ইরানে যুদ্ধের কারণে মধ্যপ্রাচ্য প্রভাবিত হওয়ায় প্রতিদিন ৬০ কোটি ডলারের ক্ষতির মুখে পর্যটনখাত। বিশ্বজুড়ে বিমান চলাচলে নেতিবাচক প্রভাব পড়ায় বিমান ভাড়ায় বড় ধরনের ওঠা-নামা দেখা দিয়েছে বলে জানিয়েছে ওয়ার্ল্ড ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম কাউন্সিল (ডব্লিউটিটিসি)। তবে আন্তর্জাতিক পর্যটকদের আস্থা ফিরিয়ে আনতে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।
ভ্রমণপিপাসুদের বেড়াতে যাওয়ার জনপ্রিয় গন্তব্য মধ্যপ্রাচ্য। তবে ইরানে যুদ্ধের কারণে ক্ষতির মুখে পড়েছে বিশাল এই অঞ্চলের পর্যটনখাত। চলমান যুদ্ধের প্রভাবে মধ্যপ্রাচ্যের ভ্রমণ ও পর্যটন খাতে প্রতিদিন গড়ে অন্তত ৬০ কোটি ডলারের ক্ষতি হচ্ছে। এমনটাই জানিয়েছে ডব্লিউটিটিসি।
এর কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, আকাশপথে যাতায়াত ব্যাহত হওয়া, পর্যটকদের মধ্যে আস্থার সংকট এবং আঞ্চলিক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়া। বৈশ্বিক পর্যটনের পাঁচ শতাংশ এবং আন্তর্জাতিক ট্রানজিট ট্রাফিকের ১৪ শতাংশ এই অঞ্চলের ওপর দিয়ে পরিচালিত হয়।
দুবাই, আবুধাবি, দোহা এবং বাহরাইনের মতো প্রধান বিমানবন্দরগুলো দিয়ে স্বাভাবিক সময়ে প্রতিদিন প্রায় ৫ লাখ ২৬ হাজার যাত্রী যাতায়াত করে। তবে বিশ্বজুড়ে বিমান চলাচলে নেতিবাচক প্রভাব পড়ায় অনেক রুটে বিমান ভাড়ায় বড় ধরনের উঠানামা দেখা দিয়েছে।
ডব্লিউটিটিসির এক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, এ বছর আন্তর্জাতিক পর্যটকদের কাছ থেকে ২০ হাজার ৭০০ কোটি ডলার আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল। যদিও আশার বাণী শোনাচ্ছে সংস্থাটি। তারা বলছে, যে কোনো সংকটেই অতীতে দ্রুত ঘুরে দাঁড়ানোর রেকর্ড রয়েছে ভ্রমণ ও পর্যটন খাতের।
এ অবস্থায় আন্তর্জাতিক পর্যটকদের আস্থা ফিরিয়ে আনতে সঠিক তথ্যের আদান-প্রদান, সরকারি-বেসরকারি সমন্বয় এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর জোর দিয়েছে ডব্লিউটিটিসি।


