যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফলে কেবল কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ নয়, বদলে যাচ্ছে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের শাসনামলের রাজনৈতিক গতিপথও। ট্রাম্পের ক্ষমতায় সরাসরি প্রভাব না পড়লেও, ক্ষমতাসীনরা সিনেটের নিয়ন্ত্রণ হারানোয় প্রশাসনের নীতিনির্ধারণ ও আইন প্রণয়ন প্রক্রিয়া এখন নির্ভর করছে বিরোধী দলের অনুমোদনের ওপর।
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বিপাকে পড়েছে ক্ষমতাসীন রিপাবলিকান দল। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বাকি দুই বছরের শাসনামলের গতিপথ কোনদিকে যাবে তা এখন অনেকটাই নির্ভর করছে ডেমোক্র্যাটদের অনুমোদনের ওপর।
এবারের নির্বাচনে ভোটারদের উদ্বেগের প্রধান কারণ ছিল জীবনযাত্রার ব্যয়, অভিবাসন ও গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ। ইরান যুদ্ধ এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ডেটা সেন্টার নিয়েও রাজনৈতিক বিতর্কে জড়িয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। যার প্রভাব পড়েছে ভোটের মাঠে।
ডেমোক্র্যাটরা সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ায় এবার বিতর্কিত সব ইস্যুতে ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে তদন্ত, নথি তলব এবং অভিশংসন প্রক্রিয়া শুরু করতে পারবে তারা। এমনকি আস্থা ভোটে পরাজিত হলে অভিশংসনের মাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত হতে পারেন প্রেসিডেন্ট।
এছাড়াও সিনেটের নিয়ন্ত্রণ পাওয়ায় প্রেসিডেন্টের মন্ত্রিসভা ও বিচারক নিয়োগ আটকে দেয়ারও সুযোগ পাবে ডেমোক্রেটরা। তবে বিরোধীরা উভয় কক্ষের নিয়ন্ত্রণে পেলেও তাদের যেকোন প্রস্তাবে ভেটো ক্ষমতা থাকছে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের হাতেই।


