যুক্তরাজ্যে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে আজ বৃহস্পতিবার। স্থানীয় সময় সকাল ৭টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত চলবে ভোটগ্রহণ। বিভিন্ন জরিপের পূর্বাভাসে বলা হচ্ছে, ১৪ বছরের রাজত্ব হারাতে পারে কনজারভেটিভ পার্টি। কারণ এবার লেবার পার্টিকে ক্ষমতায় দেখতে চান অনেক ব্রিটিশ নাগরিক। অন্যদিকে, দেশটিতে এবারের নির্বাচনে লড়বেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভুত ৩৪ জন।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, নির্বাচনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভ পার্টি ও বিরোধী দল লেবার পার্টির মধ্যে। শেষ মুহুর্তে নির্বাচনি প্রচার নিয়ে ব্যস্ত দল দুটি।
তবে ক্ষমতাসীন দল কনজারভেটিভ পার্টির জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে লেবার পার্টি। বিভিন্ন জরিপের পূর্বাভাস বলছে, ১৪ বছরের রাজত্ব হারিয়ে কনজারভেটিভ পার্টির বদলে ক্ষমতায় আসতে পারে বিরোধী লেবার পার্টি। নির্বাচনে রেকর্ড ব্যবধানে জয় পেতে যাচ্ছে লেবার পার্টি।
বিভিন্ন জরিপ অনুযায়ী, লেবার পার্টি ৪৮৪টি আসনে জয় পেতে যাচ্ছে। যা দলটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ারের আমলে ৪১৮টি আসনে জয়ের থেকেও বেশি। অন্যদিকে কনজারভেটিভ পার্টি মাত্র ৬৪ আসনে জয় পেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে কোনো দলকে মোট ৬৫০ আসনের ৫০ শতাংশ পেতে হবে।
বিবিসি জানিয়েছে, এবার যুক্তরাজ্যের সাধারণ নির্বাচনে রেকর্ড সংখ্যক ৩৪ জন বাংলাদেশী বংশোদ্ভুত প্রার্থী লড়াই করছেন। যার মধ্যে লেবার পার্টি থেকেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৮ জন। অনেকেই আবার গাজা সংকটে লেবার পার্টির অবস্থানের বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন। ৩৪ প্রার্থীর মধ্যে বেশিরভাগই এবার প্রথম ভোটে দাঁড়িয়েছেন।
বর্তমানে যুক্তরাজ্যের ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভ পার্টির নেতৃত্ব দিচ্ছেন ৪৪ বছর বয়সী ঋষি সুনাক। আধুনিক ব্রিটেনের কমবয়সী প্রধানমন্ত্রী ভারতীয় বংশোদ্ভুত সুনাক। অন্যদিকে তাঁর বিপরীতে ক্ষমতার লড়াইয়ে রয়েছেন লেবার পার্টির ৬১ বছর বয়সী স্যার কিয়ের স্টারমার। আর এবার নির্বাচনে ভোট দেবেন প্রায় পাঁচ কোটি নাগরিক।


দুই মিথ্যুকের মধ্যে কাকে বেছে নেবে আমেরিকা
নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াচ্ছি না: বাইডেন
