সর্বশেষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সেমিফাইনালে খেলে ইতিহাস গড়েছে আফগানিস্তান। এবার কী করবে, তা ভবিষ্যৎ বলবে। তবে কেমন করতে পারে, সে বিশ্লেষণের সুযোগ এখনই করে দিয়েছে আফগানিস্তানের ক্রিকেট বোর্ড। ভারত ও শ্রীলঙ্কার যৌথ আয়োজনে আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হতে যাওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য দুই মাস আগেই আজ চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণা করে দিয়েছে আফগানিস্তান।
এই স্কোয়াড নিয়েই ওয়েস্ট ইন্ডিজের সঙ্গে আগামী ১৯ জানুয়ারি থেকে শুরু হতে যাওয়া তিন টি-টোয়েন্টির সিরিজও খেলবে আফগানিস্তান।
আফগানিস্তানের আগে ভারত গত ২০ ডিসেম্বর তাদের ১৫ সদস্যের চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণা করেছে। ওমানও চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণা করেছে। শ্রীলঙ্কা ও ইংল্যান্ড ঘোষণা করেছে প্রাথমিক স্কোয়াড।
আইসিসির নির্দেশনা অনুযায়ী আগামী ৮ জানুয়ারির মধ্যে সব দলকে তাদের প্রাথমিক স্কোয়াড জমা দিতে হবে। তবে আগামী ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত দলে অদলবদল করা যাবে।
তা আফগানিস্তানের দলে বিশেষত্ব কী? লেগ স্পিনার রাশিদ খান অধিনায়ক, সহ-অধিনায়ক ইব্রাহিম জাদরান। গত সেপ্টেম্বরে এশিয়া কাপে খেলতে না পারা নাভিন-উল-হক ফিরছেন কাঁধের চোট কাটিয়ে। পেসার ফজলহক ফারুকি ও অলরাউন্ডার গুলবাদিন নাইব ফিরেছেন। অফ স্পিনার মুজিব উর রেহমান ও পেসার নাভিন-উল-হকও আছেন দলে। চমক হতে পারে এটি যে, মুজিব মূল দলে থাকায় বাদ পড়েছেন আরেক স্পিনার আল্লাহ গাজনাফার, তাঁর জায়গা হয়েছে রিজার্ভ তালিকায়।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আফগানিস্তান দল
রাশিদ খান (অধিনায়ক), ইব্রাহিম জাদরান (সহ-অধিনায়ক), রাহমানউল্লাহ গুরবাজ (উইকেটকিপার), মোহাম্মদ ইসহাক (উইকেটকিপার), সেদিকউল্লাহ আতাল, দারউইশ রাসুলি, শহীদুল্লাহ কামাল, আজমাতউল্লাহ ওমারজাই, গুলবাদিন নাইব, মোহাম্মদ নাবি, নুর আহমেদ, মুজিব উর রেহমান, নাভিন-উল-হক, ফজলহক ফারুকি এবং আবদুল্লাহ আহমাদজাই।
রিজার্ভ: আল্লাহ গাজনাফর, ইজাজ আহমাদজাই ও জিয়া উর রহমান শারাফি।



