মেলা মানেই আনন্দ। গত বছরের মতো এবারও অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে উদ্যোক্তাদের মেলা ‘আনন্দ উঠান। আগামী ১৩ ও ১৪ সেপ্টেম্বর ধানমন্ডি মাইডাস সেন্টারে এই মেলা অনুষ্ঠিত হবে। মেলা সকাল ১১ টা থেকে রাত ৮ টা পর্যন্ত চলবে।
মেলায় ৩২ উদ্যোক্তা তাঁদের বৈচিত্র্যময় পণ্য নিয়ে অংশগ্রহণ করবেন। মেলায় থাকবে শাড়ি, গহনা, ন্যাচারাল ডাই, ব্লক, স্ক্রিন প্রিন্ট, ডিজিটাল প্রিন্ট, ঐতিহ্যবাহী জামদানি, তাঁতের শাড়ি ও হাতের কাজের বিভিন্ন পোশাকের নানা আয়োজন। আর সেই সঙ্গে থাকবে হরেক রকমের খাবারের উদ্যোগ।
এবারের ‘আনন্দ উঠান’ এ অংশগ্রহণ করবে পটের বিবি, শাড়িকথন, সুতলি, তেরো পার্বণ, ঋ, মল্লিকা, কালিন্দী, দেশী বুনন, গথিয়া, মিথ আর্ট অ্যান্ড ক্রাফটস, পোশাক বাই তাননাস, নয়া,খুঁত, বাঙুরি, আরুনিকা, ক্যানভাস, এনস কিচেন, বিজেন্স, তানিস বাংলাদেশ, আর্টেমিস, অন্দর, বোকা বাক্স, দয়ীতা, রংধনু ক্রিয়েশনস, মিন্ডালা ডট কম, দীঘল, আঁচারি, শখের ডিব্বা, আটকুঠুরি নয় দরজা, সম্পূর্ণা, চিয়ারি শেফ, দিশাস রোডব্লক আর পৌরাণিক।
‘আনন্দ উঠান’ এ অংশগ্রহণকারী ‘কালিন্দী’র কর্ণধার মুনিয়া জামান বলেন, ‘গত দুই মাস উদ্যোক্তাদের মধ্যে ছিল স্থবিরতা। এছাড়া অনলাইনে ব্যবসায়িক পোস্ট করার কারণে বুলিংয়ের স্বীকার হতে হয়েছে অসংখ্য উদ্যোক্তাকে। এতে উদ্যোক্তাদের ব্যবসায়িক ক্ষতির পাশাপাশি মানসিক ক্ষতিও হয়েছে। কোনো কাজে একবার ছন্দ পতন ঘটলে ঘুরে দাঁড়ানোটা কঠিন বটে। উদ্যোক্তাদের জন্য এখন কঠিন সময়। নিজেদের কাজে ফেরার জন্য আসলে প্রয়োজন একটা উপলক্ষ। ‘আনন্দ উঠান’ হলো সেই ধরনের উপলক্ষ। এবারের ‘আনন্দ উঠানে’ অংশগ্রহণ করছে ৩২ জন উদ্যোক্তা। ক্রেতা-বন্ধু-পরিচিত-অপরিচিত-শুভাকাঙ্ক্ষীদের কাছে বিশেষভাবে অনুরোধ ‘আনন্দ উঠানে’ আসবেন। কেনাকাটার জন্যই আসতে হবে এটা জরুরি না। কেমন পণ্য চান, কেমন হলে ভালো হয় সেই পরামর্শ দিতে আসবেন। দেশীয় পণ্য নিয়ে আশাবাদী একদল উদ্যমী মানুষের পাশে এসে দাঁড়ান।’
উল্লেখ্য, জুলাইয়ে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন, এরপর দেশের পূর্বাঞ্চলে ভয়াবহ বন্যা হয়। সব মিলিয়ে গত দুইমাস উদ্যোক্তারা কাজে ফিরতে পারেন নি। বর্তমানে উদ্যোক্তারা নতুন ভাবে কাজে ফিরতে চান। উদ্যোক্তাদের গত দুই মাসের স্থবিরতা কাটিয়ে উঠার আয়োজন ‘আনন্দ উঠান’।



