শিশুরা ছোটাছুটি করবে, এটাই তো স্বাভাবিক। শিশুরা খেলতে গিয়ে হঠাৎ করে মাটি বা ফ্লোরে পড়ে যাবে, এতে হাত,পা কিংবা মাথায় ব্যথা পাবে না। এমনটা বোধ আশা করা ঠিক হবে না। এতে অনেক অভিভাবক ভয় পেয়ে থাকেন। তবে, এ সময় ভয় না পেয়ে দেখতে হবে আঘাত বেশি নাকি কম, কতটা হয়েছে।
শিশু ঘরের বা স্কুলের চেয়ার, টেবিল, কিংবা খাট থেকে পড়ে গিয়ে ব্যথা পেতে পারে। অনেক অভিভাবক আছেন, যারা এ সময় শিশুকে অনেক বকাঝকা করেন। তবে এ সময় শিশুর সঙ্গে এমন আচরণ করা যাবে না। আবার তাদের ব্যথাকে অবহেলাও করা যাবে না।
আসুন জেনে নিন, শিশু পড়ে গেলে করণীয় কী হতে পারে:
১. দেখুন শিশুর কথা বলতে বা দেখতে অসুবিধা হচ্ছে কিনা।
২. খেয়াল করে দেখুন মাটিতে পড়ে যাওয়ার পর আপনার শিশুর দীর্ঘক্ষণ মাথা ব্যথা করছে কিনা। যদি দেখেন অনেকক্ষণ ধরে মাথা ব্যথা করছে, তবে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন।
৩. ভালোভাবে দেখুন আপনার শিশু শরীরের ভারসাম্য রক্ষা করতে পারছে কিনা। শরীরের ভারসাম্য ঠিক মনে না হলে অর্থাৎ ঠিকঠাক হাঁটাচলা না করতে পারলে সতর্ক হতে হবেন।
৪. আবার ব্যথা পাওয়ার পর শিশু যদি বলে তার মাথা বেশি ঘুরছে, বমি বমি লাগছে তাহলেও চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
৫. অনেক সময় পড়ে গিয়ে শিশু চোখে ব্যথা পেতে পারে। চোখের এই সমস্যা থেকে চোখের ক্ষতি হতে পারে। তাই একটু সর্তক হন।
৬. যদি দেখেন পড়ে যাওয়ার পর নাক দিয়ে রক্ত ঝরছে, তবে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যান।
৭. অথবা যদি দেখেন পড়ে গিয়ে আঘাতের কারণে মাথা থেকে বেশি রক্ত পড়ছে। তাতেও সতর্কতা অবলম্বন করুন।
৮. আবার যদি দেখেন শিশু পড়ে গিয়ে বেশি কান্না করছে আর নিঃশ্বাস নিতে সমস্যা হচ্ছে, তাহলে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যান।
যা করবেন
চেয়ার, টেবিল, কিংবা খাট থেকে পড়ে যাওয়ার পর আপনার শিশুকে প্রথমেই শিশুকে শুইয়ে দিন। আঘাতের কারণে মাথা ফুলে গেলে আঘাতের স্থানে বরফ দিন। আবার কেটে গিয়ে রক্ত বের হলে পরিষ্কার কাপড় দিয়ে কাটার স্থানে চেপে ধরে রাখুন। বেশি সমস্যা মনে হলে দেরি না করে অবশ্যই শিশুকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যান।


শিশুর কানপাকা রোগ হলে কী করবেন?
শিশুর জ্বর হলে কী করবেন?
শিশুর কানপাকা রোগ প্রতিরোধের উপায় কী?
