বিশ্বকাপ জয়ের পর গুরুতর এক অভিযোগ উঠেছে ভারতের অলরাউন্ডার হার্দিক পান্ডিয়ার নামে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ের পর ভারতীয় দলের ম্যাচ পরবর্তী উদযাপনের সময় জাতীয় পতাকা অবমাননার অভিযোগ উঠেছে পান্ডিয়ার বিরুদ্ধে।
ভারতীয় এই অলরাউন্ডারের বিরুদ্ধে পুনের শিবাজিনগর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন এক আইনজীবি।
গত ৮ মার্চ আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে নিউজিল্যান্ডকে হারানোর পর ভারতের উদযাপনের সময় এই ঘটনা ঘটে। অভিযোগে বলা হয়েছে, উদযাপনের সময় মাঠে পান্ডিয়া ভারতীয় তেরঙা পতাকাটিকে যথাযথ সম্মান দেখাননি।
অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, উদযাপনের সময় পান্ডিয়া জাতীয় পতাকাটি শরীরে জড়িয়ে অনুপযুক্ত আচরণ করেছিলেন। এই ধরনের আচরণ জাতীয় পতাকার প্রতি অসম্মান প্রদর্শনের শামিল এবং এ বিষয়ে প্রযোজ্য আইনের আওতায় ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
অভিযোগকারী আইনজীবী ওয়াজিদ খান বলেন, ‘এই কাজটি আইন অনুযায়ী একটি অপরাধ এবং এর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। জাতীয় পতাকার মর্যাদা রক্ষা করা প্রতিটি নাগরিকের দায়িত্ব।’
সংশ্লিষ্ট আইনজীবীর দাবি, উদযাপনের সময় পান্ডিয়া একাধিকবার ভারতীয় পতাকার প্রতি অসম্মান দেখিয়েছেন। তাঁর দাবি অনুযায়ী, হার্দিককে মাঠে নাচতে ও এদিক-সেদিক ঘোরাঘুরি করতে দেখা গেছে। এমনকি হার্দিক তাঁর বাগদত্তা মাহেইকা শর্মার সঙ্গে মঞ্চে শুয়ে ছিলেন এবং সে সময় তাঁর কাঁধে জাতীয় পতাকা জড়ানো ছিল বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ আছে।
হার্দিক তাঁর বান্ধবীকে সঙ্গে নিয়ে পতাকাকে অসম্মান করার মতো কাজ করেছেন জানিয়ে ওয়াজিদ খান বলেন, ‘আপনারা নিশ্চয়ই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ দেখেছেন। হার্দিক পান্ডিয়া জয়ের উদযাপনে তাঁর বান্ধবীর সঙ্গে নাচছিলেন। জাতীয় পতাকাটি তার পিঠে বাঁধা ছিল… ১৯৭১ সালের জাতীয় পতাকা আইনের ধারা ২ অনুযায়ী আমাদের জাতীয় পতাকার মর্যাদা রক্ষা করা উচিত। কিন্তু হার্দিক পান্ডিয়া বিজয়ের আনন্দে এতটাই মেতে ছিলেন যে তিনি তাঁর বান্ধবীর সঙ্গে জাতীয় পতাকা জড়িয়ে শুয়ে ছিলেন… আমার মতে এটি জাতীয় পতাকার অপমান।’
পুনের শিবাজিনগর থানার এক পুলিশ কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন যে অভিযোগটি থানায় জমা দেওয়া হয়েছে। তবে এ বিষয়ে কী ধরনের আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে সে বিষয়ে এখনও বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।



