ভেনেজুয়েলার মাদুরো সরকারের ওপর চাপ অব্যাহত রেখেছে আমেরিকা। মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নতুন করে ঘোষণা দিয়েছেন, ভেনেজুয়েলায় যাতায়াতকারী সকল নিষিদ্ধ তেলবাহী ট্যাংকারকে সম্পূর্ণ ও সর্বাত্মক অবরোধ করা হবে।
ভেনেজুয়েলার শাসকদলকে বিদেশি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবেও আখ্যায়িত করেছেন ট্রাম্প। অন্যদিকে, দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো শান্তি ও দেশের সম্পদ রক্ষার আহ্বান জানিয়েছেন।
এর মধ্য দিয়ে আমেরিকা ও ভেনেজুয়েলার মধ্যে বিদ্যমান উত্তেজনার পারদ আরও এক ধাপ ওপরে উন্নীত হলো।
এর আগে সন্ত্রাসবাদ, মাদক ও মানব পাচারসহ নানা অভিযোগে ভেনেজুয়েলা সরকারকে বিদেশি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে অভিহিত করেন ট্রাম্প। আর এ কারণেই তেলবাহী ট্যাংকারগুলো অবরোধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
অন্যদিকে ভেনেজুয়েলা শুরু থেকেই এসব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে। মাদুরো সরকারের অভিযোগ, ভেনেজুয়েলায় মজুদ বিপুল পরিমাণ তেল ও গ্যাস সম্পদের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠাই মার্কিন নিষেধাজ্ঞার মূল উদ্দেশ্য।
এদিকে, প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো চলমান পরিস্থিতিতে ভেনেজুয়েলায় শান্তি বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন। পাশাপাশি তিনি এও বলেছেন যে, তাঁর দেশের তেল সম্পদকে মুক্ত বাণিজ্য থেকে রক্ষা করতে বিশ্বব্যাপী তেল শ্রমিকদের আন্তর্জাতিকভাবে একটি স্থায়ী প্রতিবাদ আন্দোলন গড়ে তোলা উচিত।
আমেরিকা মাদকপাচার প্রতিরোধের নামে ভেনেজুয়েলার কাছে ব্যাপক সামরিক উপস্থিতি বাড়াচ্ছে। গত সেপ্টেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত প্রশান্ত মহাসাগর ও ক্যারিবীয় সাগরে ভেনেজুয়েলার বিভিন্ন নৌযানে মার্কিন হামলায় অন্তত ৯০ জন নিহত হয়েছেন।
উল্লেখ্য, এসব হামলাকে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড উল্লেখ করে সমালোচনা করেছেন আন্তর্জাতিক আইন বিশেষজ্ঞরা।
তথ্যসূত্র: রয়টার্স



