কোটা পুনর্বহাল নিয়ে হাইকোর্টের রায় এক মাসের জন্য স্থগিত করে আপিল বিভাগ যে আদেশ দিয়েছেন তা মানবেন না বলে জানিয়েছেন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা। তাঁরা বলছেন, ঝুলন্ত কোনো সিদ্ধান্ত নয়। সর্বোচ্চ ৫ শতাংশ কোটা থাকতে পারে। সংসদে আইন পাস করে বাকি কোটা বাতিল করতে হবে। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত রাজপথে থাকবেন তারা।
আজ বুধবার হাইকোর্টের কোটা পুনর্বহালের রায়ে এক মাসের স্থিতাবস্থা জারি করেছেন আপিল বিভাগ। প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বে পাঁচ বিচারপতির আপিল বেঞ্চ উভয়পক্ষের শুনানি শেষে এই আদেশ দেন।
এর পরই আন্দোলনকারীদের প্লাটফর্ম ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন’ বার্তা পাঠিয়ে এই প্রতিক্রিয়া দেয়। এতে আদালতের আদেশ নিয়ে তাদের অবস্থান জানানো হয়।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান মাসউদ বার্তায় বলেন, ‘আমরা কোনো ঝুলন্ত সিদ্ধান্ত মানছি না। আমাদের এক দফা দাবি, সংসদে আইন পাস করে সরকরি চাকরির সব গ্রেডে শুধু পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জন্য ন্যূনতম (সর্বোচ্চ ৫ শতাংশ) কোটা রেখে সব ধরনের বৈষম্যমূলক কোটা বাতিল করতে হবে।’
এ দাবি নির্বাহী বিভাগ থেকে যতক্ষণ না পূরণ করা হবে ততক্ষণ তারা রাজপথে থাকবেন বলে জানান তিনি।
সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিলের সিদ্ধান্ত অবৈধ ঘোষণা করে ৫ জুন রায় দেন হাইকোর্ট। ওই রায়ের ফলে সরকারি চাকরিতে ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটা বহাল হয়। পরে এ নিয়ে শাহবাগ মোড় দখল করে আন্দোলন শুরু হয়। রাজধানীসহ দেশের অনেক স্থানেই আন্দোলন চলছে শিক্ষার্থীদের। এক পর্যায়ে হাইকোর্টের রায় নিয়ে রিট করা হয়। এ নিয়ে শুনানি হয় বুধবার।


শাহবাগে শিক্ষার্থীদের অবস্থান, ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক অবরোধ
