সময়ে তাঁদের ভিডিও কনটেন্টে ব্যবহারকারীরা ২০ শতাংশ বেশি সময় কাটিয়েছেন। মেটা’র র্যাংকিং সিস্টেম অপটিমাইজেশন এবং ইনস্টাগ্রামে মৌলিক কনটেন্ট আরও বেশি করে প্রচারের কারণেই এই সাফল্য এসেছে বলে জানা গেছে।
লার্জ ল্যাংগুয়েজ মডেল (এলএলএম) ব্যবহার করার কারণে মেটা’র আরেক প্ল্যাটফর্ম থ্রেডসেও ব্যবহারকারীরা বেশি সময় কাটিয়েছেন বলে মেটার তরফ থেকে জানানো হয়েছে।
তথ্যসূত্র: টেকক্রাঞ্চ



