পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় দফা ভোটগ্রহণের আগে চূড়ান্ত ব্যস্ততায় সব কটি রাজনৈতিক দল। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এখন পশ্চিমবঙ্গে রয়েছেন। রোববার তাঁর প্রথম সভা ছিল মতুয়া-অধ্যুষিত বনগাঁর ঠাকুরনগরে। উত্তর ২৪ পরগনার অন্তর্গত এই অঞ্চলে আয়োজিত সভায় মতুয়াদের নাগরিকত্ব দেওয়ার বিষয়ে আশ্বাস দেন তিনি।
এনআরসি-র পর মতুয়া-অধ্যুষিত অঞ্চল থেকে বহু মানুষের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ গিয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিভাগ থেকে আজ পর্যন্ত সমস্ত শরণার্থীর দায়িত্ব আমাদের। তাঁদের জন্য চিন্তা করা ভারতের ঐতিহাসিক দায়িত্ব। সেই জন্য মোদি এনেছে। মতুয়া, নমঃশূদ্রদের বলব—আপনাদের নাগরিকত্ব, স্থায়ী ঠিকানা, কাগজ দেওয়া হবে; সব অধিকার দেওয়া হবে যা ভারতের নাগরিকেরা পান।’
পাশাপাশি তৃণমূলকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, ‘তৃণমূল মিথ্যা প্রচার করছে। এটা থেকে সাবধান হতে হবে আপনাদের। এরা প্রকাশ্যে সিএএ-র বিরোধিতা করে। এরা কি আপনাদের ভালো চায়?’
পরে হরিপালের জনসভা থেকে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। তিনি বলেছেন, ‘নবান্ন থেকে সরকার চলে না। এই সরকার চালায় তৃণমূলের গুন্ডা-মস্তানরা। হাইকোর্ট ও সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পর সরকার কাজ করে।’
সন্দেশখালি মামলার প্রসঙ্গ টেনে মোদি বলেন, ‘তৃণমূল সরকার কেন্দ্রীয় তদন্তকারীর কাজে বাধা সৃষ্টি করছিল। প্রমাণ লোপাটের চেষ্টাও হয়। কিন্তু সুপ্রিম কোর্ট এ বিষয়ে কড়া নির্দেশ দিয়েছে।’
অন্যদিকে, অমিত শাহরও একাধিক কর্মসূচি রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে। নদীয়া জেলার রানাঘাটের জনসভা থেকে মুর্শিদাবাদের বাসিন্দা এবং ‘আম জনতা উন্নয়ন পার্টির’ হুমায়ুন কবীরকে তীব্র সমালোচনা করেন তিনি। তিনি ঘোষণা দেন যে, বাবরি মসজিদের অনুকরণে কোনো মসজিদ তিনি হতে দেবেন না।



