চলতি বছরের এপ্রিল মাসে ৮৮ জন কন্যা এবং ১০৫ জন নারী নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। এরমধ্যে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন ৩৫ জন কন্যাসহ ৪৬ জন নারী। তারমধ্যে ১২ জন কন্যাসহ ১৫ জন দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন, ১ জন কন্যাসহ ৩ জনকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে, ১ জন কন্যা ধর্ষণের কারণে আত্মহত্যা করেছে। এছাড়াও ৪ জন কন্যাকে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়েছে।
বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের নারী ও কন্যা নির্যাতন বিষয়ক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মালেকা বানু স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে আজ এই প্রতিবেদন পাঠায় মহিলা পরিষদ। মহিলা পরিষদের কেন্দ্রীয় লিগ্যাল এইড উপ-পরিষদে সংরক্ষিত ১৬টি জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের ভিত্তিতে এই প্রতিবেদন তৈরি করা হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, এপ্রিল মাসে যৌন নিপীড়নের শিকার হয়েছেন ৫ জন কন্যাসহ ৯ জন। উত্ত্যক্তকরণের শিকার হয়েছেন ১ জন কন্যাসহ ২ জন। বিভিন্ন কারণে ৭ জন কন্যাসহ ৩৩ জনকে হত্যা করা হয়েছে। এছাড়াও ১ জন কন্যাকে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। নারী ও কন্যা পাচারের ঘটনা ঘটেছে ১ জন কন্যাসহ ২ টি। এসিডদগ্ধের শিকার হয়েছেন ১ জন। ১ জনের অগ্নিদগ্ধের কারণে মৃত্যুর হয়েছে। যৌতুকের কারণে নির্যাতনের শিকার হয়েছে ৩ জন, এরমধ্যে ১ জনকে যৌতুকের কারণে হত্যা করা হয়েছে।
এ ছাড়া গত মাসে শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন ১৬ জন, এরমধ্যে ২ জন কন্যা। পারিবারিক সহিংসতায় শারীরিক নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে ৪ টি। ৩ জন কন্যাসহ ৪ জন গৃহকর্মী নির্যাতনের ঘটনায় ১ জনকে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। ২ জন কন্যাসহ ১৫ জনের রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। ৬ জন কন্যাসহ ১৫ জনের আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে। ৩ জন কন্যা অপহরণের ঘটনার শিকার হয়েছেন। এছাড়া ১ জন কন্যাকে অপহরণের চেষ্টা ঘটনা ঘটেছে। ফতোয়ার ঘটনার শিকার হয়েছে ২ জন। ৩ জন কন্যাসহ ৫ জন সাইবার ক্রাইমের ঘটনার শিকার হয়েছেন। বাল্যবিবাহের ঘটনা প্রতিরোধ করা হয়েছে ১২ টি। এ ছাড়া ২ জন কন্যাসহ ১৪ জন বিভিন্নভাবে নির্যাতনের শিকার হয়েছেন।



