রোজকার সাধারণ মেকআপে হাইলাইটার খুব একটা ব্যবহার করা হয় না। কিন্তু অনুষ্ঠান বা উপলক্ষে জমকালো মেকআপের ক্ষেত্রে গ্লোয়িং লুক আনতে হাইলাইটারের জুড়ি নেই। মেকআপের এই অনুষঙ্গটি পুরো মুখেই একটি বাড়তি জেল্লা নিয়ে আসে।
সাধারণত আমাদের মুখের যে ‘হাই’ পয়েন্টগুলোতে আলো পড়ে, সেসব জায়গায় হাইলাইটার ব্যবহার করতে হবে। যেমন- গালের দুপাশে হাড়ের উপরে, নাকের উপর, কপালে, থুতনিতে। হালকা করে ঠোঁটের উপরেও ব্যবহার করতে পারেন।
হাইলাইটারের ধরন
হাইলাইটার সাধারণত চারটি ফর্মুলার হয়ে থাকে। পাউডার হাইলাইটার, ক্রিম হাইলাইটার, লিকুইড হাইলাইটার এবং স্টিক হাইলাইটার। ত্বকের ধরন অনুযায়ী হাইলাইটার ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
ত্বক তৈলাক্ত হয়ে থাকলে অবশ্যই পাউডার হাইলাইটার ব্যবহার করতে হবে। এটি ত্বকের তৈলাক্ত ভাবকে কমিয়ে উজ্জ্বল লুক দিবে।
আবার কম্বিনেশন বা মিশ্র ত্বকের জন্য ব্যবহার করা উচিত ক্রিম ফর্মুলার হাইলাইটার।
অন্যদিকে আপনার ত্বক যদি শুষ্ক হয়ে থাকে, তাহলে লিকুইড হাইলাইটার ব্যবহার করতে হবে। এটি ত্বকে সুন্দরভাবে ব্লেন্ড হয়ে নমনীয়তা ধরে রাখতে সাহায্য করে।
ফর্মুলার পাশাপাশি হাইলাইটার কেনার সময় ত্বকের আন্ডারটোনও মাথায় রাখা উচিত। ইয়েলো আর পিংক- এই দুই ধরনের আন্ডারটোন আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে বেশি দেখা যায়। ইয়েলো আন্ডারটোনে একটু গোল্ডেন বা শ্যাম্পেইন শেডের হাইলাইটার ব্যাবহার করতে হবে।
অন্যদিকে, গোলাপি রঙের আভা বা পিঙ্ক আন্ডারটোনের যারা, তারা পিঙ্ক এবং সিলভার শেডের হাইলাইটার ব্যবহার করতে পারেন।
ব্যবহারের উপায়
ক্রিম হাইলাইটার ব্যবহারের জন্য হাতের আঙুলে বা ব্রাশের সাহায্যে প্রথমে ব্লেন্ড করে নিন। তারপর ক্রিমটি সেট করার জন্য এর উপর পাউডার হাইলাইটার ব্যবহার করে নিন।
লিকুইড হাইলাইটার আবার দুইভাবে ব্যবহার করা যায়। ফাউন্ডেশন বা ময়েশ্চারাইজারের সঙ্গে মিশিয়ে এবং মেকআপের শেষে হালকা করে মুখের হাই পয়েন্টগুলোতে।
মুখের যেখানে যেখানে হাইলাইটার ব্যবহার করবেন তার ওপর আগে ভ্যাসলিন ব্যবহার করে নিন। এতে হাইলাইটার সরে যাবে না এবং সারাদিন আভা থাকবে।


ব্লাশন ব্যবহারে যে ভুলগুলো করা যাবে না
মেকআপ নিখুঁত করবে কনসিলার
কোন মেকআপ পণ্য কতদিন ব্যবহার করবেন?
