চলতি বছরের জুন মাসে ১৪৮ জন কন্যা এবং ১৪৯ জন নারী নির্যাতনের শিকার হয়েছে। এরমধ্যে ধর্ষণের শিকার হয়েছে ৪৯ জন কন্যাসহ ৬৭ জন। তারমধ্যে ১১ জন কন্যাসহ ১৯ জন দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছে, ৪ জন কন্যাকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে। এছাড়া ৯ জন কন্যাসহ ১৭ জনকে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়েছে।
বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের নারী ও কন্যা নির্যাতন বিষয়ক প্রতিবেদন (জুন,২০২৪) এ তথ্য জানানো হয়। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি এই প্রতিবেদন পাঠায় মহিলা পরিষদ। মহিলা পরিষদের কেন্দ্রীয় লিগ্যাল এইড উপ-পরিষদে সংরক্ষিত ১৬টি জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের ভিত্তিতে এই প্রতিবেদন তৈরি করা হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, জুন মাসে যৌন নিপীড়নের শিকার হয়েছে ৩২ জন কন্যাসহ ৪৮ জন। উত্ত্যক্তকরণের শিকার হয়েছে ১ জন কন্যা। বিভিন্ন কারণে ৪ জন কন্যাসহ ৪৫ জনকে হত্যা করা হয়েছে। এছাড়া ৩ জন নারীকে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। নারী ও কন্যা পাচারের ঘটনা ঘটেছে ৩জন কন্যা। ১ জনের অগ্নিদগ্ধের শিকার হয়েছে হয়েছে। যৌতুকের কারণে নির্যাতনের শিকার হয়েছে ১০ জন, এরমধ্যে ১ জন কন্যাসহ ৪ জনকে যৌতুকের কারণে হত্যা করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, জুন মাসে শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েছে ৮ জন, এরমধ্যে ১ জন কন্যা। পারিবারিক সহিংসতায় শারীরিক নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে ৫ টি। ২ জন কন্যাসহ ৩ জন গৃহকর্মী নির্যাতনের ঘটনায় ১ জন কন্যাকে হত্যা ও ১ জন কন্যার আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে। ৪ জন কন্যাসহ ২৪ জনের রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। ৯ জন কন্যাসহ ২১ জনের আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে, এরমধ্যে ৩ জন আত্মহত্যার প্ররোচনার শিকার হয়েছে।
এছাড়া ৩ জন কন্যার আত্মহত্যার চেষ্টার ঘটনা ঘটেছে। ৮ জন কন্যাসহ ৯ জন অপহরণের ঘটনার শিকার হয়েছে। ৪ জন কন্যাকে অপহরণের চেষ্টার ঘটনা ঘটে। ৩ জন কন্যা সাইবার ক্রাইমের ঘটনার শিকার হয়েছে। বাল্যবিবাহ ঘটনা ঘটেছে ৩টি এবং বাল্যবিবাহের চেষ্টা করা হয়েছে ৪ টি। এছাড়া ৮ জন কন্যাসহ ১৫ জন বিভিন্নভাবে নির্যাতনের শিকার হয়েছে।


বিশ্ববিদ্যালয়ে যৌন নিপীড়ন বন্ধে মহিলা পরিষদের ৬ দফা সুপারিশ
জুন মাসে ২৯৬টি নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে: এমএসএফ
