কথায় বলে, সকাল দেখে সারাদিনের একটা আভাস পাওয়া যায়। একইভাবে এন্ট্রিওয়ে বা ঘরে ঢোকার পথ দেখেও একটি বাড়ির বাসিন্দাদের রুচিবোধের পরিচয় মেলে। বাড়ির এই অংশটি আকারে তুলনামূলক ছোট হয়ে থাকে। যে কারণে খুব কম বাজেটে সাজানো যায়।
আপনার চিন্তা, বাজেট ও রুচির ওপর নির্ভর করে সাজিয়ে নিতে পারেন ঘরের প্রবেশদ্বারটি।
দেয়ালের রঙ
বাইরে থেকে ফিরেই সবাই দরজার পাশের দেয়ালে হাত রাখে। এতে সহজেই নোংরা হাতের ছাপ লেগে যেতে পারে। আবার এ পাশটায় ধুলা-ময়লাও বেশি থাকে। প্রবেশদ্বার সংলগ্ন দেয়ালে তাই গাঢ় রং ব্যবহার করা উত্তম। সঙ্গে ব্যবহার করতে পারেন নানান নকশার ওয়াল স্টিকার। এই স্টিকারে দেয়ালের কোনও ক্ষতি হয় না। আবার দেখতেও আকর্ষণীয় লাগে।
সবুজায়ন
সদর দরজার পাশে দেয়ালঘেঁষে ছোট-বড় টবে বিভিন্ন ইনডোর প্ল্যান্টস রাখুন। ঘরের সাজসজ্জায় প্রকৃতির ছোঁয়া রাখাটা এখন এমনিতেও চলতি ধারার অংশ। মানিপ্ল্যান্ট, কয়েনপ্ল্যান্ট, লাকিব্যাম্বু, মনস্টেরা, এরিকা পাম, ইঞ্চিপ্ল্যান্ট, স্পাইডারপ্ল্যান্টের মতো গাছ ঘরের পাশাপাশি বাইরেও রাখুন। এগুলোর জন্য খুব বেশি যত্নের প্রয়োজন হয় না। সম্ভব হলে একটি মাটির বড় গামলায় কিছু ভাসমান কৃত্রিম গাছ আর মোম ছেড়ে দিতে পারেন। চাইলে রঙবেরঙের ফুলগাছেও সাজিয়ে নিতে পারেন আপনার ঘরে প্রবেশের পথটি।
শৈল্পিক ছোঁয়া
দরজার পাশের দেয়ালে প্রাকৃতিক দৃশ্য সম্বলিত ছোট ছোট একাধিক পেইন্টিং বা চিত্রকর্ম ঝুলিয়ে দেওয়া যায়। দেয়াল বড় হলে একটি বড় আকারের পেইন্টিং ঝুলালেও চলবে। এছাড়াও ঘরের প্রবেশমুখে একটি রুচিসম্মত ডোরবেল রেখে সহজেই নান্দনিকতা আনতে পারেন। দরজার বাইরে ‘আমাদের বাড়ি’, ‘ওয়েলকাম’, ‘সুখের নীড়’ ইত্যাদি সুন্দর সব লেখাযুক্ত গ্রিটিংস প্লেট বা নেমপ্লেট আজকাল অনলাইনেই সহজলভ্য।
আয়না
ঘরে ঢোকার পথে একটি আয়না রাখতে পারেন। এতে একসঙ্গে দুটি কাজ হবে। আলো প্রতিফলিত হয়ে আপনার প্রবেশদ্বার উজ্জ্বল হয়ে উঠবে। আবার বাইরে যাওয়ার সময় নিজের পোশাক ঠিক আছে কি না চটজলদি দেখে নেওয়া যাবে।
জুতার র্যাক
দরজার বাইরে জুতা পড়ে থাকলে খুব অগোছালো লাগে দেখতে। তাই পর্যাপ্ত জায়গা থাকলে একটি ছোট জুতার র্যাক রাখতে পারেন। পাশে থাকুক ছোট একটি কাঠের টুলও। এতে এর ওপরে বসেই জুতা পরা সম্ভব হবে। বাইরের ধুলাবালি জুতার মাধ্যমে আর ঘরে প্রবেশ করবে না।


বারান্দাই যখন বৈঠকখানা
পাঁচতারকা হোটেলের মতো সাজান নিজের ঘর 
