সেমিফাইনালে ওঠার কাজটা আগেই সেরে রেখেছিল বাংলাদেশ ‘এ’ দল। চলমান এশিয়া কাপ রাইজিং স্টারসে গ্রুপ পর্বে নিজেদের প্রথম দুই ম্যাচে বড় ব্যবধানে জিতে শেষ চারে এক পা দিয়ে রেখেছিলেন আকবর আলীরা। সে কারণে শ্রীলঙ্কা ‘এ’ দলের বিপক্ষে গতকাল বুধবারের ম্যাচটা নিয়ে তেমন চাপ ছিল না বাংলাদেশের।
তবে জয়ের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা কিংবা আত্মবিশ্বাস ঠিক রাখতে ম্যাচটা গুরুত্বপূর্ণই ছিল। কিন্তু গ্রুপপর্বের শেষটা ভালো হয়নি বাংলাদেশের। গতকাল শ্রীলঙ্কার কাছে ৬ রানে হেরেছেন আকবর আলীরা।
এ হারেও গ্রুপসেরা হয়ে সেমিফাইনালে উঠেছে বাংলাদেশ। ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে আকবর-হাবিবুর সোহানদের প্রতিপক্ষ ভারত। টুর্নামেন্টের অন্য সেমিফাইনালে পাকিস্তানের বিপক্ষে লড়বে শ্রীলঙ্কা।
দোহার ওয়েস্ট এন্ড পার্ক ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আগে ব্যাটিং করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৫৯ রান তুলেছিল লঙ্কানরা। জবাবে ৪ উইকেট হাতে থাকলে শেষ পর্যন্ত ১৫৩ রানে পৌঁছাতে পারে বাংলাদেশ।
গতকাল শ্রীলঙ্কার জয়ের নায়ক সাহান আরাচ্চিগে। বলতে গেলে ব্যাট হাতে একাই টেনেছেন লঙ্কান ইনিংস। ৪৯ বলে ৫ চার ও ৩ ছক্কায় দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৬৯ রান করেছেন। লঙ্কানদের হয়ে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৩ রান করেছেন দুনিথ ওয়েল্লাগে।
বাংলাদেশি বোলারদের মধ্যে ২টি করে উইকেট নিয়েছেন রিপন মণ্ডল ও আবু হায়দার রনি। আর একটি করে উইকেট শিকার করেছেন রাকিবুল হাসান ও আবদুল গফ্ফার সাকলাইন।
১৬০ রানের লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা অবশ্য ভালোই হয়েছিল বাংলাদেশের। দুই ওপেনার হাবিবুর রহমান সোহান ও জিসান আলমের সৌজন্যে প্রথম ৩ ওভারে ২৯ রান পায় বাংলাদেশ। তবে পরের ওভারের প্রথম বলে আউট হন ১৪ বলে ২৭ রান করা সোহান।
আরেক ওপেনার জিসান আলম (১৭) যখন আউট হলেন, তখন বাংলাদেশের স্কোরবোর্ডে ৬.৩ ওভারে ৬০ রান। মিডল অর্ডারে জাওয়াদ আবরার ও আকবর আলী দুজনেই ওয়ানডে সুলভ ইনিংস খেলেছেন। জাওয়াদ ২৩ বলে ২৫ ও আকবর ২৬ বলে ২৫ রান করেছেন। হাত খোলার আগেই ড্রেসিংরুমের পথ ধরেছেন দুজনে। পাঁচে নামা মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন (৮) দুই অঙ্কই ছুঁতে পারেননি।
শেষ চার ওভারে বাংলাদেশের জয়ের জন্য ৪০ রান দরকার ছিল। কিন্তু উইকেটে থাকা ইয়াসির আলী (২০) ও মেহেরব (১৬) সমীকরণ মেলাতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত জয় থেকে ৬ রান দূরে থামে বাংলাদেশের ইনিংস।



