ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) নিয়ে এবার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। গত ১৯ এপ্রিল রাজস্থান রয়্যালস ও লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টসের ম্যাচে ফিক্সিংয়ের অভিযোগ করা হয়েছে। আর এমন গুরুতর অভিযোগটি করেছেন রাজস্থান ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের অ্যাড-হক কমিটির আহ্বায়ক এবং শ্রীগঙ্গানগরের বিজেপি বিধায়ক জয়দীপ বিহানী।
রাজস্থানের বিরুদ্ধে ম্যাচ পাতানোর অভিযোগ এনেছেন বিজেপির এই বিধায়ক। শেষ ওভারে ৯ রানের প্রয়োজন ছিল, সুপার জায়ান্টসের বিপক্ষে সেই ম্যাচ ২ রানে হেরে যায় রাজস্থান। আভেশ খানের করা শেষ ওভারে রাজস্থান নিতে পেরেছে মাত্র ৬ রান। আর তাতেই এ নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করা শুরু হয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। এরপর আবার বিজেপির বিধায়কের এমন অভিযোগ!
কিন্তু আইপিএল ফ্র্যাঞ্চাইজি রাজস্থান এই অভিযোগকে সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট বলছে। এমন অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিসিসিআই, মুখ্যমন্ত্রী, ক্রীড়ামন্ত্রী ও ক্রীড়া সচিবের কাছে বিধায়ক বিহানীর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়ার জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ করেছে রাজস্থান রয়্যালস।
রাজস্থানের সিনিয়র কর্মকর্তা দীপ রয় বিধায়ক বিহানির অভিযোগকে মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও কোনো প্রমাণ নেই- জানিয়ে উড়িয়ে দিয়েছেন। রাজস্থান রয়েলস অভিযোগের ভিত্তিতে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘আমরা অ্যাডহক কমিটির আহ্বায়কের করা সব ধরনের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করছি। এ ধরনের প্রকাশ্য বক্তব্য কেবল বিভ্রান্তিকরই নয় বরং রাজস্থান রয়্যালস, রয়েল মাল্টি স্পোর্টস প্রাইভেট লিমিটেড (আরএমপিএল), রাজস্থান স্পোর্টস কাউন্সিল এবং বিসিসিআই-এর সুনাম এবং বিশ্বাসের জায়গায় গুরুতর আঘাত এনেছে। এসব ক্রিকেটের বিশুদ্ধতাকেও কলঙ্কিত করে।’
রাজস্থানের বিরুদ্ধে ম্যাচ পাতানোর অভিযোগ নতুন কিছু নয়। ২০১৩ সালে শ্রীশান্তসহ আরও দুই ক্রিকেটার ফিক্সিংয়ের দায়ে অভিযুক্ত হয়েছিলেন। তাদের নিষিদ্ধও করা হয়েছিল। শুধু তা-ই নয়, ২০১৫ সালে আইপিএল থেকে রাজস্থান রয়েলসকে দুই বছরের জন্য নিষিদ্ধ করা হয় এবং সে সময়ের ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিক রাজ ক্রুন্দাকে আজীবনের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়।



