বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্ব শেষ না হতেই গোলকিপাররা আলোচনার কেন্দ্রে। ছোট দলগুলোর গোলকিপাররা ভালো করায় প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক ম্যাচ বেশি হচ্ছে। কেপ ভার্দের ভোজিনিয়া, কুরাসাওয়ের এলয় রোম কিংবা ইরানের আলি রেজা তাদের দলকে নকআউট পর্বের লড়াইয়ে রেখেছেন।
অবসর ভেঙে ফেরা জার্মানির ম্যানুয়েল নয়্যার কিংবা বেলজিয়ামে গোলপোস্ট সামলানো থিবো কোর্তোয়া ফুটবলের বড় নাম। বাজপাখি খ্যাত আর্জেন্টাইন প্রাচীর এমিলিয়ানো মার্তিনেজ কিংবা ব্রাজিলের অ্যালিসন নামে ভারে অনেক এগিয়ে। ফ্রান্স-স্পেন-ইংল্যান্ডের গোলকিপাররাও আগে থেকেই স্টার। কিন্তু এবার বিশ্বকাপ মাতাচ্ছে আনকোরা সব গোলকিপার। কে জানে এদেরই কেউ শেষপর্যন্ত গোল্ডেন গ্লাভসের দাবিদার হয়ে যান কিনা।
কেপ ভার্দের ভোজেনিয়া একক কৃতিত্বে স্পেনকে রুখে দেন। সেই ম্যাচে সাতটি গুরুত্বপূর্ণ সেভ, মূহূর্তেই সাড়া ফেলে দেন ৪০ বছর বয়সী গোলকিপার। জনপ্রিয়তা এমন পর্যায়ে যে, কয়েক দিনের মধ্যে ইন্সটাগ্রাম ফলোয়ার ৫০ হাজার থেকে বেড়ে ১৫ লাখ হয়ে গেছে। তার মাকেও ভিসা দিতে বাধ্য হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
ভোজিনিয়ার মতো ৩৭ বছর বয়সী কুরাসাও গোলকিপার এলয় রুমও ইকুয়েডরের বিপক্ষে ১৫টি সেভ করে গড়ে ফেলেছেন বিশ্বকাপ রেকর্ড। ৯০ মিনিটের ম্যাচে এটাই সর্বোচ্চ। অতিরিক্ত সময় মেলালে ১৬টি সেভ আছে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক গোলকিপার টিম হাওয়ার্ডের।
সবশেষ গ্রুপ জি-তে বেলজিয়াম-ইরান ড্র এর ম্যাচেও ইরান গোলকিপার আলিরেজা বেইরানভান্দের নৈপুণ্য। বেলজিয়ামের সাতটি গোলের সুযোগে বড় বাধা হয়ে দাঁড়ান আলিরেজা। প্রায় ১০ রেটিং পয়েন্টে ম্যাচ সেরা হন আলিরজা।
এইচ গ্রুপের প্রথম ম্যাচে উরুগুয়ের হতাশার কারণ হন সৌদি গোলকিপার মোহাম্মদ আল ওয়াইস। ১-১ ড্র এর সেই ম্যাচে ৯টি গুরুত্বপূর্ণ সেভ তার। এছাড়াও ইংল্যান্ড-ক্রোয়োশিয়া ম্যাচে ডমিনিক লিভাকোভিচের সাতটি সেভে মান বাঁচে ক্রোয়াটদের। তাছাড়া ব্যবধান ৪-২ এর জায়গায় লজ্জার ফলাফলে পড়তে হত ক্রোয়োশিয়াকে।



