ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে গতকাল গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে একাধিক রেকর্ড গড়েছে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। নিজেদের আইপিএল ইতিহাসে সর্বোচ্চ (২২৭) রান তাড়া করে লক্ষ্মৌ সুপার জায়ান্টসের বিপক্ষে ৬ উইকেটে জিতেছেন কোহলিরা। এই জয়ে শীর্ষ দুইয়েও জায়গা করে নিয়েছে বেঙ্গালুরু।
লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টসের মাঠে ২২৭ রানের লক্ষ্যে নেমে ৮ বল হাতে রেখে ম্যাচটা জিতে দীর্ঘ ১৭ বছরের আইপিএল ইতিহাসে অনন্য এক রেকর্ডও গড়েছে আরসিবি।
আইপিএলের আগের ১৭টি মৌসুমে কোনো দলই এক মৌসুমে অ্যাওয়ে (প্রতিপক্ষ মাঠে) ম্যাচে গ্রুপ পর্বের সবকটি ম্যাচ জিততে পারেনি। ১৮তম বারে এসে এবার কোহলিদের বেঙ্গালুরু তা-ই করে দেখিয়েছে।
জিতেশ শর্মার ৩৩ বলে অপরাজিত ৮৫ রানের বিধ্বংসী ইনিংসে চলতি মৌসুমে নিজেদের নবম জয়ের দেখা পেয়েছে বেঙ্গালুরু। এই ৯ জয়ের মধ্যে ৭টি জয়ই প্রতিপক্ষের মাঠে।
গতকাল রান তাড়া করতে নেমে বেঙ্গালুরু এক পর্যায়ে ১২৩ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলার শঙ্কায় ছিল। কিন্তু পঞ্চম উইকেটে মায়াঙ্ক আগারওয়ালকে সঙ্গে নিয়ে ৪৪ বলে ১০৭ রানের জুটি গড়ে দলকে ম্যাচ জেতান জিতেশ শর্মা।
এই জয়ে দল হিসেবে আরসিবি যেমন রেকর্ড গড়েছে, তেমনি জিতেশ শর্মা নিজের নামের পাশেও নতুন এক রেকর্ড লিখিয়েছেন। ৮৫ রানের বিধ্বংসী ইনিংসে জিতেশ মাহেদ্র সিং ধোনির ৭ বছর আগের এক রেকর্ড ভেঙেছেন জিতেশ। আইপিএলে ৬ নম্বরে বা তার নিচে নেমে রান তাড়ার ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ রানের রেকর্ডটি এর আগে ছিল ধোনির দখলে, ২০১৮ সালে বেঙ্গালুরুর বিপক্ষেই ৩৪ বলে অপরাজিত ৭০ রানের ইনিংসে চেন্নাইকে জিতিয়েছিলেন ধোনি। কাল সে রেকর্ড ভেঙে দিলেন জিতেশ।
আগামীকাল কোয়ালিফায়ারের প্রথম ম্যাচে পাঞ্জাব কিংসের মুখোমুখি হবে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু।



