জ্বালানি তেলের বাজার স্থিতিশীল করতে নিজেদের কৌশলগত রিজার্ভ থেকে ১৭ কোটি ২০ লাখ ডলারের তেল অবমুক্ত ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি মন্ত্রণালয়। আগামী সপ্তাহ থেকে শুরু হয়ে এই তেল বিতরণ চলবে অন্তত ৪ মাস। বুধবার মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
এর আগে, মজুদ তেল ছাড়ের পরিকল্পনা জানায় আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা আইইএ। সংস্থাটির ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে মজুদ তেল ছাড়া হবে বলে জানানো হয়েছে। জার্মানির অর্থমন্ত্রী ক্যাথরিনা রাইখে এই পরিকল্পনার কথা নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, আইইএ’র ৩২টি সদস্য দেশকে সম্মিলিতভাবে ৪০ কোটি ব্যারেল তেল ছাড়ার অনুরোধ করা হয়েছে। এটি দেশগুলোর মোট মজুদের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ।
জাপানও তাদের তেলের মজুদ ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছে। ইরান যুদ্ধের অর্থনৈতিক প্রভাব নিয়ে জি-সেভেন নেতাদের বৈঠকে নেওয়া সিদ্ধান্তের প্রশংসা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
এদিকে, যুদ্ধের জেরে বৈশ্বিক বাজারে আবারও বেড়েছে তেলের দাম। বৃহস্পতিবার দাম ছাড়িয়েছে ব্যারেল প্রতি ১শ ডলার। মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের সাথে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে বিশ্বে তেলের দাম ব্যারেলে প্রতি ২০০ ডলার পর্যন্ত পৌঁছাবে বলে ইতোমধ্যেই হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলার মধ্য দিয়ে শুরু হয় যুদ্ধ। হামলার প্রথম দিনই নিহন হন ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। এরপর পাল্টা জবাব দেয় ইরানও। ইসরায়েলের বিভিন্ন শহরে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর পাশাপাশি ইরানের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও স্থাপনা।



