ডিসমিস ল্যাবের প্রতিবেদন

আসলের মতো করে নকল, বিবিসির এডওয়ার্ডসও কথা বলেন বাংলায়

আপডেট : ০৫ অক্টোবর ২০২৫, ০৪:১৬ পিএম

গোটা বিশ্বেই সামাজিকমাধ্যমের জয়জয়কার চলছে বহুদিন। শুধু সোশ্যাল ফ্রেন্ডদের সাথে ভাব বিনিময় বা মতবিনিময় নয়, খবরের উৎস হিসেবেও এই মাধ্যম একটি বড় অংশের কাছে জনপ্রিয়। আর এতেই হয়েছে বিপত্তি। ভুয়া খবর, অপতথ্য, মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে পড়ছে ভয়বাহভাবে। শুধু তাই নয়। এসব বানোয়াট এবং কখনো কখনো উদ্দেশ্যপ্রণোদিত তথ্য ছড়াতে মূলধারার সংবাদমাধ্যমের নাম ও লোগো ব্যবহার করা হচ্ছে, যাতে পাঠক ও দর্শকদের বিভ্রান্ত করে দুটো পয়সা আয় করা যায়। ফলে সামাজিক মাধ্যমে এখন আসলের বদলে নকলের ছড়াছড়ি বেশি।

ফেসবুক বা ইউটিউবের মতো সামাজিক মাধ্যমে বিশ্বের প্রায় সব সংবাদমাধ্যমেরই পেজ বা চ্যানেল রয়েছে। এসব চ্যানেল বা পেজ থেকে আয়ের সুযোগও রয়েছে। আর এই আয়ের সুযোগকে কাজে লাগাতেই বিভিন্ন ব্যক্তি ও গোষ্ঠী প্রতিষ্ঠিত সংবাদমাধ্যমকে নকল করে চ্যানেল ও পেজ খুলে বসছে, যেখানে ফলোয়ার ও সাবস্ক্রাইবারের সংখ্যা চমকে দেওয়ার মতো।

এই নকলের রেওয়াজ নিয়ে গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ডিসমিসল্যাব। একটি উদাহরণ দিয়ে শুরু হয়েছে প্রতিবেদনটি। সেখানে বলা হচ্ছে, বিবিসির সাংবাদিক এবং বিবিসি নিউজ অ্যাট টেন–এর সঞ্চালক হিউ এডওয়ার্ডসের কথা। তাঁর মুখে বাংলা বসিয়ে দিয়ে বিবিসির নামে কনটেন্ট চালানো হচ্ছে ইউটিউবে। যদিও তিনি ২০২৩ সালের জুনেই বিবিসি ছেড়ে গেছেন।

শুধু এই একটি ঘটনা নয়। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ইউটিউবে এমন অসংখ্য চ্যানেল রয়েছে, যা আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের নকল, যেখানে তাদের পূর্ণাঙ্গ লোগো, সঞ্চালক শুধু নয়, তাদের ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিকও ব্যবহার করা হচ্ছে। কিন্তু এ সম্পর্কিত নীতি অতটা কঠোর না হওয়ায় ইউটিউবের পক্ষে এগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া সবসময় সম্ভব হচ্ছে না। এ ধরনের কিছু কিছু চ্যানেল এমনকি ইউটিউব থেকে ভ্যারিফায়েড টিকও পেয়েছে। এসব চ্যানেলে বিজ্ঞাপনও চলছে, যার অর্থ হচ্ছে এসব চ্যানেল থেকে এগুলোর মালিকরা টাকাও আয় করছে।

পাঠক ও দর্শকনন্দিত আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের এমন ৫৮টি নকল চ্যানেল ইউটিউবে খুঁজে পেয়েছে ডিসমিসল্যাব। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি, মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন, কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল–জাজিরার নামে চালানো এসব নকল চ্যানেলের কোনো কোনোটিতে এমনকি মিলিয়নের বেশি সাবস্ক্রাইবার আছে। এসব চ্যানেলে শত শত বাংলা কনটেন্ট আপলোড করা আছে, যা এসব স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানের নামে চালিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ ধরনের ১৪টি চ্যানেল পর্যবেক্ষণ করে দেখা গেছে, এসব নকল চ্যানেলে বিবিসি, সিএনএন, আল–জাজিরার নামে ভুয়া তথ্য, অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। আপলোড হওয়া ভিডিওর থাম্বনেইলে চটকদার সব মিথ্যা তথ্য দেওয়া হচ্ছে, যা এমনকি ইউটিউবের নীতিমালার সাথেও সাংঘর্ষিক।

বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠিত সংবাদমাধ্যমের সম্পাদকদের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, এসব ভুয়া ও নকল চ্যানেল মূল এবং সত্যনিষ্ঠ সংবাদমাধ্যমগুলো থেকে দর্শককে সরিয়ে নিচ্ছে। একই সঙ্গে এই চ্যানেলগুলো সত্য ও মিথ্যার মধ্যকার সীমারেখা মুছে দিয়ে সত্য–মিথ্যা একাকার করে দিচ্ছে। এর প্রভাবে মানুষ সত্যিকারের সংবাদ প্রতিবেদনের ওপর থেকে আস্থা হারাচ্ছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, পর্যবেক্ষণাধীন ৫৮টি নকল চ্যানেলের মধ্যে শুধু বিবিসির নামেই চালানো হচ্ছে ৩৭টি। এই চ্যানেলগুলোতে গড়ে ৫৪ হাজার সাবস্ক্রাইবার রয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় চ্যানেলটির নাম—আন্তর্জাতিক সংবাদ, যা ১০ লাখের ওপর সাবস্ক্রাইবার নিয়ে ভ্যারিফায়েড সার্টিফিকেট নিয়ে বসে আছে। আরও ছয়টি চ্যানেল আছে, যারা বিবিসি স্টুডিও, তাদের গ্রাফিকস এমনকি হিউ এডওয়ার্ডসের মতো সংবাদ উপস্থাপকেরও নকল চালিয়ে দিচ্ছে। তফাৎ শুধু এই যে, এডওয়ার্ডস এসব চ্যানেলে বাংলায় সংবাদ উপস্থাপন করেন।

বিবিসির নকল চ্যানেলগুলোর মধ্যে আছে বিবিসি ওয়ার্ল্ড লাইভ, বিবিসি নিউজ ২৪, বিবিসি ওয়ার্ল্ড টিভি, বিবিসি ওয়ার্ল্ড ডেস্ক ও বিবিসি নিউজ বাংলা। এই চ্যানেলগুলো শুধু বিবিসির নামই ব্যবহার করেনি, তারা প্রতিষ্ঠানটির লোগোও ব্যবহার করছে চ্যানেলের ব্র্যান্ডিং, প্রোফাইল ছবি ও কভার ইমেজে। যদিও অনুমতি ছাড়া বিবিসির নাম ও লোগো ব্যবহার একেবারেই নিষিদ্ধ। এসবই প্রতিষ্ঠানটির নিজস্ব সম্পত্তি। নকল চ্যানেলগুলো স্পষ্টতই এই নীতি লঙ্ঘন করছে।

আর বিবিসির মতো বা তাদের নামের কাছাকাছি নাম নিয়েও চালানো হচ্ছে বেশ কিছু চ্যানেল। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য—বিএসি ওয়ার্ল্ড নিউজ, ডিবিসি ওয়ার্ল্ড নিউজ, বিডিসি ওয়ার্ল্ড নিউজ, এবিসি বাংলা নিউজ, এবিসি ইন্টারন্যাশনাল নিউজ ও এবিসি ওয়ার্ল্ড নিউজ। এই প্রতিটি চ্যানেলের লোগো ও ব্যান্ডিং স্টাইল বিবিসিকে নকল করে করা। এর মধ্যে অন্তত সাতটি নকল চ্যানেল এমনকি ইউটিউবের ভ্যারিফায়েড টিকও নকল করে তাদের চ্যানেলে এমনভাবে বসিয়েছে যে, দেখে মনে হয়—চ্যানেলটি ইউটিউব থেকেই ভ্যারিফায়েড।

এ বিষয়ে ডিসমিসল্যাব বিবিসির প্রেস কার্যালয়ের সাথে যোগাযোগ করলে তারা জানায়, বিবিসি ও বিবিসি বাংলার নামে চালানো বিভিন্ন ওয়েবসাইট, সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট, ইউটিউব চ্যানেলের বিরুদ্ধে এর আগে তারা আইনি ব্যবস্থা নিয়েছিল। কিন্তু এসব বন্ধ হয়নি।

বিবিসির বাইরে সিএনএনের নামেও বেশ কিছু নকল বেরিয়েছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যমটিকে নকল করে ইউটিউবে খোলা হয়েছে সিএনএন বাংলা ২৪, সিএনএন বাংলাদেশ নামের চ্যানেল, যারা নিয়মিত ভিডিও আপলোড করছে। ২০২২ সালে সিএনএন বাংলা টিভি নিউজ নামের একটি চ্যানেলের বিরুদ্ধে লোগো ব্যবহারের কারণে মামলাও করেছিল সিএনএন। প্রাথমিক শুনানির পর সিএনএনের লোগোর এমন ব্যবহারে আদালত সাময়িক নিষেধাজ্ঞা দেন। কিন্তু সিএনএন বাংলা টিভির কার্যক্রম বন্ধ হয়নি। তারা ওয়েবসাইট চালাচ্ছে, ফেসবুক ও ইউটিউবে তারা এখনো সক্রিয়।

এর বাইরে আল–জাজিরা, মার্কিন সংবাদমাধ্যম এবিসি, বার্তা সংস্থা রয়টার্স নামের শেষে ‘বাংলা’ বা ‘ওয়ার্ল্ড নিউজ’ শব্দ জুড়ে দিয়ে নকল চালিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে এসব প্রতিষ্ঠানের লোগো ব্যবহার করা হচ্ছে দেদারসে। দেশীয় সংবাদমাধ্যমও বাদ পড়ছে না। ইনডিপেনডেন্ট, সময়, একাত্তর, যমুনার মতো টেলিভিশন চ্যানেলের নামেও তাদের লোগো বসিয়ে নকল চ্যানেল চালানো হচ্ছে।

এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি যে ঘটনাটি ঘটে, তা হলো—নিজেদের সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে শেয়ার করা কার্ডের নকল তৈরি করে একই বিষয়ে ভুয়া খবর পরিবেশন। দেখা যায় ভুয়া সংবাদটির গ্রাহকই বেশি। অনেক ক্ষেত্রেই সংবাদমাধ্যমগুলোকে তখন নিজেদের সোশ্যাল পেজে বা চ্যানেলে নতুন করে প্রচার করতে হয় যে, ছড়িয়ে পড়া ভুয়া খবরটি তাদের নয়।

যে প্ল্যাটফর্মকে ব্যবহার করে নকলের এই রমরমা চলছে, সেই ইউটিউব কিন্তু সুস্পষ্টভাবে তার নীতিমালায় জানিয়ে রেখেছে, কোনো নিউজ চ্যানেলের নকল করার শাস্তি হিসেবে চ্যানেল এমনকি সংশ্লিষ্ট অ্যাকাউন্টও চিরতরে বন্ধ করে দেওয়া হবে। কিন্তু তাতেও কিছু হচ্ছে না। কারণ, ইউটিউব এসব নকল সেভাবে ধরতে পারছে না। ফলে কার্যকর ব্যবস্থাও নিতে পারছে না। যেসব চ্যানেল বা ভিডিও ধরা পড়ছে, তা সরিয়ে ফেলা হচ্ছে।

এ বিষয়ে বিবিসি বাংলার সাবেক সম্পাদক ও সাংবাদিক কামাল আহমেদ ডিসমিসল্যাবকে বলেছেন, ‘এগুলো বিবিসির মতো প্রতিষ্ঠানের ব্র্যান্ড ভ্যালুকে অনৈতিক ও লজ্জাকর ব্যবহার ছাড়া আর কিছুই নয়। ইউটিউবের মতো প্রভাবশালী একটি মাধ্যমে একদল লোক এটি করতে পারছে, এটি ভীষণ আশঙ্কার বিষয়। শুধু তাই নয়, এসব নকল চ্যানেল থেকে নকলবাজরা আয়ও করছে।’

দেশীয় বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের কর্তব্যক্তিরাও একই শঙ্কার কথা বলেছেন। তাঁরা এ বিষয়ে ইউটিউব ও মেটার মতো প্রতিষ্ঠানের কর্তৃপক্ষকে আরও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

ভুয়া খবর ছড়ানো হচ্ছে। কিন্তু কী ধরনের? সোজা উত্তর—যখন যার জোয়ার, তার। যেমন গাজায় যুদ্ধ শুরুর পর থেকে গাজা, ফিলিস্তিন, ইসরায়েলকে কেন্দ্র করে একের পর এক ভুয়া খবর ছড়ানো হয়েছে। ইউক্রেন যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে একইভাবে রাশিয়া, পুতিন ইত্যাদি বিষয়কে কেন্দ্র করে ভুয়া খবর ছড়ানো হয়েছে। কিছু ভুয়া তথ্যের দিকে নজর দেওয়া যাক—‘ইসরায়েলের বিরুদ্ধে যুদ্ধ নামছে ফিনল্যান্ড’, ‘ভারত–চীন পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধ শুরু’, ‘ইসরায়েলের রাজধানী ধুলিস্যাৎ’, ‘এক রাতেই ৯০ টন পরমাণু বোমা হামলা’, ‘নেতানিয়াহুর মৃত্যু’, ‘ইহুদি সেনারা ভয়ে পালাচ্ছে’, ‘৬০ লাখ ইহুদিকে জবাই’ ইত্যাদি। এসব ভিডিওগুলোর থাম্বনেইলে দেওয়া। এর কোনো ভিডিওতেই এ ধরনের কোনো তথ্য নেই, যা ইউটিউবের নীতিমালার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।

এমন ভুয়া ও মিথ্যা তথ্য এবং বিভ্রান্তিকর হেডলাইন দিয়ে দর্শক টানায় আন্তর্জাতিক খবর, বিবিসি ওয়ার্ল্ড টিভি নামের চ্যানেলগুলো শীর্ষে। আর বিবিসি নিউজ–বিডি, বিবিসি নিউজ ২৪ বাংলাদেশের রাজনীতি বিশেষত নির্বাচনের আগে–পরে বিস্তর ভুয়া খবর ছড়িয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে ডিসিমিসল্যাব। দেশীয় রাজনীতি নিয়ে ছড়ানো খবরের মধ্যে রয়েছে—‘বাঁচার কোনো আশা নেই ওবায়দুল কাদেরের’ কিংবা ‘লন্ডনে হামলার শিকার তারেক জিয়া’–এর মতো খবর।

এ সম্পর্কিত একটি গবেষণা ২০১৮ সালে প্রকাশ করে ইউনেস্কো। সেখানে বলা হয়, কী হলে খবর হয়, বা খবরে প্রকাশিত তথ্য নির্ভরযোগ্য কি–না, তার কোনো মানদণ্ড ও নিয়ন্ত্রণ করার কৌশল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ম্যাসেজিং প্ল্যাটফর্মগুলোর নেই। ফলে প্রতিষ্ঠিত সংবাদমাধ্যমের নকল তৈরি করে মানুষকে বিভ্রান্ত করাটা এসব প্ল্যাটফর্মে খুবই সহজ।

আসলেও তাই। আর এরই সুযোগ নিচ্ছে প্রতারকেরা। এর সাথে যুক্ত হয়েছে আয়ের সুযোগ। ঘরে বসেই তাই অন্যের প্রচারিত খবরকে নিজের দাবি করে, বা উদ্দেশ্যমূলখভাবে মিথ্যা তথ্যসমৃদ্ধ কনটেন্ট তৈরি করে তা ইউটিউব, ফেসবুকের মতো প্ল্যাটফর্মে ছড়িয়ে দিচ্ছে একদল লোক। এসব কনটেন্টের বিষয়বস্তু যত চটকদার হবে, ততই এগুলোর ভিউ বাড়বে। আর ভিউ মানেই আয়। এই আয়ের পেছনেই ছুটছে সবাই। এ ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষের খবর খোঁজার অভ্যাসে বদলকে পুঁজি করা হচ্ছে।

এ বিষয়ে একটিপরিসংখ্যানের কথা উল্লেখ করা যেতে পারে। পরিসংখ্যানভিত্তিক ওয়েবসাইট স্ট্যাটিস্টার তথ্যমতে, প্রচলিত সংবাদমাধ্যমের বদলে প্রাপ্তবয়স্ক তরুণদের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে খবর সংগ্রহের প্রবণতা উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ছে। কী করকম? নাইজেরিয়ায় এ হার ৭৮ শতাংশ, থাইল্যান্ডে ৭৫, ভারতে ৫২, আমেরিকায় ৪৮ শতাংশ তরুণ এখন সামাজিকমাধ্যমকে তথ্য ও খবরের উৎস হিসেবে গণ্য করে। আর এই প্রবণতাকে পুঁজি করেই ভুয়া ও নকল চ্যানেল ও পেজ গড়ে উঠছে জনপ্রিয় সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মগুলোতে। বাংলাদেশে এ হার যে মাত্রায় বেড়েছে, তা ভীষণ আশঙ্কাজনক বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।

বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশের মানুষের খুব কম লোকই খবরের নির্ভরযোগ্যতার বিষয়টি বোঝেন ও খবর সংগ্রহের ক্ষেত্রে তা যাচাইয়ে আমলে নেন। এই বিপুলসংখ্যক মানুষকে তাদের অলক্ষ্যে ভোক্তা বানিয়েই প্রতিষ্ঠিত সংবাদমাধ্যমের নকল চালিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ডেস্কটপে ফেসবুক ব্যবহারে সমস্যা দেখা দেয়। প্রায় ২ ঘণ্টা পর স্বাভাবিক হয়েছে কার্যক্রম, তবে মোবাইল অ্যাপে সচল ছিল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমটি।
‘নামে কী-বা আসে যায়’! তবে মেটার মালিকানাধীন জনপ্রিয় মেসেজিং অ্যাপ হোয়াটসঅ্যাপ জানিয়েছে, নামই হতে যাচ্ছে এবার অ্যাপটি ব্যবহারের মূল বিষয়। এখন থেকে আপনার ফোন নম্বর নয়, প্ল্যাটফর্মটিতে ‘ইউজারনেম’...
ফেসবুক, মেসেঞ্জার ও হোয়াটসঅ্যাপে হঠাৎ সেবা বিঘ্নের অভিযোগ করেছেন ব্যবহারকারীরা। লগ-ইন, মেসেজ আদান-প্রদান ও প্ল্যাটফর্মে প্রবেশে সমস্যার মুখে পড়েছেন অনেকে। এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো কারণ জানায়নি মেটা।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম হোয়াটসঅ্যাপ ও এর মূল প্রতিষ্ঠান মেটার বিরুদ্ধে মামলা করেছে যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের অ্যাটর্নি জেনারেলের দপ্তর। 
কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধসে এক তরুণীর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় তিন বছর বয়সী এক শিশু আহত হয়েছে। টানা বৃষ্টির মধ্যে পাহাড়সংলগ্ন ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম বলেছেন, ‘বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন আহমেদ গণভোটকে অবৈধ বলেছেন। আমরা তাকে বলতে চাই, গণভোট যদি অবৈধ হয়, তাহলে বিএনপি সরকার,...
এসডিজি ব্র্যান্ড চ্যাম্পিয়ন অ্যাওয়ার্ডস ২০২৬-এ তিনটি ক্যাটাগরিতে বিজয়ী হওয়ার পাশাপাশি আরও দুটি ক্যাটাগরিতে সম্মানজনক স্বীকৃতি পেয়েছে ইউনিলিভার বাংলাদেশ লিমিটেড (ইউবিএল)। এর মাধ্যমে...
সৌদি আরবের বিরুদ্ধে নৌ অবরোধ ঘোষণা করেছে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা। আজ সোমবার এক বিবৃতিতে এই নৌ অবরোধের কথা জানিয়েছেন ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠীটির সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি।
লোডিং...
পঠিতনির্বাচিত

এলাকার খবর