ম্যাচের ৬২ মিনিটে সতীর্থ রদ্রিগো দে পলের সঙ্গে বল দেওয়া-নেওয়া করে বক্সের বাইরে থেকে দারুণ এক গোল করেন লিওনেল মেসি। ন্যাশভিলের বিপক্ষে ইন্টার মায়ামি এগিয়ে যায় ২-১ ব্যবধানে। নির্ধারিত সময় শেষেও স্কোরলাইন একই ছিল। মনে হয়েছিল, ম্যাচটা জিততে যাচ্ছে মায়ামি। কিন্তু যোগ করা সময়ে গোল করে বসেন ন্যাশভিলের স্যাম সারিডজ। এতে ২-২ ড্রতে শেষ হয় ম্যাচ।
অবশ্য ম্যাচের শুরুতে (৪র্থ মিনিটে) সারিডজের গোলে এগিয়ে গিয়েছিল ন্যাশভিলে। তবে ১৯ মিনিটে মেসির দারুণ এক কর্নারে নাশভিলের রিড বেকার-হোয়াইটিংয়ের মাথায় লেগে বল নিজেদের জালে জড়ায়। মেসির কর্নারে আত্মঘাতী গোল কিংবা নিজের দুর্দান্ত গোল—কোনোটিই মায়ামিকে পূর্ণ তিন পয়েন্ট এনে দিতে পারেনি।
এ ড্রতে ২৫ ম্যাচে ৪৫ পয়েন্ট নিয়ে এমএলএস ইস্টার্ন কনফারেন্সে দ্বিতীয় স্থানেই থাকল মায়ামি। আর সমান ম্যাচে ৫৪ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে ন্যাশভিলে।
বাংলাদেশ সময় আজ সকালে হওয়া এ ম্যাচটিসহ এবারের মৌসুমে ঘরের মাঠে জয়ের অবস্থান থেকে ১১ পয়েন্ট হারিয়েছে মায়ামি। বারবার জয়বঞ্চিত হওয়া প্রসঙ্গে মায়ামি ডিফেন্ডার ফাকুন্দো মুরা বলেছেন, ‘অবশ্যই হতাশ লাগছে। মনে হচ্ছিল, আমরা ম্যাচের সেরা দল ছিলাম। কিন্তু শেষ মুহূর্তে আমাদের কাছ থেকে তিন পয়েন্ট ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে। তবে এটাও সত্যি, দল বলের দখল ধরে রাখতে পেরেছে এবং বেশ কিছু গোলের সুযোগ তৈরি করেছে।’
এ ড্রয়ের ফলে মায়ামির জন্য পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে গেল। ইস্টার্ন কনফারেন্সের শীর্ষস্থান এবং সাপোর্টার্স শিল্ড—দুই লড়াইয়েই নাশভিলের চেয়ে ৯ পয়েন্ট পিছিয়ে মায়ামি। দুই দলেরই হাতে আছে আর ৯টি করে ম্যাচ। এদিকে ক্রিস্তিয়ান ‘কিলি’ গনসালেসের আনুষ্ঠানিকভাবে কোচের দায়িত্ব নেওয়ার অপেক্ষায় থাকা মায়ামি সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে নিজেদের সর্বশেষ ৯ ম্যাচে মাত্র একটিতে জিতেছে।



