সেরা কোচ, সেরা খেলোয়াড় নিয়েও কেন হারল ব্রাজিল?

আপডেট : ০৬ জুলাই ২০২৬, ১০:৫১ পিএম

বিশ্বকাপে ব্রাজিলের আরও একটি হেক্সা মিশনের সলিল সমাধি হলো রোববার নিউজার্সির মেটলাইট স্টেডিয়ামে। আরলিং হলান্ডের জোড়া গোলে নরওয়ের কাছে ২-১ ব্যবধানে হেরে বিশ্বকাপের এবারের আসর থেকে বিদায় নিল কার্লো আনচেলত্তির ব্রাজিল। আর এরই সাথে হেক্সা জয়ের অপেক্ষাটা ২৪ বছর থেকে দীর্ঘায়িত হয়ে অন্তত ২৮ বছরে পৌঁছাবে।

ডাগআউটে কার্লো আনচেলত্তির মতো একজন মাস্টারমাইন্ড কোচ, মাঠে ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, গ্যাব্রিয়েল, কাসেমিরো, এলিসনদের মতো ক্লাব ফুটবলের তাবড় সব তারকা খেলোয়াড়, সাথে এনড্রিক, রায়ানদের মতো উঠতি তারকা, আর তাঁদের পাশে নেইমারের মতো লিজেন্ড- প্রশ্ন হচ্ছে, এত শক্তি নিয়েও কেন হারতে হলো ব্রাজিলকে? কোথায় ভুল ছিল? কোচের কৌশলে, নাকি অন্য কোথাও? চলুন এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজে দেখা যাক। 

শুধুই একটি পরাজয় নাকি মহাবিপর্যয়

দুটো তথ্য দিয়ে আলোচনা শুরু করা যাক। ১৯৯০'র পর এই প্রথম বিশ্বকাপের রাউন্ড অব ১৬ বা শেষ ষোলো থেকেই বাড়ি ফিরতে হচ্ছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলকে। আর ২০০২ সালের পর এখন পর্যন্ত প্রতিটি বিশ্বকাপেই সেলেসাওরা নকআউট রাউন্ডে বিদায় নিয়েছে কোনো না কোনো ইউরোপিয়ান দলের কাছে হেরে। এবারও সেই ইউরোপিয়ান জুজু কাটল না।

এই দুটো তথ্যই বলে দিচ্ছে, জোগো বনিতো বা সুন্দর ফুটবলের দেশ ব্রাজিলের সমস্যাটা পুরোনো, কিন্তু সমাধানের পথটা ক্রমশই যেন আরও পিচ্ছিল হয়ে উঠছে। তাই দীর্ঘ ২৮ বছর পর বিশ্বকাপে ফেরা নরওয়ের কাছে এই হার কেবল একটি পরাজয় নয়, এটি ব্রাজিলিয়ান ফুটবলের আরও একটি মহাবিপর্যয়ের আখ্যান।

আনচেলত্তির অতি-রক্ষনাত্মক কৌশল

এই বিপর্যয়ের নেপথ্যের কারণগুলো খুঁজতে গেলে প্রথমেই চলে আসে নরওয়ে ম্যাচে কোচ কার্লো আনচেলত্তির অতি-রক্ষণাত্মক কৌশলের কথা। ব্রাজিল সাধারণত বল পজেশন ধরে রেখে খেলতেই অভ্যস্ত। রাউন্ড অব ৩২ পর্যন্ত ৪ ম্যাচের প্রতিটিতেই ব্রাজিল বল পজেশনে আধিপত্য দেখিয়েছে। এমনকি মরক্কোর বিপক্ষে ড্র করা প্রথম ম্যাচেও বলের নিয়ন্ত্রণ ব্রাজিলের কাছেই বেশি ছিল। 

হ্যাঁ এটা ঠিক, বল পজেশন ধরে রাখার অর্থই ম্যাচে আধিপত্য বিস্তার করা নয়। অনেক দলই বলের পজেশনের চেয়ে বরং কুইক ট্রানজিশনে কাউন্টার-অ্যাটাকে যেতেই বেশি স্বচ্ছন্দ্যবোধ করে। নরওয়ের এই দলটাই তাঁর বড় উদাহরণ। কিন্তু ব্রাজিল কি ঠিক এই ব্র্যান্ডের ফুটবল খেলে?

নরওয়ের বিপক্ষে ব্রাজিলের বল পজেশন ছিল মাত্র ৩৪ শতাংশ। সবশেষ কবে ব্রাজিল এত কম বল পজেশন নিয়ে ম্যাচ শেষ করেছে সেটা খুঁজতে ঘাম ঝড়বে নিশ্চিত।

ম্যাচের শুরু থেকে ব্রাজিল নিজেদের চেনা আক্রমণাত্মক ফুটবল ছেড়ে ‘আন্ডারডগ’ বা ছোট দলের মতো খেলতে শুরু করে। বলের দখল নরওয়েকে ছেড়ে দিয়ে তাঁরা কাউন্টার-অ্যাটাক নির্ভর হয়ে উঠে। নরওয়কে প্রায় এক তৃতীয়াংশ বলের পজেশন দেওয়ার অর্থই হচ্ছে, অ্যাটাকিং থার্ডে হলান্ড, সরলথদের জন্য ওডেগার্ড, প্যাট্রিক বার্গদের বক্সের ভেতরে বল সাপ্লাইয়ের সময় ও সুযোগ করে দেওয়া।

ফিনিশিংয়ের অভাব

আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে একের পর এক গোলের সুযোগ তৈরি করা এবং এর মাধ্যমে প্রতিপক্ষের কাছ থেকে গোল আদায় করা- এটাই ব্রাজিলের স্বাভাবিক ফুটবল। জাপানের বিপক্ষে দ্বিতীয়ার্ধে বক্সের ভেতরে নিজেদের খেলোয়াড় সংখ্যা বাড়িয়ে এটাই করে দেখিয়েছে সেলেসাওরা। অথচ ‘প্র্যাগমেটিক ফুটবলের’ দোহাই দিয়ে নরওয়ের বিপক্ষে তাঁরা বল পজেশন কম রেখে খেলার কৌশলে গেল। কিন্তু এই কৌশলে খেলার প্রথম শর্তই হচ্ছে, ক্লিনিক্যাল ফিনিশিং। এই ম্যাচে সেটা কি ছিল ব্রাজিলের?

ম্যাচের ১৩ মিনিটে পেনাল্টি মিস করেন ব্রুনো গিমারায়েস। তার দুর্বল শট চমৎকারভাবে রুখে দেন নরওয়েজিয়ান গোলরক্ষক অরজান ন্যুল্যান্ড। ভিনিসিয়ুসের পরিবর্তে ব্রুনোর পেনাল্টি নেওয়ার সিদ্ধান্তটি যদি কোচের হয়ে থাকে, তবে এটাও প্রশ্নবিদ্ধ হবে নিশ্চিত। 

এছাড়া দ্বিতীয়ার্ধে মাঠে নামার ৫২ সেকেন্ডের মধ্যে এনড্রিক ভিনি’র দুর্দান্ত এক পাস ধরে গোলকিপারকে একা পেয়েও (ওয়ান-অন-ওয়ান অবস্থায়) গোল করতে ব্যর্থ হন ভুল টাচের কারণে। এছাড়া পুরো ম্যাচে ভিনি, মার্তিনেল্লি, ব্রুনোদের বক্সের ভেতরে বেশ ক’বার হতাশ করেছেন নরওয়ের গোলকিপার ওরইয়ান নিলান্ড।

ব্রাজিল প্রথমার্ধে কম বল পজেশন নিয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ রাখলেও ফিনিশিংয়ের অভাবে গোলটা পায়নি- যেটা হলে দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের চিত্রটা ভিন্ন হতে পারতো।

পাকেতার অনুপস্থিতি 

মিডফিল্ডার লুকাস পাকেতার অনুপস্থিতিও বেশ ভুগিয়েছে ব্রাজিলকে। তাঁর জায়গায় খেলা গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লির ওয়ার্করেট, আক্রমণে অবদান নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। তাঁর বাড়ানো পাসেই পেনাল্টি আদায় করে নেয় কুনিয়া। এছাড়া প্রথমার্ধে অ্যাটাকিং থার্ডে কুনিয়া ও ভিনির সাথে মার্তিনেল্লির অনবরত পজিশন রোটেট করার কৌশলটাও বেশ কাজে দিয়েছে। কেননা এতে করে তাঁদের তিনজনকে মার্ক করা বেশ কষ্টসাধ্য হয়েছে নরওয়ের জন্য।

কিন্তু মার্তিনেল্লির ডিরেক্ট, ভার্টিক্যাল ফুটবল আক্রমণে অবদান রাখলেও মাঝমাঠে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে ততটা কার্যকর হয়নি, যেমনটা পাকেতা করে থাকেন। মাঝমাঠে বল হোল্ড করে খেলার ক্ষেত্রে পাকেতার সাথে কাসেমিরো ও ব্রুনো গিমারায়েসের যে কেমিস্ট্রি সেটার বেশ অভাব দেখা গেছে।

ব্রাজিল দল হয়ে উঠতে পারেনি

পাঁচ পাঁচটি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জেতা কোচ কার্লো আনচেলত্তির অধীনে ভিনিসিয়ুস, গ্যাব্রিয়েল, ক্যাসিমিরো, ব্রুনো গিমারায়েসরা কী মাঠে একটি ইউনিট হিসেবে খেলতে পেরেছে? নরওয়ের কাছে পরাজয়ের পর এই প্রশ্নটি আরও বড় হয়ে উঠেছে। ম্যাচে ভিনিসিয়ুস, মার্তিনেল্লিদের ব্যক্তিগত দক্ষতার প্রমাণ মিললেও দল হিসেবে ব্রাজিলের পারফরম্যান্স ছিল সাদামাটা।

বিশেষ করে দলগতভাবে একজোট হয়ে প্রেস করে বলের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার মতো মুভ নরওয়ের বিপক্ষে সেভাবে চোখে পড়েনি। ম্যাচে নরওয়ের এত বেশি বল পজেশনের এটাও একটা গুরুত্বপূর্ণ কারণ। দলগত পারফরম্যান্সের অভাব যে একক দক্ষতা বা ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স দিয়ে পূরণ করা যায় না, এই ম্যাচে ব্রাজিলের সার্বিক পারফরম্যান্স সেটাই আরও একবার প্রমাণ করেছে।

নেইমারকে নামানো কতটা যৌক্তিক?

নেইমার ব্রাজিলের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলস্কোরার। একজন লিজেন্ড। কিন্তু নরওয়ের বিপক্ষে ম্যাচের ৬৭ মিনিটে ফলাফল যখন গোলশূন্য তখন নেইমারকে খেলানোর সিদ্ধান্ত কতটা যৌক্তিক ছিল? বিশেষ করে সেই ম্যাচে যেখানে ব্রাজিলের বল পজেশন মাত্র এক তৃতীয়াংশ? 

ব্রাজিলের এবারের বিশ্বকাপ মিশনে এটা ওপেন সিক্রেট যে, এই টুর্নামেন্টে তাঁরা যে সিস্টেমে খেলছে সেখানে নেইমারকে খেলানোর অর্থই হচ্ছে, দলের ডিফেন্সিভ শেপ নষ্ট করা এবং মাঝমাঠে ফাটল ধরা। অর্থাৎ, তাঁকে খেলাতে হলে দলের সিস্টেমেই পরিবর্তন আনতে হবে। 

আনচেলত্তি ৪-১-২-৩ ফরমেশনে মাতেউস কুনিয়াকে ফলস নাইনের ভূমিকায় খেলিয়ে ভিনিসিয়ুসের কাছ থেকে সেরাটা আদায় করেছেন এই টুর্নামেন্টেই। এক্ষেত্রে কৌশলটা হচ্ছে, কুনিয়া নিচে নেমে ভিনিসিয়ুসের জন্য অ্যাটাকিং থার্ডে স্পেস তৈরি করে দেন এবং মিডফিল্ডে বলের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পেতে ব্রুনো, কাসেমিরোদের সহায়তা করেন।  

কিন্তু নেইমারকে মাঠে ফ্রি রোলে খেলানোর অর্থ হচ্ছে, ভিনিসিয়ুসকে ট্রাকব্যাক করে নিচে নেমে ডিফেন্সিভ লোড নিতে হবে। সেক্ষেত্রে অ্যাটাকিং থার্ডে ভিনি’র উপস্থিতি অনেকটাই কমে যাবে এবং দলের আক্রমণে ধার কমবে। আর তাই ইমারজেন্সি পরিস্থিতি ছাড়া, বা ম্যাচ এক্সট্রা টাইমে না গেলে, নেইমারকে খেলানোর সম্ভাবনা কম, এমনটাই জাপান ম্যাচে ব্রাজিলের কৌশল ছিল। 

নরওয়ের বিপক্ষে নেইমারকে নামানোর কারণে একসাথে দুটো পরিবর্তন নিতে বাধ্য হন কোচ। মার্তিনেল্লির পরিবর্তে নেইমার এবং রায়ানের বদলি হিসেবে মাঠে আসেন দানিলো সান্তোস। কিন্তু তাতেও কাজের কাজ কিছু হয়নি। অফ দ্য বল সিচুয়েশনে এক প্রান্তে ভিনিকে এবং অপর প্রান্তে এনড্রিককে নিচে নেমে ডিফেন্সিভ লোড নিতে হয়েছে। আর তাতে একদিকে যেমন মাঝমাঠে ফাটল স্পষ্ট হয়েছে, অপরদিকে আক্রমণেও ধার কমেছে ব্রাজিলের।

আন্তর্জাতিক ফুটবলকে গোল করেই বিদায় জানিয়েছেন নেইমার। কিন্তু ম্যাচে যেটুকু সময় খেলেছেন সেখানে ২১ বার বল টাচ করে ৯ বারই বলের পজেশন হারিয়েছেন তিনি। আর তাঁর দুটি শটের মধ্যে একটি ছিল অন-টার্গেট। সার্বিকভাবে ম্যাচের ওই মুহূর্তে নেইমারকে খেলানোর বাজিটা আনচেলত্তির কতটা সঠিক ছিল, সে প্রশ্ন উঠবেই।  

আরলিং হলান্ড: দ্য নরওয়েজিয়ান মনস্টার

তবে ম্যাচে দু’দলের মধ্যে পার্থক্য গড়ে দিয়েছেন একজনই। নরওয়েজিয়ান গোলমেশিন আরলিং হলান্ড। পুরো ম্যাচে তিনি শট নিয়েছেন ৪টি, অন টার্গেটে ছিল ৩টি, এর মধ্য থেকেই গোল করেছেন ২টি। আর তাতেই বিদায় পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। আদর্শ নাম্বার নাইন হয়ে উঠার ক্লাসে একেবারে আদর্শ উদাহরণ হতে পারেন এই ম্যান সিটি তারকা।

এ নিয়ে নরওয়ের হয়ে টানা ১৪ ম্যাচে গোল পেলেন হলান্ড। আর এই ১৪ ম্যাচে তাঁর গোলসংখ্যা ২৭। সংখ্যাটা যেকারো চোখ কপালে তোলার জন্য যথেষ্ট। ম্যাচের ৭৮ মিনিটে শিয়েলদারুপের ক্রস থেকে ব্রাজিলের ডিফেন্ডার গ্যাব্রিয়েল মাগালহায়েসকে পরাস্ত করে এক বুলেট হেডারে গোল করেন হলান্ড। আর ৮৯ মিনিটে ব্রাজিলের ডিফেন্সের ভুলে বক্সের বাইরে থেকে এক বাঁ-পায়ের রকেটে লক্ষ্যভেদ করে ব্রাজিলের বিদায় ঘণ্টা বাজিয়ে দেন তিনি। এই টুর্নামেন্টে এটি হলান্ডের সপ্তম গোল।

এছাড়া ব্রাজিল যখন একের পর এক সুযোগ নষ্ট করছে, তখন ডাগআউটে মাস্টারস্ট্রোক খেলেন কোচ স্তেল সোলবাকেন। দ্বিতীয়ার্ধে অস্কার বব এবং উইঙ্গার আন্দ্রেয়াস শিয়েলদারুপকে মাঠে নামিয়ে ম্যাচের গতি বদলে দেন তিনি। 

নেইমারের বিদায়ের সাথে সাথে ব্রাজিলের একটি সোনালী অধ্যায়ের করুণ অবসান ঘটল। এখন দেখার বিষয়, এই ধাক্কা সামলে ভিনিসিয়ুস-এনড্রিকদের নতুন প্রজন্ম ব্রাজিলকে আবার তাদের চেনা সিংহাসনে ফেরাতে পারেন কি না। নিজেদের সোনালী অতীত ফিরে পাওয়ার চ্যালেঞ্জে ব্রাজিল কি তাঁদের প্রথম বিদেশি কোচ কার্লো আনচেলত্তির ওপরই আস্থা রাখবে, নাকি নতুন কাউকে খুঁজে নেবে- সেটাও এক বড় প্রশ্ন।

বিশ্বকাপে লাল কার্ড বিতর্ক এখন শিরোনামে। যুক্তরাষ্ট্রের তারকা বালোগানের নিষেধাজ্ঞা স্থগিতের সিদ্ধান্তে প্রশ্নের মুখে ফিফা। ট্রাম্পের হস্তক্ষেপে এই রায়, জানিয়েছে গণমাধ্যম। নিরপেক্ষতা প্রসঙ্গে ফিফার...
জুড বেলিংহামের জোড়া গোলে মেক্সিকোকে ৩-২ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করলো ইংল্যান্ড। মেক্সিকো সিটি স্টেডিয়ামে টান টান উত্তেজনার ম্যাচে শেষ হাসি থ্রি লায়ন্সের।
প্রতিভা আর দক্ষতায় মেসি-রোনালদোর যুগের পর যে নেইমারকে শাসক হিসেবে মনে করা হচ্ছিল, সেই নেইমারকে বারবার থামিয়েছে চোট। ২০১৪ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে কলম্বিয়ার বিপক্ষে পাওয়া চোটে ফুটবল ক্যারিয়ারই...
ফুটবল বিশ্বকাপে রাতে বড় ম্যাচ। শেষ ষোলোতে মুখোমুখি হবে পর্তুগাল ও স্পেন। ইউরোপের এ দুই দলই আসরের অন্যতম ফেভারিট। শক্তিতে সমানে সমান। রোমাঞ্চকর এ লড়াই শুরু হবে রাত ১টায়।
সাভারে এনসিপির পদযাত্রার সমাবেশস্থলে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে এনসিপির শীর্ষ পর্যায়ের কেউ আহত না হলেও সমাবেশস্থলে উপস্থিত অন্তত ৫ জন আহত হয়েছে বলে জানা গেছে।
চলতি বিশ্বকাপ আসর থেকে ব্রাজিলের বিদায়ে হতাশ বিশ্বের কোটি ভক্ত। হতাশ বাংলাদেশি ভক্তরাও। এই বাস্তবতায় বাংলাদেশি ভক্তদের উদ্দেশে বিশেষ বার্তা দিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত ব্রাজিলের রাষ্ট্রদূত পাওলো এফ. ডি....
হতশ্রী ব্যাটিংয়ে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে মাত্র ১৪১ রান তাড়া করতে পারেনি বাংলাদেশ। হারারেতে প্রথম ওডিআইতে ২৫ রানে হার। সাত ব্যাটার আউট এক অঙ্কে, তাতে গুটিয়েছে ১১৬ রানে। এর আগে নাহিদ রানার বোলিং তোপে...
আজ সন্ধ্যার পর মাদারীপুর সদর উপজেলার লক্ষীগঞ্জ এলাকায় অভিযান চালায় গোয়েন্দা পুলিশ। অভিযানের সময় পারভেজকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তার ফেলে যাওয়া ৩০০টি ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। তবে এ সময় বোমা...
লোডিং...

এলাকার খবর