লিটন দাস সম্পর্কে সবচেয়ে বহুল ব্যবহৃত বাক্যই সম্ভবত এটি – যেদিন তিনি খেলেন, তাঁর ব্যাটিং সেদিন চোখে লেগে থাকে। ঝামেলা হলো, লিটন দাস কোনদিন খেলবেন, তার নিশ্চয়তা কমই। ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে তো ফর্ম হারিয়ে খুঁজতে খুঁজতে ‘লর্ড’ উপাধিই পেয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু সে সময়েও তাঁর ব্যাটে প্রতিশ্রুতি ছিল। প্রতিশ্রুতির পূর্ণতা পাওয়ার ইঙ্গিত ছিল গত এক-দেড় বছরে, কী দারুণ ধারাবাহিক ছিলেন লিটন! পুরস্কার হিসেবে আইপিএলেও খেলার সুযোগ এসেছিল।
কিন্তু আইপিএলে কিছুই করতে না পারা লিটন এরপর থেকে আবার নিজেকে হারিয়ে খুঁজছেন। মাঝে অধিনায়কত্বের ভারও একটু-আধটু এসেছিল তাঁর কাঁধে, কিন্তু ব্যাটে রান আসছিল না বলে সে চাপ থেকেও তাঁকে আবার মুক্তি দেয়া হয়েছে। রান না পাওয়ার চাপটা সরিয়ে কি বিশ্বকাপে আলো ছড়াতে পারবেন লিটন? তামিম ইকবাল না থাকায় এমনিতেই তাঁর রানে ফেরা বিশ্বকাপে বাংলাদেশের জন্য অপরিহার্য হয়ে উঠেছে।
অধিনায়ক সাকিবের বিশ্বাস অবশ্য লিটনকে ঘিরে প্রেরণা জাগাতে পারে। সাকিবের পূর্বানুমান, লিটন হতে পারেন এবারের বিশ্বকাপের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান!
ভূমিকা: টপ অর্ডার ব্যাটসম্যান ও উইকেটকিপার
ম্যাচ: ৭৭
ইনিংস: ৭৬
রান: ২২৫০
গড়: ৩২.৬০
স্ট্রাইক রেইট: ৮৭.৬১
সর্বোচ্চ: ১৭৬
১০০/৫০: ৫/১০
বিশ্বকাপে পারফরম্যান্স
ম্যাচ: ৫
রান: ১৮৪
সর্বোচ্চ: ৯৪*
গড়: ৪৬.০০
স্ট্রাইক রেইট: ১১০.১৭
১০০/৫০: ০/১



