ইউরোপের শীর্ষ লীগ ছেড়ে যখন তুরস্কের লিগে গিয়েছিলেন তখন অনেকেই মনে করেছিলেন আলোচনার বাইরে চলে যাবেন জোসে মরিনিও। কিন্তু ফেনারবাচের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে মরিনিও যেন সংবাদের শিরোনামের মধ্যমণি হয়ে উঠেছিলেন। কখনো প্রতিপক্ষের কোচের নাক টেনে দেওয়া, কখনো প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়দের নিয়ে বর্ণবাদী মন্তব্য, রেফারির বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ- আলোচনায় থাকার মতো এমন অসংখ্য কাজ করেছেন ফেনারবাচের দায়িত্বকালে।
তবে এবার ভিন্ন এক কারণে আলোচনায় এসেছেন পর্তুগিজ এই কোচ। তুরস্কের ক্লাব ফেনারবাচের কোচের দায়িত্ব হারিয়েছেন মরিনিও। আজ এক বিবৃতিতে ফেনারবাচ পর্তুগিজ এই কোচের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার ঘোষণা দিয়েছে।
গতকাল (বৃহস্পতিবার) রাতে চ্যাম্পিয়নস লিগের ড্র অনুষ্ঠিত হয়েছে। আর সেখানে ছিল না তুরস্কের ক্লাব ফেনারবাচ। মূলত চ্যাম্পিয়নস লিগের মূল পর্বে ফেনারবাচ না উঠতে পারায় মরিনিও চাকরি হারিয়েছেন।
বুধবার রাতে প্লে-অফে বেনফিকার কাছে ১-০ গোলে হেরে চ্যাম্পিয়নস লিগে খেলার স্বপ্ন ভেঙে যায় ফেনারবাচের।
মরিনিওর সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার ব্যাপারে তুরস্কের ক্লাব এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘আমরা জোসে মরিনিওর সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেছি, যিনি ২০২৪-২০২৫ মৌসুম থেকে আমাদের পেশাদার এ দলের প্রধান কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। আমাদের দলের হয়ে তাঁর কাজের জন্য আমরা তাঁকে ধন্যবাদ জানাই এবং তাঁর ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ারের জন্য সাফল্য কামনা করি।’
চেলসি, রেয়াল মাদ্রিদ, ইন্তের মিলানো, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, টটেনহ্যাম হটস্পার এবং রোমার সাবেক এই কোচ ২০২৪ সালের জুনে ফেনারবাচের দায়িত্ব নেন। এরপর গেল মৌসুমে ফেনারবাচের শিরোপা খরা কাটানোর প্রায় দ্বারপ্রান্তে চলে গিয়েছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত গত মৌসুমে গ্যালাতাসারাইয়ের পেছনে থেকে দ্বিতীয় স্থানেই লিগ শেষ করেন মরিনিওর শিষ্যরা।
৬২ বছর বয়সী এই কোচের পরবর্তী গন্তব্য কোথায় হবে তা এখনো জানা যায়নি।



