ছয় মাস আগে শুরু হয়েছিল প্রাক-বিবাহ আয়োজন। অবশেষে শুক্রবার ভারতের মুম্বাইয়ে সম্পন্ন হলো এশিয়ার শীর্ষ ধনী মুকেশ আম্বানির ছোট ছেলে অনন্ত আম্বানির বিয়ে। ভারতের শিল্পপতি বীরেন মার্চেন্টের মেয়ে রাধিকা মার্চেন্টের সঙ্গে সাতপাকে বাঁধা পড়লেন অনন্ত।
এমনিতেও নিজের সাজপোশাক নিয়ে আলোচনায় থাকেন নীতা আম্বানি। এবার ছেলের বিয়েতে কেমন সাজবেন, তা নিয়ে ফ্যাশন দুনিয়ার আগ্রহ তাই ছিল তুঙ্গে।
বিয়ে উপলক্ষ্যে ডিজাইনার আবু জানি সন্দীপ খোসলার নকশা করা পোশাক পরেন নীতা। সিল্কের লেহেঙ্গা জুড়ে ছিল সবুজ, গোলাপি আর সোনালি আভা। নীতার ব্লাউজ জুড়ে ছিল সোনালি, রূপালি জালির নকশা করা। ব্লাউজে জারদৌসির কারুকাজটি ছিল জমকালো।
নীতা আম্বানির নকশা করা এই পোশাকের নাম ‘রাংকাট’ ঘাগরা। নীতার পোশাকটি নকশা করতে সময় লেগেছে প্রায় ৪০ দিন। লেহেঙ্গার সঙ্গে নীতা পরেন হীরার গয়না। মাথায় খোঁপা আর খোঁপায় ছিল ফুলের বেণী। হালকা মেকআপেই নজর কেড়েছেন মুকেশ-পত্নী।
তবে সব নজর কেড়ে নেয় নীতার হাতে থাকা সোনালি রঙের চতুষ্কোণ একটি বস্তু। ব্যাগ ভেবে ভুল করলেও আসলে নীতার হাতে ছিল ঐতিহ্যবাহী ‘রমন ডিভো’ প্রদীপ। এই প্রদীপ হাতেই বিয়ের মণ্ডপে পৌঁছান বরের মা।
গুজরাটি বিয়ের রীতি অনুযায়ী বরের মা ‘রমন ডিভো’ বহন করেন। এর শুভ আলো সমস্ত অন্ধকার দূর করে নবদম্পতির জীবনে আশীর্বাদ বয়ে আনবে এমনটিই বিশ্বাস করা হয়।
বিয়ে উপলক্ষ্যে নীতা আম্বানির হাতে আঁকা মেহেদিও হয়েছে ‘ভাইরাল’। মেহেদিতে প্রিয়জনের নাম লেখার ঐতিহ্যকে যেন আরও একবার প্রতিষ্ঠিত করেছেন নীতা আম্বানি। নীতার মেহেদিতে যেমন রয়েছে অনন্ত এবং রাধিকা মার্চেন্টের নাম, তেমনই তার মেয়ে ইশা এবং জামাই আনন্দ পিরামলের নাম। বড় ছেলে আকাশ ও বড় বউমা শ্লোকার নামও লিখেন হাতে। ভোলেননি নাতি-নাতনিদেরও। সঙ্গে লেখা রয়েছে স্বামী মুকেশ আম্বানির নামও।
অনন্ত আর রাধিকার বিয়ের অনুষ্ঠান আরও দু’দিন চলবে । আজকে ‘শুভ আশীর্বাদ' এবং কালকে ‘মঙ্গল উৎসব’ বা বিয়ের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হবে ।
তথ্যসূত্র-হিন্দুস্তান টাইমস, আনন্দবাজার পত্রিকা


জমকালো পোশাকেও হালকা সাজে রাধিকা
অনন্ত-রাধিকাকে সাজাবেন কিম কার্দাশিয়ানের মেকআপ আর্টিস্ট
রাধিকার ফুলের তৈরি ওড়নায় কি নতুন ফ্যাশন ট্রেন্ড?
